প্রচ্ছদ আইন-আদালত

রায় ‍শুনে আদালতেই সি’গারেট ধ’রালেন মৃ’ত্যুদ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামি

269
পড়া যাবে: 3 মিনিটে

রাজধানীর দারুস সালাম থানার টোলারবাগ এলাকার বাসিন্দা কে এম পারভেজ হাসান হ’ত্যা মা’মলায় নি’হতের স্ত্রী ও দুই শ্যালকের মৃ’ত্যুণ্ডে’র রা’য় দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার ঢাকার এক নম্বর দ্রুত বি’চার ট্রা’ইব্’যুনালের বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান এ রা’য় ঘোষণা করেন।

দ’ণ্ডপ্রা’প্ত আ’সামিরা হলেন- পারভেজ হাসানের স্ত্রী শাহানাজ পারভীন সোমা, শ্যালক গোলাম রাব্বানী ওরফে রাব্বী এবং তানজীল আলম। রা’য় ঘোষণার সময় দ’ণ্ডিত আ’সামিরা ট্রা’ইব্যুনা’লে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের সা’জা প’রোয়া’না দিয়ে কা’রাগা’রে পাঠানো হয়।

রা’য় ঘোষণার পর আ’সামিদের কোনো প্রতিক্রিয়া ছিল না। বরং রা’য় ঘোষণার পর দ’ণ্ডিত গোলাম রাব্বানী ওরফে রাব্বী পুলিশ হে’ফাজতেই সি’গারেট ধ’রিয়ে টানতে টানতে আ’দালতের বারান্দা দিয়ে নিচে নামেন।

প্রসঙ্গত, ২০১২ সালের ৩০ জুলাই রাজধানীর দারুস সালাম থানাধীন ৩১২/৪-এল, টোলারবা এলাকার কে এম পারভেজ হাসানের ভাড়া বাসায় আ’সামিরা তাকে শ্বা’সরোধ করে হ’ত্যা করেন। পরে নি’হতের বাবা-মাকে না জানিয়ে তিনি স্ট্রো’ক করে মা’রা গেছেন বলে তাকে দা’ফনের চেষ্টা করেন আ’সামিরা।

হ’ত্যার কারণ সম্পর্কে ওই ট্রা’ইব্যুনা’লে স্পেশাল পাবলিক প্র’সিকিউটর মো. আবু আবদুল্লাহ ভূঞা জানান, নি’হত পারভেজ ভালবেসে সোমাকে বিয়ে করেছিলেন। ১০ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাদের কোনো সন্তান ছিল না। তাই পারভেজকে পরিবার অন্যত্র বিয়ে দিতে চাওয়ায় এবং পারভেজের সম্পদ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কায় আ’সামিরা তাকে হ’ত্যা করেন।

ওই ঘটনায় নি’হত পারভেজের মা মমতাজ বেগম প্রায় আড়াই মাস পর ২০১২ সালের ১৪ অক্টোবর দ’ণ্ডপ্রা’প্ত ওই তিন আ’সামি ও পারভেজের শাশুড়ি রোকেয়া বেগমকে আ’সামি করে দারুস সালাম থা’নায় মা’মলা করেন। মা’মলাটি ত’দন্ত করে চার জনকে অ’ভিযুক্ত করে আ’দালতে চা’র্জশিট দা’খিল করে পুলিশ।

২০১৪ সালের ২০ জুলাই শাশুড়ি রোকেয়া বেগমকে অ’ব্যাহতি দিয়ে আ’দালত দ’ণ্ডিত তিন আ’সামির বিরুদ্ধে চা’র্জগঠন করে বি’চার শুরু করেন। মা’মলাটির বি’চারকাজ চলাকালে আ’দালত চা’র্জশিটভু’ক্ত ১৭ জন সা’ক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সা’ক্ষ্য গ্রহণ করেন। সুত্র: আমাদের সময়

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

Loading...

আপনার মতামত লিখুন :

Loading Facebook Comments ...