প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

ব্যবসায়ী সাকের হত্যা মামলার রহস্য দু’মাসেও উদঘাটন হয়নি

15
ব্যবসায়ী সাকের হত্যা মামলার রহস্য দু’মাসেও উদঘাটন হয়নি
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

স্ত্রীর দাবি কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের জন্যই হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার

নগরীর আহসান আহমেদ রোডের বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. হোসেন সাকের (৫৫) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে ধীর গতিতে এগোচ্ছে পুলিশ। ইতোমধ্যে এ মামলার এজাহারভুক্ত ৭আসামি গ্রেফতার হয়ে জেল হাজতে রয়েছেন। এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে ৪জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে পুলিশ। তবে এখনো পর্যন্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ।
ব্যাবাসয়ী সাকের’র কয়েক কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন। ইতোমধ্যে মামলার পুর্বের তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা থানার ওসি (তদন্ত) দেবাশিষ রায়ের স্থলে অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল আলম তদন্তভার নিয়েছেন। এদিকে দু’দফায় জামিন আবেদন করলেও আসামিদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে আদালত। সর্বশেষ গত ১সেপ্টেম্বর ৩আসামির জামিন নামঞ্জুর করেছেন মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. শহীদুল ইসলাম।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন, নগরীর ৪৬/১ আহসান আহমেদ রোডের মৃত. ডা. আলতাফ হোসেনের ছেলে নিহত সাকেরের বড় ভাই হাবিব হোসেন শাহিন (৬০), তার স্ত্রী হাসিনা হাবিব হোসেন গোরিয়া (৫৫), পালিত ছেলে লামীম হোসেন (২১), আব্দুল হামিদের ছেলে সাইফুল ইসলাম (২১), হাজী ইসমাইল রোডস্থ পাইকপাড়ার মৃত. আব্দুল জব্বার শিকদারের ছেলে কেয়াটেকার মোঃ ফরহাদ হোসেন (৪৪), ৫৪/৫৫ টুটপাড়া জোড়াকল বাজারের মৃত. কাজী আব্দুর রবের ছেলে শাহিনের ব্যবসায়ীক পার্টনার কাজী শরিফুল ইসলাম (৫৫) ও বসুপাড়া কবরস্থানের মেইন গেটের সামনের তসলিমের বাড়ির ভাড়াটিয়া তৈয়ব আলি শেখের ছেলে মোঃ সেকেন্দার শেখ (৪৮)।
মামলার বিবরণে জানা যায়, নগরীর ৪৬/১ আহসান আহমেদ রোডের বাসিন্দা মৃত. ডা. আলতাফ হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন সাকের স্ত্রী ও মেয়ে নিয়ে বসবাস করেন। ২২জুন দুপুর আড়াইটার দিকে স্ত্রী সাজিয়া আফরিন হোসেন অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে বাড়ি ফিরে আসেন সাকের। ২৩জুন সকাল ১০টার দিকে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে খুমেকে করোনা পরীক্ষার জন্য যান এবং বিকেলে বাড়ি ফিরে আসেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে মেয়ে জন্য খাবার কিনতে গিয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। ২৪জুন সকালে বাড়ির প্রধান ফটকের ভেতরে ড্রেনের পাশে সাকের (৫৫)’র মৃতদেহ পড়ে থাকা অবস্থায় উদ্ধার করে স্বজনরা। এরপর তারা লাশের ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন সম্পন্ন করেন। মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ সৃষ্টি হলে ২৬জুন তার স্ত্রী স্বামীর মৃত্যু কারন জানতে কবর থেকে লাশ উত্তোলন ও ময়নাতদন্তের আবেদন করেন। একই সাথে সদর থানায় একটি জিডি করেন নিহতের স্ত্রী সাজিয়া আফরিন হোসেন। এঘটনায় পুলিশ শনিবার ২৭জুন রাত সাড়ে ১২টা থে কে ভোর সোয়া ৫টা পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৭জনকে গ্রেফতার করে। ২৮জুন এঘটনায় সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয় যার নং-১৮।
মামলার বাদি নিহত ব্যবসায়ী মো. হোসেন সাকেরের স্ত্রী সাজিয়া আফরিন হোসেন জানান, তার স্বামীর প্রায় ১০/১২কোটি টাকা মুল্যের পৈত্রিক সম্পত্তি আত্মসাতের জন্য আসামিরা পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করেছে।
মামলার বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল আলম জানান, মামলার এজাহরভুক্ত ৭আসামি জেল হাজতে রয়েছেন। তবে এখনো পর্যন্ত হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন:  তালায় বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য সেমিনার

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 5
    Shares