প্রচ্ছদ রাজনীতি আওয়ামী লীগ

সেপ্টেম্বরের মধ্যে ছাত্রলীগের সর্বস্তরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে হবে: নানক

9
সেপ্টেম্বরের মধ্যে ছাত্রলীগের সর্বস্তরের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে হবে: নানক
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সর্বস্তরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি করতে হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক। 

তিনি বলেন, ছাত্রলীগের যেসব ওয়ার্ড থানা, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা কমিটি এখনো হয়নি তা আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সেই কমিটিগুলো সম্পন্ন করতে হবে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ তেমন কর্মীদেরই উপহার দেবে যারা একদিন এই রাষ্ট্র ও সমাজকে পরিচালনা করবে। 

বৃহস্পতিবার ( ২৭ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব স্মরণে’ আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।  ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগ এ স্মরণ সভার আয়োজন করে। 

জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন,  ছাত্রলীগকে তেমন একটি সংগঠনের প্রস্তুত করতে হবে, যার মধ্য দিয়ে সত্যিকারের বঙ্গবন্ধু প্রেমী কর্মী সৃষ্টি হবে। এরা সবাই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কিংবা মহানগরের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক হবেনা। এর মধ্য দিয়ে কেউ, সিভিল প্রশাসনের যাবে। কেউ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার যাবে। তারা দেশপেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা, শেখ হাসিনার স্বপ্ন পূরণের জন্য কাজ করতে পারে।

আরও পড়ুন:  ঢাকা-৫ ও ১৮ আসনে কে পাচ্ছেন বিএনপির টিকিট

এসময় নানাক বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জিয়াউর রহমানকে পাকিস্তানের গুপ্তচর ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ছিলেন ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী। তিনি পাকিস্তানি চরছিলেন।’

‘আমাদের ভুলে গেলে চলবেনা যিনি পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান হয়েছিলেন, জেনারেল বেগ। এ জেনারেল বেগ ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন কর্নেল ছিলেন। সেই কর্নেল, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়, মেজর জিয়াউর রহমান কে একটি চিঠি লিখেছিলেন। কর্নেল বেগ মেজর জিয়াকে চিঠি দিয়েছিলেন। এই চিঠি প্রমাণ করে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মরত মেজর জিয়াকে মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে পাকিস্তানি চর হিসেবে ঢুকিয়ে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধকে ব্যাহত করার চেষ্টা করা হয়েছিল।’

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বলেন, ‘এরই ফলশ্রুতিতে দেখাযায় জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে মেনে নিতে পারে নাই। মোস্তাক জিয়া যেমন করে বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল ঠিক তেমন করে, খালেদা-তারেক, মুজাহিদ, ২১ শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা চালিয়ে শেখ হাসিনাকে হত্যা প্রচেষ্টা চালিয়ে ছিল।’

১৯৭৫ সালের পরিস্থিতি উল্লেখ করে নানক বলেন, ‘আপনাদের বলতে চাই, কেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হলো? কেন আমরা হত্যার প্রতিশোধ নিতে পারলাম না? কেন আমরা প্রতিরোধ গড়ত পারলাম না। তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পর আমরা সবাই প্রতীক্ষায় ছিলাম, একটি প্রতিরোধ ডাকের। একটি ডাকের অভাবে সেদিন বুক চাপড়ে কেঁদেছিল বাংলার মানুষ।’

আরও পড়ুন:  ইসহাক সরকারের মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরও বক্তৃতা করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, দফতর সম্পাদক ব্যরিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মান্নাফী,  ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যসহ অন্যান্যরা। 

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 6
    Shares