প্রচ্ছদ আইন-আদালত ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হ’ত্যাকা’ণ্ডে আদালতে দাঁড়িয়ে যা বলেছেন আল্লামা সাঈদী

ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হ’ত্যাকা’ণ্ডে আদালতে দাঁড়িয়ে যা বলেছেন আল্লামা সাঈদী

136
পড়া যাবে: < 1 minute
advertisement

ছাত্রলীগ কর্মী ফারুক হ’ত্যা মা’মলায় আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ ১০৪জনের বিরুদ্ধে চা’র্জ গঠন করা হয়েছে। মা’মলার মোট আ’সামী ছিলো ১১০ জন, ৬ জনের মৃ’ত্যু হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়নি। আজ বৃহস্পতিবার রাজশাহীর অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এনায়েত কবীর সরকারের আদালতে এ চার্জ গঠন করা হয়।

advertisement

এরআগে বেলা সোয়া ১১টায় আল্লামা সাঈদীকে রাজশাহীর জেলা জজ আদালতে নেয়া হয়। এসময় কঠোর নি’রাপত্তার মধ্যেও তাকে দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। রাষ্ট্রপক্ষে এ মা’মলা পরিচালনা করেছেন ওই আদালতের এপিপি শিরাজী শওকত সালেহীন। আর আসামিপক্ষে মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্যানেল এ মা’মলা লড়েছেন।

এপিপি শিরাজী শওকত সালেহীন আদালতে বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল দখল নিয়ে ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘ’র্ষ হয়। এতে ফারুক নামের একজন ছাত্র নি’হত হয়। এতে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীও সম্পৃক্ত কারণ ঘটনার দুই দিন আগে রাজশাহীতে তিনি সফর করেছিলেন, তাই তিনি হুকুমের আ’সামী।

আরও পড়ুন:  আমরা ছাত্রলীগ, নিয়োগ বাণিজ্য করতেই পারি, শিক্ষকরা কেন করবে? (ভিডিও)

এ বিষয়ে আদালতের এ’জলাসে দাড়িয়ে আল্লামা সাঈদী বলেন, ওই ঘটনার সাথে আমি কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ এদিন আদালত ৫২জনকে হাজির করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে ১০৩ এবং ১০৯ ধারায় চা’র্জ গঠন করা হয়। এরফলে এখন থেকে এই মা’মলার বিচার কার্য চলবে।

প্রসঙ্গত, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল দ’খল নিয়ে ২০১০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘ’র্ষ হয়। এতে ফারুক নামের একজন ছাত্র নি’হত হয়।

পরদিন এ নিয়ে নগরীর মতিহার থানায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মাজেদুল ইসলাম বা’দী হয়ে মা’মলা করেন। মা’মলায় ৩৫ শিবির নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও অনেক শিবির নেতাকর্মীকে আ’সামি করা হয়।

আরও পড়ুন:  শোভনের গাড়িতে বসা নিয়ে ছাত্রলীগের দুই সহ-সভাপতির মা*রামা*রি

পরে ওই মা’মলার হুকুমের আ’সামি করা হয় জামায়াতের শীর্ষ নেতা মতিউর রহমান নিজামী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ বেশ কয়েকজনকে।

২০১২ সালের ৩০ জুলাই নগরীর রাজপাড়া থানার তৎকালীন ওসি জিল্লুর রহমান মহানগর মুখ্য হাকিমের আদালতে ফারুক হ’ত্যা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘদিনেও মা’মলার বি’চারকাজ শেষ হয়নি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

advertisement