প্রচ্ছদ অর্থ ও বাণিজ্য

মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে গরুর স্রোত

75
পড়া যাবে: < 1 minute

সীমান্তে কড়াকড়ি ও পশু আমদানি বন্ধ থাকায় ভারতীয় গরু তেমন একটা ঢুকতে পারছে না। এ সুযোগে কোরবানির ঈদ সামনে রেখে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার থেকে আসছে বিপুলসংখ্যক গরু-মহিষ। গত দুদিনে বৈধ পথেই দুই হাজার ২২৮ গবাদিপশু শাহপরীর দ্বীপ করিডরে এসেছে।

এর বিপরীতে প্রচুর রাজস্বও আদায় হয়েছে। আমদানির পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার বেপারিরা এসব গরু-মহিষ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন পাইকারি দামে। শুল্ক স্টেশন তথ্যমতে, বৈরী আবহাওয়া ও মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্কের ঘাটতির কারণে বেশ কিছু দিন পশু আমদানি বন্ধ ছিল। তবে কোরবানি ঘিরে সমুদ্রপথে স্রোতের মতো গরু ও মহিষ আসছে।

আরও পড়ুন:  আমি আর বোঝা নিতে পারব না

গত দুদিনেই মিয়ানমার থেকে এসেছে দুই হাজার ২১২ গরু ও ৬১৬টি মহিষ। এর বিপরীতে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ১৩ লাখ ১৪ হাজার টাকা। আর ১০ হাজার ৯৫টি গরু-মহিষ এসেছে পুরো জুলাই মাসে। অথচ গত বছরের এই সময়ে মিয়ানমার থেকে মাত্র ৫ হাজার গরু-মহিষ এসেছিল। অর্থাৎ এবার আমদানি হয়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। এ ছাড়া চলতি বছরের সাত মাসে এসব পশু থেকে রাজস্ব এসেছে দুই কোটি ২১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

পশু আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম জানান, শাহপরীর দ্বীপ করিডর দিয়ে সারাবছরই মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি হয়ে থাকে। তবে ঈদুল আজহার সময় বাড়তি চাহিদা থাকায় অধিক গরু-মহিষ আমদানি করছেন ব্যবসায়ীরা। এখানকার গবাদিপশু স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, কুমিল্লাসহ সারাদেশে সরবরাহ হয়ে থাকে।

আরও পড়ুন:  তিন বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেছে বিজিপি

গতকালও দুটি ট্রলারে প্রায় আড়াইশ গরু-মহিষ এসেছে আমদানিকারক মোহাম্মদ সোহেলের কাছে। তিনি বলেন, ‘দেশের চাহিদা পূরণে এসব কোরবানির পশু আমদানি করছি। তা ছাড়া ঈদ আসতে কয়েক দিন বাকি। এই সময়ের মধ্যে আরও কয়েক হাজার গরু-মহিষ আমদানির চিন্তাভাবনা রয়েছে।’

টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল ফয়সল হাসান খান জানান, সমুদ্রপথে মিয়ানমার থেকে ট্রলারবোঝাই পশু আসতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকে নজর রাখছেন বিজিবি সদস্যরা।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি