প্রচ্ছদ অর্থ ও বাণিজ্য

তৈরি পোশাক শিল্পে নগদ সহায়তায় নতুন শর্ত

11
garments2
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

কর্পোরেট সংবাদে ডেস্ক : দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে নতুন শর্ত দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।এখন থেকে রপ্তানিতে অতিরিক্ত সুবিধা পেতে হলে বিদেশি সুতা ও বস্ত্র ব্যবহার করে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির সময় ৩০ শতাংশ মূল্য বাড়াতে হবে। অর্থাৎ ১০০ টাকা মূল্যের বিদেশি সুতা ও বস্ত্র দিয়ে পণ্য তৈরি করলে তার রপ্তানি মূল্য কমপক্ষে ১৩০ টাকা হতে হবে। তবেই অতিরিক্ত সুবিধায় নগদ সহায়তা দেয়া হবে।

গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা ও নীতি বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

এতে বলা হয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি হোম টেক্সটাইল ও টেরিটাওয়েলসহ রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক খাতের (নীট, ওভেন ও সোয়েটার) অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি উৎপাদনকারী-রপ্তানিকারক শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর অনুকূলে সম্পূর্ণ দেশিয় সুতা/বস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে বিদ্যমান ব্যবস্থায় দেশিয় বস্ত্রমূল্যের ভিত্তিতে অতিরিক্ত নগদ সহায়তা সুবিধা বিদ্যমান রয়েছে।

আরও পড়ুন:  রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল বন্ধ হবে না, শ্রমিক ছাঁটাইয়েরও পরিকল্পনা নেই: শিল্পমন্ত্রী

সম্পূর্ণ দেশিয় সুতা/বস্ত্র ব্যবহারের ক্ষেত্রে পণ্যে ব্যবহৃত বস্ত্র মূল্যের উপর নগদ সহায়তা প্রদানের পাশাপাশি সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী,
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উৎপাদনকারী-রপ্তানিকারক শিল্প প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বিদেশি সুতা/বস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্থানীয় মূল্য সংযোজনের শর্তে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের ওপর নগদ সহায়তা প্রাপ্য হবে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি উৎপাদনকারী-রপ্তানিকারক শিল্প প্রতিষ্ঠান দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের সুতা/বস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩০ শতাংশ স্থানীয় মূল্য সংযোজনের শর্তে স্থানীয় মূল্য সংযোজনের ওপর নগদ সহায়তা প্রাপ্য হবে।

তবে ইতিপূর্বে ওই রপ্তানির বিপরীতে অতিরিক্ত নগদ সহায়তা গৃহীত হয়নি মর্মে নিশ্চিত হতে হবে।

সম্পূর্ণ বিদেশি কিংবা দেশি ও বিদেশি উভয় ধরনের সুতা/বস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে নগদ সহায়তা এবং ডিউটি ড্র-ব্যাক/শুল্ক বন্ড সুবিধা একই সঙ্গে প্রযোজ্য না হওয়ার শর্ত আগের মত বহাল থাকবে। আলোচ্য নগদ সহায়তা ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাহাজীকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে এবং সংযোজনী ফরম -‘ক’ মোতাবেক প্রয়োজনীয় দালিলাদিসহ নগদ সহায়তার জন্য আলাদাভাবে আবেদনপত্র দাখিল করতে হবে এবং নিরীক্ষা কার্য সম্পাদন করাতে হবে।

আরও পড়ুন:  আবারও বাড়ল সোনার দাম

এই প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখায় আবেদনপত্র দাখিলযোগ্য হবে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 6
    Shares