প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

চি’রত’রে গ্যা’স্ট্রি’ক দূ’র করার ঘ’রো’য়া প’দ্ধ’তি জে’নে নিন!

13
চি’রত’রে গ্যা’স্ট্রি’ক দূ’র করার ঘ’রো’য়া প’দ্ধ’তি জে’নে নিন!
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

গ্যাসের য’ন্ত্রণা কতখানি অস্বস্তিকর ভু’ক্তভোগী মাত্রই বি’ষয়টি অনুধাবন করতে পারেন।

একটু ভাজাপোড়া অথবা দাওয়াত-পার্টিতে মশলাযু্ক্ত খাবার খেলেই শুরু হয়ে যায় গ্যাস্ট্রিকের অস্বস্তিকর সমস্যা।

এর থেকে পরিত্রাণ পেতে সবাই হাত বাড়ান ওষুধের দিকে। এতে সাময়িক মুক্তি মিললেও এই অভ্যাসটি আসলে ক্ষ’তিকর।

চিকিৎসকদের মতে, শারীরিক প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর’্শ ছাড়া ঘন ঘন অ্যাসিড কমানোর ওষুধ খেলে তা আসলে শরীরের ক্ষ’তিই করে। এর প্রভাবে কোনো ভারী খাবার খেলে অ্যাসিডের অভাবে প্রো’টিন হ’জমে বি’ঘ্ন ঘটে৷ ফলে হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে পেট ভার, খাবার গলায় উঠে আসা, বমি, বদহজম ইত্যাদি প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

কিছু নিয়ম মেনে চললে গ্যাস্ট্রিক আপনার ধারে-কাছেও ঘেঁষতে পারবে না। তাহলে জেনে নেওয়া যাক ওষুধ ছাড়াই

কীভাবে গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পাবেন-শসা: শসা পেট ঠাণ্ডা রাখতে অনেক বেশি কার্যকর। এতে রয়েছে ফ্লেভানয়েড ও

অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা পেটে গ্যাসের উদ্রেক কমায়।দই: দই আমা’দের হজম শক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। এতে করে দ্রুত খাবার হজম হয়, ফলে পেটে গ্যাস হওয়ার প্রবণতা কমে আসে।পেঁপে: পেঁপেতে রয়েছে পাপায়া নামের এনজাইম যা হজমশক্তি বাড়ায়। নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যাস করলেও গ্যাসের সমস্যা কমে।

আরও পড়ুন:  যেসব সবজিতে মৃ;ত্যু;ঝুঁ;কি!

কলা ও কমলা: কলা ও কমলা পাকস্থলির অতিরিক্ত সোডিয়াম দূর করতে সহায়তা করে। ফলে গ্যাসের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

এছাড়াও কলার দ্রবীভূ’ত ’হতে সক্ষম ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ক্ষমতা রাখে। সারাদিনে অন্তত দুটি কলা খান।

পেট পরিষ্কার রাখতে কলার জুড়ি মেলা ভার।আ’দা: আ’দা সব চাইতে কার্যকরী অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানসমৃ’’দ্ধ খাবার। পেট ফাঁ’পা ও পেটে গ্যাস হলে আ’দা কুচি করে লবণ দিয়ে খান, দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্যাসের সমস্যা সমাধান হবে। লব’ঙ্গ: একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, লব’ঙ্গে উপস্থিত একাধিক উপকারি উপাদান শরীরে প্রবেশ করার সাথে সাথেই গ্যাসের প্রকোপ কমতে সময় লাগে না।

তাই এবার থেকে বেশি মাত্রায় খাবার খাওয়ার পর বুক জ্বা’লা ও ঢেঁকুর উঠলে দু-একটি লব’ঙ্গ খেয়ে ফেলতে ভুলবেন না যেন!অ্যালোভেরা: অ্যালোভেরায় উপস্থিত নানাবিধ খনিজ একদিকে যেমন ত্বকের সৌন্দর্য বাড়ায়, তেমনি হজম ক্ষমতার উন্নতিতেও গু’রুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, অ্যালোভেরার উপাদান পেটে তৈরি হওয়া অ্যাসিডের কার্যকারিতা কমিয়ে দেয়। ফলে অ্যাসিডিটির সমস্যা একেবারে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

পুদিনা পাতার পানি: এক কাপ পানিতে ৫টি পুদিনা পাতা দিয়ে ফুটিয়ে খান। পেট ফাঁ’পা, বমিভাব দূরে রাখতে এর বিকল্প নেই।রসুন: অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে রসুনের কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। এক্ষেত্রে এক কোয়া রসুন খেয়ে ফেললেই স্টমাকে অ্যাসিড ক্ষরণের মাত্রা স্বাভাবিক ’হতে শুরু করে।

আরও পড়ুন:  ত্ব”ক থেকে আঁ”চি’ল ও তিল দূ’র করার ২টি সহ’জ উ’পায়।

ফলে গ্যাস সংক্রা’ন্ত বিভিন্ন উপসর্গ ধীরে ধীরে কমে যেতে শুরু করে।ডাবের পানি: ডাবের পানি খেলে হজম ক্ষমতা বাড়ে এবং সব খাবার সহজেই হজম হয়ে যায়। এছাড়া গ্যাসের সমস্যা থেকেও মুক্তি পাওয়া যায় নিয়মিত ডাবের পানি খেলে। তাই সম্ভব হলে প্রতিদিন ডাবের পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। তাহলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।এছাড়া ওজন কমানো, খাবার গ্রহণের সময়ের সঠিক ব্যবধান রাখা, খালি পেটে চা না খাওয়া ইত্যাদি বি’ষয়গু’লো নিজের আয়ত্বে রাখতে পারলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পেতে পারেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares