প্রচ্ছদ অপরাধ মিন্নিকে ফাঁ*সাতে আর খু*নীদে*র বাঁচাতে পুলিশের কা*টপি*স ভিডিও!

মিন্নিকে ফাঁ*সাতে আর খু*নীদে*র বাঁচাতে পুলিশের কা*টপি*স ভিডিও!

144
পড়া যাবে: 5 মিনিটে
advertisement

রিফাতকে কু*পিয়ে হ*ত্যার ঘটনায় প্রথমে একটি মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল করা হয়েছিল। এরপর ভাইরাল করা হয়েছিল জেলা পুলিশের নিয়ন্ত্রণাধীন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনের একটি সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজও।

advertisement

পুলিশের হাত ঘুরে গণমাধ্যমে আসা দ্বিতীয় ফুটেজটি ভাইরাল হওয়ার পর রিফাতের বাবা হ*ত্যাকা*ণ্ডের সঙ্গে মিন্নির সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলেছিলেন। প্রায় ২১ মিনিটের সেই ভিডিও ফুটেজটি কে*টেছেঁ*টে ১১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের অংশই বাদ দেওয়া হয়। অন্তত চারবার ফুটেজটি কে*টে এডিট (সম্পাদনা) করে উপস্থাপন করা হয় ৯ মিনিট ৩ সেকেন্ডে।

পুলিশের সরবরাহ করা সেই ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর খু*নের পেছনে মিন্নির সম্পৃক্ততার অ*ভিযোগ তুলে তাঁকে গ্রে*প্তার করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেন রিফাতের বাবা। পরের দিন একই দাবিতে মানববন্ধন করার পর খু*নের মা*মলার প্রধান সা*ক্ষী ও রিফাতের স্ত্রী মিন্নিকে পুলিশ গ্রে*প্তার করে। রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির স্বজনরা বলছে, খু*নিদের আড়াল করতে ওই হ*ত্যাকা*ণ্ডের পরপরই অ*পপ্রচা*র চালানো হয়েছিল। তারই অংশ হিসেবে গণমাধ্যমে পুলিশের সিসিটিভি ফুটেজ ছড়িয়ে রিফাতের পরিবারের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি করা হয়।

বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে ২৬ জুন সকালে রিফাত শরীফকে কু*পিয়ে হ*ত্যা করা হয়। ওই সময় মোবাইল ফোনে ধারণ করা একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রিফাত হ*ত্যা নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনার ঝড় বইতে থাকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সুবাদে যারাই ভিডিওটি দেখেছে, তারা রিফাতের স্ত্রী মিন্নিকে ‘সাহসিকা’ বলে ধন্যবাদ জানিয়েছে। হঠাৎ করেই ৫ জুলাই রিফাতকে কু*পিয়ে হ*ত্যার ঘটনার আরেকটি সিসিটিভি ফুটেজ বেসরকারি একটি টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। একটি মিডিয়ায় প্রচারের পর এ নিয়ে বরগুনার সাংবাদিকরা পুলিশ প্রশাসনের ওপর খে*পে যান।

আরও পড়ুন:  এই পর্যায়ে মিন্নিকে দোষারোপ করা মানেই হলো খু*নিদের কৌশলে রক্ষা করা

বরগুনা পুলিশ সুপারের সঙ্গে ৬ জুলাই দেখা করেন বেশ কয়েকজন সাংবাদিক। একই সঙ্গে তাঁরা পুলিশ সুপারের কাছে ক্ষো*ভের কথা বলেন। একটি মি*ডিয়াকে কেন ভিডিওটি স*রবরাহ করা হলো তাও জানতে চান তাঁরা। তখন পুলিশ সুপার তাঁর কার্যালয়ে আ*সা সব সাংবাদিককে তাঁদের কাছে থাকা ভি*ডিও ফু*টেজটি সরবরাহ করেন। ওই ঘটনার পরই বেশির ভাগ সাংবাদিক পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া ভিডিও ফুটেজটি নিয়ে নিউজ করেন। পুলিশ সু*পারের কার্যালয় থেকে ভি*ডিও ফু*টেজ নিয়েছেন এমন অন্তত দুজন সাংবাদিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ।

জেলা পুলিশের কাছ থেকে পা*ওয়া একটি সিসিটিভি ফুটেজ প*র্যালোচনা করে দেখা যায়, এটির বিভিন্ন অংশ কে*টেছেঁ*টে উ*পস্থাপন করা হয়েছে। মোট সাতবার ফু*টেজটি কে*টে এ*ডিট করা হয়েছে। ছয় মিনিট ৪৭ সেকেন্ডের ফুটেজে দেখা যায়, প্রথমে সকাল ৯টা ৫৮ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড থেকে ১০টা ৩৩ সেকেন্ড পর্যন্ত কা*টা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ১০টা ২ মিনিট থেকে ১০টা ৪ মিনিট ৪ সেকেন্ড পর্যন্ত কা*টা হয়েছে।

তৃতীয় ধাপে ১০টা ৪ মিনিট ৩৯ সেকেন্ড থেকে ১০টা ৫ মিনিট ৪০ সেকেন্ড পর্যন্ত কা*টা হয়েছে। চতুর্থ ধাপে ১০টা ৬ মিনিট ৯ সেকেন্ড থেকে ১০টা ৯ মিনিট ৫২ সেকেন্ড পর্যন্ত কা*টা হয়েছে। পঞ্চম ধাপে ১০টা ১০ মিনিট ৪২ সেকেন্ড থেকে ১০টা ১২ মিনিট ১ সেকেন্ড পর্যন্ত কা*টা হয়েছ। ষষ্ঠ ধাপে কা*টা হয়েছে ১০টা ১২ মিনিট ১৯ সেকেন্ড থেকে ১০টা ১২ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড পর্যন্ত। সর্বশেষ ১০টা ১৬ মিনিট ১ সেকেন্ড থেকে ১০টা ২৩ মিনিট ১৭ সেকেন্ড পর্যন্ত কা*টা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  যে ভেবে প্রশাসন ও রা'জনৈতিক প্র*শ্রয়ে ভ*য়ঙ্কর অ*পরাধী হয়ে উঠে নয়ন বন্ড

ওই ঘটনার পর জাতীয় দৈনিকে কর্মরত এক সাংবাদিক জেলা পুলিশের সঙ্গে দ্বিতীয় ভিডিও ফু*টেজটি নিয়ে কথা বলতে যান। তখন পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন ক*র্মকর্তা ওই সাংবাদিককে একটি সিসিটিভির ভিডিও ফু*টেজ সরবরাহ করেন। প্রায় ২১ মিনিটের সেই ভিডিওটি কে*টেছেঁ*টে ১১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডই বাদ দেওয়া হয়।

অন্তত চারবার ফুটেজটি কে*টে এডিট করে ৯ মিনিট ৩ সেকেন্ডের উপস্থাপন করা হয়। সেই ফুটেজের ১০টা ৬ মিনিটের পর ২ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও পাওয়া যায়নি। ১০টা ১১ মিনিট ১৩ সেকেন্ডের পর এক মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের ভিডিও নেই। এ ছাড়া ১০টা ১৫ মিনিট ১৭ সেকেন্ডের পর ৭ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের ভিডিও সেই ফুটেজে নেই। সুত্র : কালের কন্ঠ

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 37
    Shares
advertisement