প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

গ্যা*স্ট্রি*ক স’ম’স্যা কে’ন হয়? জেনে নিন মু’ক্তি’র সহ’জ উ’পায়।

20
গ্যা*স্ট্রি*ক স’ম’স্যা কে’ন হয়? জেনে নিন মু’ক্তি’র সহ’জ উ’পায়।
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় যারা ভোগেন তারা ভালোই জানেন বি’ষয়টি কতোটা অস্বিস্তিকর। এটি কিন্তু আসলে কোনো রোগ নয়। এটা সাধারণত কিছু বদভ্যাসের কারণে হয়ে থাকে।

অন্য যেকোনো রোগের চেয়েও এটা মাঝে মাঝে খারাপ আকার ধারণ করতে পারে। কিছু নিয়ম কানুন মেনে চললে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। একদিনে হয়তো পুরোপুরি নিরাময় হবে না। কিন্তু ক্রমাগত অভ্যাস করে গেলে আপনি একদিন পুরোপুরি এ’সিডিটি মুক্ত থাকতে পারবেন।

আসুন আমর’া জেনে নিই- গ্যাস্ট্রিক কি এবং কেন হয়? আর যেভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাব’ে।

গ্যাস্ট্রিক আসলে কি? বৈজ্ঞানিকভাবে যে জিনিসটিকে গ্যাস্ট্রিক বলা হয়, সেটির আসল নাম হচ্ছে পেপটিক আলসার ডিজিজ বা পিইউডি। পাকস্থলী, ডিওডেনাম ও ইসোফেগাস— এই তিনটির যেকোনো জায়গায় যদি অ্যাসিডের কারণে ক্ষত হয়, এটাকে বলে পেপটিক আলসার ডিজিজ। এবং যখন বলা হচ্ছে গ্যাস্ট্রিক আছে, তখন বোঝা যাচ্ছে, তার পেপটিক আলসার রয়েছে। এটা পাকস্থলী বা ডিওডেনামে ’হতে পারে।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা কেন হয়?

গ্যাস্ট্রিক সমস্যাতে আ’ক্রা’ন্ত ব্যক্তি বা রোগীর বেলায় বলা হয়, নির্দিষ্ট সময়ে খেতে হবে বা ভাজা-পোড়া-তেলজাতীয় খাবার খাওয়া যাব’ে না। নন-আলসার ডিসপেপসিয়া, এটাতে গ্যাস হয় বেশি, জ্বা’লা হয় বেশি, পেট ফুলে থাকে বেশি—সেটাতে ভাজা-পোড়া সাংঘা’তিক ক্ষ’তিকর। তবে যদি এটি আলসার হয়ে থাকে,

যেহেতু আলসারের একটি চিকিৎসা রয়েছে এবং অনেক সময় চিকিৎসা ছাড়াও এরা ভালো হয়ে যায়, এ জন্য এখানে অনেক বেশি সমস্যা হয় না। তবে ওই খাবারগু’লো লক্ষণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। যার ব্যথা রয়েছে, তার ব্যথাকে বাড়িয়ে তুলতে পারে। যার জ্বলা রয়েছে, সেটা বাড়িয়ে দিতে পারে। এই বি’ষয়গু’লো হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আরও পড়ুন:  দিনে মাত্র ২’মিনিট পে’টের উ’পর ম্যা’সা’জ কর’লেই কমে যাবে পে’টের চ*র্বি!

এ জন্য আজকাল চিকিৎসার বি’ষয়টি এমন দিকে যাচ্ছে যে ব্যক্তির যা মনে চায় তাই খাবে, চিকিৎসক শুধু ওষুধ দিয়ে ভালো করে দেবে। খাওয়ার সীমাব’দ্ধতা ছাড়া চিকিৎসা করতে চাই। আমর’া আশা করছি, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে এমন চিকিৎসা এসে যাব’ে, যে ডায়াবেটিসে আ’ক্রা’ন্ত রোগীর ক্ষেত্রে খাবারের বেলায় বাছতে হবে না।

নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী খাবারের কথা বলতে গেলে, রিফ্লাক্স বলে মানুষের শরীরে একটি জিনিস রয়েছে, আমি যদি প্রতিদিন ২টার সময় ভাত খাই, একদিন যদি না খাই সে সময়ে পেট অ্যাসিডে ভর্তি হয়ে যাব’ে। তবে আমি যদি সেখানে দেরি করে খাই, আমা’র লক্ষণটা বেড়ে যাব’ে। এ জন্য নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়ার উপকার রয়েছে। আমা’দের শরীর একটি অভ্যাসের মধ্যে চলে যায়।

অভ্যাসের ব্যতিক্রম হলেই সমস্যা হয়। তবে ডিওডেনাল আলসার যেটা, সেখানে যদি প্রায় প্রায় খাবার দেয়া হয়, তাদের লক্ষণগু’লো কমতে সাহায্য হয়। তবে এখন যেই চিকিৎসা পেপটিক আলসারের রয়েছে, এখানে খাওয়ার বি’ষয়ে বাছতে হবে না। এর পরও আমর’া বলি, আপনার যেটা খেলে অসুবিধা মনে হয়, সেটি এড়িয়ে যান।

গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকার উপায়:

আ’দার ব্যবহার : আ’দাতে এমন কিছু উপাদান আছে যার কারণে আপনার বদ হজম, জ্বা’লা পোড়া, বুকে ব্যথা কমে যেতে পারে। দেখু’ন এটির ব্যবহার। যেমন :

আরও পড়ুন:  এই সাধা’রণ অ’ভ্যা’সগু’লো আপনার অ’জা’ন্তেই আ’পনার ভী’ষ’ণ ক্ষ*তি করছে, স’ত’র্ক হন

> আ’দা কুচি কুচি করে কে’টে পানির মধ্যে মিশিয়ে তারপর পানি ফুটান। পানি ফুটানো হলে তা ১০ মিনিটের মতো নামিয়ে রাখু’ন এবং দিনে ২/৩ বার চায়ের মতো পান করুন । এটির স’ঙ্গে মধু মিশালে ভালো ফল পাওয়া যাব’ে।

> আ’দা বেটে রস করুন এবং এটি মধুর স’ঙ্গে মিশিয়ে দুপুর ও রাতের খাবারের আগে খেয়ে নিন। > আপনার যখন ইচ্ছা হয় তখন একটু আ’দা চিবিয়ে খেতে পারেন। এতে আপনার শরীর ঠান্ডাও থাকবে।

দইয়ের ব্যবহার : আপনি প্রতিদিন একটু করে দই খান। এটি পেটের ব্যাকটেরিয়া দূর করে । ব্যাকটেরিয়া হলো গ্যাস্ট্রিক সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ। কলা, মধু আর দই একস’ঙ্গে মিশিয়ে এটি প্রতিদিন খেতে পারেন।

আলুর ব্যবহার : গ্যাস্ট্রিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আলুর রসের ব্যবহার করতে পারেন। যেমন :

> আলু বেটে রস করে নিন। এরপর আলুর রস আর গরম পানি একস’ঙ্গে মিশিয়ে প্রতিদিন দুপুর ও রাতের খাওয়ার দু ঘন্টা আগে খেয়ে নিন।

পানির ব্যবহার : সবচেয়ে সহজ উপায় হলো পানির ব্যবহার। প্রতিদিন ঘু’ম থেকে উঠে একদম খালি পেটে পুরো পেট ভর্তী করে পানি পান করুন। এভাবে ৩ স’প্তাহ পার করলেই উত্তম ফল পাবেন।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএজে

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।