প্রচ্ছদ অপরাধ

গণধ’র্ষ’ণের পর হ’ত্যা, অবশেষে কিশোরীকে জীবিত উদ্ধার!

19
গণধ’র্ষ’ণের পর হ’ত্যা, অবশেষে কিশোরীকে জীবিত উদ্ধার!
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বন্দরে গণধ’র্ষ’ণের পর হ’ত্যা’র শি’কা’র এক কিশোরীকে দেড় মাস পর জীবিত উ’দ্ধা’র করা হয়েছে। এ নিয়ে ব্যাপক তো’ল’পা’ড় সৃষ্টি হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ এলাকার পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী নি’খোঁ’জ হয়।

এক মাস পর মা’ম’লা হলে পুলিশ বন্দর এলাকা থেকে ৩ জনকে গ্রে’ফ’তার করে। গ্রে’ফ’তারকৃতরা হচ্ছেন- বন্দরের বুরুমদি এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে আবদুল্লাহ (২২), বুরুমদি পশ্চিমপাড়া এলাকার সামসুদ্দিনের ছেলে অটোরিকশাচালক রকিব (১৯) ও বন্দরের ইস্পাহানি এলাকার নৌকার মাঝি খলিল (৩৬)। কিশোরীকে ধ’র্ষ’ণ ও হ’ত্যা’র দায়ে গ্রে’ফ’তা’রকৃত ৩ জন বর্তমানে নারায়ণগঞ্জ জে’ল’হাজতে রয়েছেন।

গ্রেফতারকৃতরা গত ৯ আগস্ট নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন হোসেন ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ূন কবিরের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবা’ন’বন্দি দিয়েছে বলে পুলিশ জানায়।

এদিকে বিনাঅপরাধে গ্রে’ফ’তারকৃতদের মুক্তি চেয়েছে তাদের পরিবার। রকিবের বড় ভাই সজিব জানান, রি’মা’ন্ড এবং ক্র’স’ফায়ারের ভয় দেখিয়ে মা’ম’লার তদন্ত কর্মকর্তা তাদের কাছ থেকে দুইবারে ৩০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি আসাদুজ্জামান জানান, রোববার বন্দরের কুশিয়ারা এলাকার একটি মোবাইল ফোনের দোকান থেকে মেয়েটির মায়ের কাছে ফোন আসে।

আরও পড়ুন:  আদালতে ডা. সাবরীনা, রিমান্ডের আবেদন

ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে এক লোক বলেন, আপনার মেয়ের সঙ্গে কথা বলুন- এতে মেয়েটির মা আশ্চর্য হয়ে প্রশ্ন করেন। আমার মেয়ে তো খুন হয়েছে। ওই লোক তখন মেয়েকে ফোন ধরিয়ে দেন।

মেয়েটি তখন তার মাকে বলে- আমি বেঁচে আছি। তোমরা আমাকে ৪ হাজার টাকা পাঠাও; আমি চলে আসব। মেয়ের সঙ্গে কথা শেষ করে মা ফোনে যোগাযোগ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে। পুলিশের পরামর্শে বিকাশের মাধ্যমে ২ হাজার টাকা পাঠান ওই দোকানে।

এরপর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ওই দোকানে যায় পুলিশ। মেয়েকে টাকা নেয়ার জন্য আসতে বলেন। পরে মেয়েটি দোকানে এলে তাকে উদ্ধার করে থানার আনা হয়।

মেয়েটি পুলিশকে জানায়, ইকবাল নামে এক ছেলেকে দেড় মাস আগে বিয়ে করে বন্দরের কুশিয়ারা এলাকায় বসবাস করছে তারা। পরে ফোর্স পাঠিয়ে ইকবালকে আ’ট’ক করে থানায় আনা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

গত ৪ জুলাই নিখোঁজ হয় মেয়েটি। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও মেয়েকে না পেয়ে গত ৬ আগস্ট সদর মডেল থানায় অ’প’হরণ মা’ম’লা করেন মেয়েটির বাবা। তদন্তের দায়িত্ব পান সদর মডেল থানায় পরিদর্শক শামীম আল মামুন।

আরও পড়ুন:  বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবি : তিন দিনের রিমান্ডে ময়ূর-২ লঞ্চের মালিক

এ ব্যাপারে গ্রে’ফ’তার রকিবের মা রাশিদা জানান, আমার ছেলেকে বিনাঅপরাধে মা’র’ধ’র করল। আবার টাকাও নিল। বিনাদো’ষে জে’লে ব’ন্দি করা হল। আমি এর বিচার চাই।

রকিবের ভাই সজিব জানান, মা’ম’লার তদন্ত কর্মকর্তা শামীম রি’মা’ন্ডে এনে তার ভাইকে মা’র’ধ’র এবং ক্র’স’ফা’য়ারের ভয় দেখিয়ে সোমবার ২০ হাজার টাকা নেয়।

একইভাবে ভ’য় দেখিয়ে কয়েক দিন আগেও ১০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। সে রিমান্ডে এনে মা’র’ধ’রের হু’ম’কি দিয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দেয়ার হু’ম’কি দেয়।

এলাকাবাসী জানান, মোবাইলে ফে’স’বুকের মাধ্যমে মেয়েটির পরিচয় হয় বন্দরের বুরুমদি এলাকার আমজাদ হোসেনের ছেলে আবদুল্লার সঙ্গে। ৪ জুলাই ভাগ্নে রকিবের মোবাইল ফোনে মেয়েটিকে ডেকে আনে আবদুল্লাহ। সারাদিন আবদুল্লাহর সঙ্গে অটোরিকশা ও নৌকায় ঘোরাঘুরি করে সন্ধ্যায় নিখোঁজ হয় মেয়েটি।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares