প্রচ্ছদ বিএনপি বেগম খালেদা জিয়াকে ব*ন্দী করার কারনে আওয়ামী লীগকে জবাবদিহি করতে হবে

বেগম খালেদা জিয়াকে ব*ন্দী করার কারনে আওয়ামী লীগকে জবাবদিহি করতে হবে

132
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বেগম খালেদা জিয়াকে ব*ন্দী করে আওয়ামী লীগ যে অন্যায় করেছে তা দেশের জনগণ কোনো দিনও মেনে নেবে না। এর জন্য জনগণের কাছে আ.লীগকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং আওয়ামী লীগ সরকারের পদত্যাগ ও মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবিতে বিএনপির খুলনা বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এক কথা বলেন।

ফখরুল বলেন, ‘আমরা এমন দেশে বাস করছি, যেখানে বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। দিনে দুপুরে আদালতের মধ্যেই কু*পিয়ে হ*ত্যা করা হচ্ছে, পি*টিয়ে মানুষ মা*রা হচ্ছে। দেশের বিরুদ্ধেই দেশ বিরোধী ষ*ড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আর এ সবই হচ্ছে সরকারের মদদে।’

‘বর্তমান সরকার গণতন্ত্র হ*ত্যা করেছে, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ করেছে, তত্ত্বাবধায় সরকার ব্যবস্থা বাতিল করে দলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন করে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করেছে। সব মিলিয়ে দেশে আজ ভ*য়াবহ অবস্থা বিরাজ করছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে ঐক্যবদ্ধভাবে আ*ন্দোলনের মাধ্যমে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে’, বলেন বিএনপি মহাসচিব।

আরও পড়ুন:  খুলনায় থানা হাজতে গ*ণ ধ*র্ষণ,ধ*র্ষিতার পরিবারকে হু*মকি

আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার দেশ বিরোধী বক্তব্যের কথা উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘প্রিয়া সাহার বক্তবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাই বেশী ক্ষু*ব্ধ হয়েছে। কিন্তু আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সেই সুযোগে তিনি ভিডিও বার্তায় বলেছেন, “তার বক্তব্যই নাকি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য।” দেশবাসী জানতে চায়, আসলেই এটা প্রিয়া সাহার বক্তব্য না প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য।’

তিনি বলেন, ‘এই সরকার যে বাজেট ঘোষণা করেছে তা গরীব মা*রা বক্তব্য। বাজেটে নিত্য পণ্যের দাম বৃদ্ধি করে গরীবকে আরও গরীব করার ষ*ড়যন্ত্র করা হয়েছে।’ মির্জা ফখরুল ইসলাম খুলনার পাটকল শ্রমিকদের মজুরী কমিশনসহ অন্যান্য দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ও নজরুল ইসলাম খান। অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাড. নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই, মসিউর রহমান, সৈয়দ মেহেদী আহামেদ রুমী, কবির মুরাদ, যুগ্ম মহাসচিব ও সুপ্রিম কোর্ট বারের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন। বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দিন, প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, তথ্য সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, মানবাধিকার সম্পাদক অ্যাড. আসাদুজ্জামান আসাদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও জয়ন্ত কুন্ডু, সহ প্রচার সম্পাদক কৃষিবীদ শামীমুর রহমান শামীম, সহ কোষাধ্যক্ষ মাহমুদুল হাসান খান বাবু, সহ তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, সহ ধর্ম সম্পাদক অমলিন্দু অপু, সহ ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক নেওয়াজ হালিমা আরলিসহ খুলনা জেলাসহ বিভাগের দশ জেলার নেতাকর্মীরা। সমাবেশ পরিচালনা করেন নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনি ও জেলার সাধারণ সম্পাদত আমীর এজাজ খান।

আরও পড়ুন:  আন্দোলনের প্রস্তুতি চূড়ান্ত ,শুক্রবার জাতীয় ঐক্যের রূপরেখা ঘোষণা

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট: