প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

পেঁ’পের বী’জ ও ম’ধু এ’কস’ঙ্গে খে’লে মি’ল’বে বি’শে’ষ রো’গ মু’ক্তি

17
পেঁ’পের বী’জ ও ম’ধু এ’কস’ঙ্গে খে’লে মি’ল’বে বি’শে’ষ রো’গ মু’ক্তি
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

পেঁপে যেমন উপকারী তেমনি এর বীজও নানা গু’ণে পরিপূর্ণ। আমা’দের দে’হের নানা রকম রোগ থেকে মুক্তি পেতে পেঁপের বীজ দারুণ সহায়তা করে। আর মধু প্রাচীনকাল থেকেই মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। মধুতে আছে প্রচুর পরিমাণে মিনারেল, ভিটামিন ও এনজাইম যা শরীরকে বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ থেকে রক্ষা করে।

একাধিক এনজাইম এবং নানান ওষুধি গু’ণে ঠাসা এই দুটি প্রাকৃতিক উপাদনকে একস’ঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ার রয়েছে বিস্ময়কর উপকারিতা। এটি শরীরের ভেতরের ক্ষমতা এতটা বাড়িয়ে দেয় যে, দে’হের প্রতিটি গু’রুত্বপূর্ণ অ’ঙ্গ রোগ মুক্তির পথে আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে যায়। ফলে সার্বিকভাবে শরীর এতটাই চা’ঙ্গা হয়ে ওঠে যে আয়ু বৃ’দ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

তাই প্রতিদিন ২ চামচ পেঁপের বীজের স’ঙ্গে এক চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে খান। এবার চলুন জেনে নেয়া যাক পেঁপের বীজ ও মধু একস’ঙ্গে খেলে যে বিশেষ রোগগু’লো থেকে মুক্তি মিলবে সে সম্পর্কে-

> পেঁপের বীজ এবং মধুতে উপস্থিত বেশ কিছু এনজাইম স্পার্ম কাউন্টের উন্নতিতে গু’রুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে এই দুটি প্রাকৃতিক উপাদান একস’ঙ্গে খাওয়া শুরু করলেই মিলবে আশ্চর্য উপকার।

> অতিরিক্ত অ্যালকোহল সেবনের কারণে লিভার সিরোসিসের মতো রোগে ভুগেন অনেকেই। প্রতিকার পেতে নিয়মিত পেঁপের বীজ খান। কারণ বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদনটি খাওয়া শুরু করলে এমন রোগের প্রকোপ কমে। সেই স’ঙ্গে শরীরে জমতে থাকা টক্সিক উপাদানেরাও বেরিয়ে যেতে শুরু করে।

আরও পড়ুন:  চা’র ল*ক্ষ*ণে*ই বুঝবেন আপনার ফু’স’ফু’স মা*রা*ত্ম*ক ঝুঁ*কি*তে রয়েছে

ফলে লিভার তো চা’ঙ্গা হয়ে ওঠেই, সেই স’ঙ্গে আরো নানাবিধ রোগে আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। এক্ষেত্রে প্রথমে অল্প করে শুকনো পেঁপের বীজ নিয়ে গু’ঁড়া করে নিতে হবে। তারপর সেই পাউডার থেকে এক চামচ নিয়ে লেবুর রসের স’ঙ্গে মিশিয়ে খেতে হবে। এমনটা নিয়মিত করতে পারলেই উপকার মিলবে।

> পেটের ভেতরে থাকা ক্ষ’তিকর ব্যাকটেরিয়ারা ধ্বং’স করে এটি। স্টমাকে এসব ক্ষ’তিকর উপাদানের মাত্রা যত বৃ’দ্ধি পাবে, তত হজমের সমস্যা বাড়বে। আর এ ধরনের রোগের হাত থাকে বাঁচাতে এই ঘরোয়া ওষুধটির কোনো বিকল্প নেই। কারণ এতে উপস্থিত নানা উপকারী উপাদান ক্ষ’তিকর ব্যাকটেরিয়ারা ধ্বং’স করে, ফলে হজমের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে হ্রাস পায়।

> যারা ওজন কমাতে চাইছেন, তাদের জন্য এটি বেশ উপকারী। কারণ পেঁপে ও মধুতে রয়েছে বেশ কিছু লিপিডস এবং পটাশিয়াম, যা মেটাবলিজম বাড়িয়ে চর্বি হ্রাসে গু’রুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। নিশ্চয়ই জানেন আমা’দের হজম ক্ষমতা যত ভালো হবে, তত শরীরে চর্বি জমবে কম। তাইতো এই মিশ্রণে ওজন কমবে চোখে পড়ার মতো।

> এই ওষুধটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেক শক্তিশালী করে দেয়। ফলে কোনো ভাইরাস দে’হে আ’ক্রমণ করতে পারে না।

> এই ওষুধটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং এমন কিছু শক্তিশালী উপাদান, যা শরীর থেকে সব রকমের ক্ষ’তিকর টক্সিন বা বি’ষ বের করে দিতে গু’রুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে কোনো রোগে আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগু’ণে হ্রাস পায়।

আরও পড়ুন:  আপনিও কৃ**মি থেকে মু’ক্তি পাবেন এই ৮টি সাধা’রন প্রা’কৃতি’ক উপা’দানে

> পিরিয়ডের সময় প্রতিদিন পেঁপের বীজের স’ঙ্গে পরিমাণ মতো মধু মিশিয়ে খাওয়া শুরু করলে দে’হের ভেতরে ইনফ্লেমেশন বা প্রদাহের মাত্রা কমে। ফলে কষ্ট এবং অস্বস্তি কমতে সময় লাগে না।

> নিয়মিত পেঁপের বীজ এবং মধু খাওয়া শুরু করলে ত্বকের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে বলিরেখা কমে, সেই স’ঙ্গে কমে ত্বকের বয়সও। ফলে ত্বকের সৌন্দর্য বৃ’দ্ধি পায় চোখে পরার মতো। তাছাড়া প্রতিদিন মধু এবং পেঁপে বীজ দিয়ে বানানো পেস্ট মুখে লাগালেও সমান উপকার মিলবে।

> এই ওষুধটিতে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন, যা পেশীর গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। যদি পেশীবহুল শরীর পেতে চান, তাহলে আজ থেকেই খাওয়া শুরু করুন এই ঘরোয়া ওষুধটি।

> কোনো কোনো সময় ক্লান্তি আমা’দের এতটাই দুর্বল করে দেয় যে, এই আধুনিক যুগে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

আপনিও যদি একই সমস্যায় শিকার হয়ে থাকেন তাহলে পেঁপে এবং মধু মিশ্রিত এই ওষুধটি খাওয়া শুরু করুন। কারণ এতে রয়েছে গ্লকোসিনোলেট নামে একটি উপাদান, যা দে’হের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে ক্লান্তি ধারে কাছেও ঘেঁষতে পারে না।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।