প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

দিঘলিয়ায় ইজিবাইক চালক অভি হত্যা মামলার আরো ৪আসামি গ্রেফতার : আদালতে স্বীকারোক্তি

15
দিঘলিয়ায় ইজিবাইক চালক অভি হত্যা মামলার আরো ৪আসামি গ্রেফতার : আদালতে স্বীকারোক্তি
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

স্টাফ রিপোর্টার 

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার সরাফপুর গ্রামের ইজিবাইক হাসান মাহমুদ অভি (১৫) কে হত্যা করে দিঘলিয়া থানার আত্রাই নদীর কিনারে ফেলে দেয়ার মামলার আরো ৪আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সোর্স নিয়োগের মাধ্যমে এবং ডিআইজি পিবিআই হেডকোয়ার্টার্স বনজ কুমার মজুমদার এর সঠিক তত্বাবধান ও দিক নির্দেশনায় পিবিআই খুলনা জেলার ইউনিট প্রধান সৈয়দ মোশফিকুর রহমান এর সঠিক দিক নির্দেশনায় নিরবিচ্ছিন্ন অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঝালকাটি জেলার নলছিটি উপজেলার ডেবরা গ্রাম থেকে ইজিবাইকটি উদ্ধার করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক একেএম মাহফুজুল হক গ্রেফতার ৪আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এসময় জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ ৪আসামি স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তাদের দেয়া ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নয়ন বিশ্বাস রেকর্ড করেছেন। আসামিরা হলেন  মো. মাসুদ রানা, মাসুদ পারভেজ, মো. জাকারিয়া হোসেন ওরফে মিজান ও মো. সুজন হাওলাদার।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক একেএম মাহফুজুল হক জানান, ২৫আগস্ট এ মামলার ৩আসামি হানিফ শেখ, মো. রায়হান ও সোহাগ হোসেন (২২) আদালতে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি প্রদান করেন। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে ২৬আগস্ট দুপুর আড়াইটার দিকে খালিশপুর থেকে  মাসুদ রানাকে, বিকেল ৪টার দিকে আলমনগর থেকে মাসুদ পারভেজকে, বিকেল সোয়া ৫টার দিকে জোড়াগেট কেসিসি কলোনী থেকে জাকারিয়া হোসেনকে ও রাত পৌনে ৭টার দিকে গল্লামারি মোহাম্মাদনগর থেকে সুজন হাওলাদারকে গ্রেফতার করা হয়।   

আরও পড়ুন:  চার হাত-পা বিকলাঙ্গ, নাম নেই ভাতার তালিকায়

মামলার বিবরণে জানা যায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ভোর ৫টার দিকে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানার সরাফপুর গ্রামের মো. আসলাম শেখের ছেলে হাসান মাহমুদ অভি ইজিবাইক চালানোর উদ্দেশ্যে বাহির হয় এবং বাড়ীতে ফিরে না আসলে তার লোকজন তাকে বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে থাকে। উক্ত সংক্রান্তে হরিণটানা থানায় একটি সাধারণ ডাইরী করা হয়। ২মার্চ সকাল ৯টায় অভির মৃতদেহ দিঘলিয়া থানাধীন হাজীগ্রাম ইসরাইল ডাক্তারের বাড়ীর সামনে আত্রাই নদীর কিনারে পানির উপর হতে উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় অভির পিতা আসলাম শেখ ভিকটিম হত্যাকান্ড ও ইজিবাইক ছিনতাই অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করলে দিঘলিয়া (খুলনা) থানার মামলা নং-০২, তারিখ-০৩/০৩/২০২০ ইং, ধারা-৩০২/২০১/৩৭৯/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়। মামলাটি পিবিআই এর সিডিউল ভূক্ত হওয়ায় পিবিআই খুলনা জেলা স্ব-উদ্যোগে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। পুলিশ পরিদর্শক একেএম মাহফুজুল হক পিবিআই খুলনা জেলা মামলাটি তদন্ত করেন। তিনি মামলার তদন্তভার গ্রহণপূর্বক গোপন ও প্রকাশ্যে এবং বিশ্বস্থ সোর্স নিয়োগের মাধ্যমে ২৪আগস্ট ৩আসামিকে এবং গতকাল  আরো ৪আসামিকে গ্রেফতার করেন।

স্টাফ রিপোর্টার 

দৌলতপুর থানার মাদক মামলার এক আসামিকে ৭বছর সশ্রম কারাদন্ড, ৫হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৫মাস বিনাশ্রম কারাদ-াদেশ দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন:  দেশের ২০৮ উপজেলা-ইউপিতে ভোট চলছে

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শহীদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেছেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন দৌলতপুর থানাধিন মহেশ্বরপাশা বনিক পাড়ার মহসিনের বাড়ির ভাড়াটিয়া জনি শেখের ছেলে মো. ইমন শেখ (২০)। রায় ঘোষণাকালে দন্ডপ্রাপ্ত আসামি ইমন শেখ আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। 

আদালতের স্টোনোগ্রাফার মো. হাদিউজ্জামান হাদি নথীর বরাত দিয়ে জানান, ২০১৮ সালের ১৫ আগস্ট রাত সাড়ে  ১১টার দিকে দৌলতপুর থানার কেদার নাথ মেইন রোডে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এসময় মাদ্রাসার সামনে থেকে ১০লিটার দেশীয় তৈরী চোলাই মদসহ ইমন শেখকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় এসআই রুহুল আমিন বাদী হয়ে ইমন শেখের বিরুদ্ধে দৌলতপুর থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের করেন যার নং-২১। ওই বছরের ২২অক্টোবর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আসাদুজ্জামান নুর আদালতে নাছিম শেখকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। রাস্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পিপি অ্যাডভোকেট কেএম ইকবাল হোসেন ও এপিপি অ্যাডভোকেট মো. কামরুল হোসেন জোয়ার্দ্দার।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 5
    Shares