প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

অর্থ আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তার জামিন নামঞ্জুর

19
অর্থ আত্মসাতের মামলায় সোনালী ব্যাংক কর্মকর্তার জামিন নামঞ্জুর
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

স্টাফ রিপোর্টার

ব্যাংকের ১০১জন গ্রাহকের স্বাক্ষর জাল করে ৪ কোটি ৪৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সোনালী ব্যাংকের বাগেরহাট শাখার সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার শেখ মাহফিজুর রহমান বাবু’র জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

গতকাল বুধবার দুপুরে খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতে জামিনের আবেদন করলে বিচারক জিয়া হায়দার জামিন নামঞ্জুর করেন। সোনালী ব্যাংকের ওই কর্মকর্তা ব্যাংকের বাগেরহাট শাখায় কর্মরত ছিলেন। এর আগে ১২ জানুয়ারি আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

দুদকের জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের (বাগেরহাট-খুলনা-সাতক্ষীরা) নিয়োগপ্রাপ্ত আইনজীবী মিলন কুমার ব্যানার্জী বলেন, ২০১২-১৫ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখার ব্যবস্থাপক থাকাকালে শেখ মুজিবর রহমান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শেখ মাহফিজুর রহমান বাবু পরস্পরের যোগসাজশে ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকদের ১ কোটি ১ লাখ ৪৫ হাজার ৬৭৯ টাকা আত্মসাৎ করেন। পরে দুদকের তদন্ত কমিটি প্রাথমিক অনুসন্ধানে তাদের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের সত্যতা পায়। এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর দুদকের জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. নাজমুল হাসান বাদী হয়ে শেখ মুজিবর রহমান ও শেখ মাহফিজুর রহমান বাবুর বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরে মুজিবর রহমান হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন। এ দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এর আগে ২০১৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর বাগেরহাট সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখার অভ্যন্তরীণ অডিট নিরীক্ষাকালে প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য ফাঁস হয়। এরপর ঘটনা তদন্তে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ পৃথক দুটি কমিটি গঠন করে। অভ্যন্তরীণ অডিটে অর্থ আত্মসাতের সত্যতা পাওয়ায় তত্কালীন শাখা ব্যবস্থাপক শেখ মুজিবর রহমান ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা শেখ মাহফিজুর রহমান বাবুকে ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে। এর মধ্যে শেখ মাহফিজুর রহমান বাবু আত্মসাত্কৃত ৩৫ লাখ টাকা ফেরতও দিয়েছেন।

আরও পড়ুন:  কুষ্টিয়ায় শিশু ও নারী উন্নয়নের উদ্যোগে সচেতনতামূলক ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা

মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১৫ সালে ১০১ জন গ্রাহকের অজান্তে তাদের নামে ৪ কোটি ৪৯ লাখ ২৮ হাজার ৪৫৩ টাকা ঋণ মঞ্জুর করে তা আত্মসাৎ করেন। ঘটনা জানাজানি হলে ব্যাংকের অনুকূলে আসামিরা ৩৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা ফেরত দেন। তবে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপক খান বাবলুর রহমান বাগেরহাট থানায় মামলা করেন। দুদক বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares