প্রচ্ছদ বিবিসি যে ভাবে লাইট বসানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের জমি ত্রিপুরা বিমানবন্দরের জন্য ভা*রতকে দেওয়ার...

যে ভাবে লাইট বসানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের জমি ত্রিপুরা বিমানবন্দরের জন্য ভা*রতকে দেওয়ার পরিকল্পনা হচ্ছে

ত্রিপুরা বিমানবন্দর সম্প্রসারণ

281
পড়া যাবে: 4 মিনিটে
advertisement

বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ত্রিপুরা বিমানবন্দর স*ম্প্রসারণের জন্য ভা*রত, বাংলাদেশের কাছে জ*মি চেয়েছে বলে যে কথা বলা হচ্ছে, তা জোর গলায় অ*স্বীকার করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।

advertisement

গত কয়েকদিন ধরে বাংলাদেশ এবং ভারতের গণমাধ্যমে এই মর্মে খবর বের হয় যে ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য ভারত বাংলাদেশের কাছে জমি চেয়েছে।

এ বিষয়ে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে নানা ধরণের পরস্পরবি*রোধী খবরও বের হয়।ভারত কি আসলেই বাংলাদেশকে এরকম কোন প্রস্তাব দিয়েছে?

এ ব্যাপারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বি*বিসি বাং*লাকে বলেন, “ভারত আমাদের কাছে কোন জমি চায়নি। যে খবরটি আপনারা জেনেছেন সেটা সম্পূর্ণ অ*সত্য।”

শাহরিয়ার আলম জানিয়েছেন, “ভারত মূলত যেটা চেয়েছে, সেটা হচ্ছে ত্রিপুরা বিমানবন্দরের রানওয়েতে লাইটের কমপ্লিট ফেইজ পূরণ করতে বাংলাদেশের অংশে কিছু লাইট বসাতে।”

আরও পড়ুন:  বাংলাদেশে হিন্দুর সংখ্যা কমেনি, বরং অনেক বেড়েছে

“যেকোনো বিমানবন্দরের রানওয়েতে বিমান ওঠানামার নির্দেশনা দেয়ার জন্য লাইটের একটি কমপ্লিট ফেইজের প্রয়োজন হয়। যেখানে কয়েক ফুট অন্তর অন্তর প্রায় ৫০টির মতো লাইট বসানো হয়। একে বলা হয় ক্যা*ট আ*ই লাইট।”

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম

শাহরিয়ার আলম বলেন, “লাইটের এই কমপ্লিট প্যানেলের যে দৈর্ঘ্য সেটা বসানোর মতো জায়গা ভারতের অংশে না থাকায় তারা বাকি কিছু লাইট বাংলাদেশের অংশে বসানোর অনুরোধ করে একটি প্রস্তাবনা দিয়েছে।”

সম্প্রতি ভারত এ নিয়ে একটি অনুরোধপত্র পাঠিয়েছে উল্লেখ করে তিনি জানান, “ভারত লাইট বসানোর বাইরে রানওয়ে সম্প্রসারণের জন্য জমি বা কোন অবকাঠামো নির্মাণের জন্য কিছু চায়নি।”

“এসব লাইটের বেশিরভাগ ভারতেই অংশেই বসবে, এরমধ্যে কিছু লাইট আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বাংলাদেশের অংশে বসানো হতে পারে।”

তিনি জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশনকে ভারতের এই অনুরোধ যাচাই বাছাই করে তাদের মতামতের জন্য বলা হয়েছে। সিভিল এভিয়েশনের মতামতের ভিত্তিতে উচ্চ পর্যায়ের কমিটিতে আলাপ আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:  ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় রোহিঙ্গা তরুণী

মিস্টার আলম বলেন, “ভারতের থেকে কোন প্রস্তাব এলেই এটা নিয়ে অনেক বা*ড়াবা*ড়ি করা হয়। অন্য দৃ*ষ্টিকোণ থেকে দেখা হয়। একটি চ*ক্র সবসময় একে তাদের সস্তা রা*জনৈতি*ক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের চেষ্টা করে।”

“কিন্তু সরকারের নীতি হল, বাংলাদেশের সা*র্বভৌমত্ব এবং মর্যাদা সমুন্নত রেখে প্রতিবেশী দেশের সাথে ভাল সম্পর্কের ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়া।” তিনি মনে করেন সরকারের এমন নীতির কারণেই বাংলাদেশ দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও যাতায়াতে অনেক ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। “আর সব কিছুই সম্পন্ন হয়েছে একটি সুনির্দিষ্ট কার্যপ্রণালীর মাধ্যমে। এই লাইট বসানোর বিষয়টিও সেভাবেই করা হবে।” সূত্র  বি*বিসি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 2
    Shares
advertisement