প্রচ্ছদ অপরাধ

মসজিদের ইমামকে ফাঁ*সাতে মামির সহায়তা ভাগনিকে মামার ধ*র্ষণ

103
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

কক্সবাজারে পেকুয়া উপজেলায় জমির বি*রোধ নিয়ে প্র*তিপক্ষ এক মসজিদের ইমামকে ফাঁ*সাতে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া আপন ভাগনিকে ধ*র্ষণের অভিযোগ উঠেছে মামার বিরুদ্ধে। ধ*র্ষণের পর ওই শিশুর মামিকে মা সাজিয়ে ইমামের বিরুদ্ধে ধ*র্ষণ মা*মলাও করা হয়।

তবে পুলিশের ত*দন্তে মূল ঘটনা বেড়িয়ে আসায় মামা-মামিসহ এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্যকে গ্রে*প্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গত ২২ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল তাদের রি*মান্ড আ*বেদন করা হলেও এখনো শু*নানি হয়নি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার ভোজপুর হাজিরখিল হাজী আব্দুল ওয়াহাব জামে মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন মাওলানা মো. ফরিদুল আলম। তিনি পেকুয়ার মগনামার ইউনিয়নের মহরিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তার সঙ্গে একই গ্রামের বাসিন্দা নুরুন্নবীর জমি সংক্রান্ত বিষয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে একাধিক মা*মলাও রয়েছে। তবে নুরন্নবী পেকুয়া উপজেলার বাসিন্দা হলেও কক্সবাজারের সদরে বসবাস করছিলেন।

ইমাম ফরিদুল আলম অ*ভিযোগ করেন, মগনামার ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আলমগীরকে সঙ্গে নিয়ে নুরুন্নবী তাকে ফাঁ*সানোর পরিকল্পনা করেন। পরিকল্পনা অনুযায়ী নুরুন্নবী নিজের বোনের মেয়ে শিশুকে ধ*র্ষণ (৩ জুলাই রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে) করে। পরে তার বিরুদ্ধে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় ৩ জুলাই একটি ধ*র্ষণ মা*মলা দা*য়ের করেন। ধ*র্ষণের শি*কার শিশুর মায়ের নাম ব্যবহার করে মা*মলার বা*দী করা হয় নুরুন্নবীর স্ত্রী আমিনা বেগমকে।

আরও পড়ুন:  রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ প্রত্যাবাসনে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে

এই মা*মলার ত*দন্তকা*রী কর্মকর্তা কক্সবাজার সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম জানান, ত*দন্ত করতে গিয়ে ধ*র্ষণের শি*কার শিশুটির সঙ্গে কথা বলে নানা প্রকার সন্দেহের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি তিনি সঙ্গে সঙ্গে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন খন্দকারকে জানান।

আবুল কালাম বলেন, ‘স্যারের (ওসি) নির্দেশে গুরুত্ব সহকারে আমি ত*দন্ত শুরু করি। প্রথমে যে ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে, তার আশপাশে খবর নিয়ে দেখি কেউ এই ঘটনা সম্পর্কে জানে না। এর মধ্যে জানতে পারলাম, মা*মলার বা*দী আসলে ধ*র্ষণের শি*কার শিশুর মামি। অথচ তিনি মা হিসেবে মা*মলা দা*য়ের করেন।’

ওই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘গত ১৬ জুলাই রাতে ওই শিশু, তার মা, ভাই-বোন, মামা-মামিসহ কয়েকজন প্রতিবেশীকে থানায় নিয়ে এসে জি*জ্ঞাসাবা*দ করি। জি*জ্ঞাসাবা*দ শেষে পরদিন সকালে ধ*র্ষণের শি*কার মেয়ে শিশু ও তার মাকে আ*দালতে জ*বানব*ন্দির জন্য পা*ঠিয়ে দেওয়া হয়।’

এরপর ধ*র্ষণের শি*কার শিশুটি আদালতে জ*বানব*ন্দিতে মামা নুরুন্নবীর দ্বারা ধ*র্ষণের ঘটনা বর্ণনা করে। পুলিশের কাছে ধ*র্ষণকা*রী হিসেবে ইমাম ফরিদের নাম বলার জন্যও শিখিয়ে দেওয়া হয় ওই শিশুকে। পরে তাকে হাসপাতালে রেখে মামি আমিনা বেগম থানায় এসে নিজেকে তার মা লতিফা বেগম দাবি করে টিপ স্বাক্ষর দিয়ে মা*মলা দা*য়ের করেন। টিপসই এর নিচে ইউপি সদস্য আলমগীরের মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ‘সা*বধান ডাইরেক্ট অ্যা*কশন হবে’

এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৯ জুলাই ধ*র্ষণে*র শি*কার শিশুর মা বাদী হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় নিজের ভাই নুরুন্নবী, ভাইয়ের স্ত্রী আমেনা বেগম ও তাদের নিজের এলাকার ইউপি সদস্য আলমগীরকে আ*সামি করে একটি ধ*র্ষণ মা*মলা দা*য়ের করেন। পরদিন মামা-মামিকে গ্রে*প্তার করে পুলিশ। কয়েকদিন পর ওই ইউপি সদস্যকেও গ্রে*প্তার করা হয়।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. খাইরুজ্জামান জানান, পুলিশ মা*মলাটি নথিভুক্ত করার পর এসআই আবুল কালামকে ত*দন্তের দায়িত্ব দেয়। পরে পুলিশ তাদের গ্রে*প্তার করে গত ২২ এপ্রিল ওই মামা-মামিকে আ*দালতে হা*জির করে রি*মান্ডে*র আবেদন করে। এরপর গত ২৯ এপ্রিল ওই ইউপি সদস্যকেও আদালতে হাজির করার পর তার রি*মান্ড আবেদন করা হয়। তবে এখনো ওই রি*মান্ড আবেদনের শু*নানি হয়নি। গ্রে*প্তার তিনজনই এখন কা*রাগা*রে আছেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি