প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

ঈদে মেহেদি দিয়ে সাজতে গিয়ে গ*ণ ধ*র্ষণের শি*কার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী

143
পড়া যাবে: 3 মিনিটে

ভোলায় ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর (১২) আর ঈদ করা হলো না। ঈদের আগের রাতে মেহেদি দিয়ে হাত রাঙাতে গিয়ে গ*ণধ*র্ষণের শি*কার হয়ে র*ক্তে রঞ্জিত হলো তার শরীর। জীবন-মৃ’ত্যুর মাঝে ছটফট করছে অসহায় ওই কিশোরী। ধ*র্ষিতাকে হাত-পা বাঁ*ধা অবস্থায় স্থানীয়রা উ’দ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও প্রচুর র*ক্তক্*ষরণ হওয়ায় বর্তমানে তার অবস্থা আশ*ঙ্কাজনক। পু’লিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলেও অ*ভিযুক্তদের এখনও গ্রে*ফতার করতে পারেনি।

ধ*র্ষিতার পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, ভোলা সদর উপজেলার চর সামাইয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চর সিফলী গ্রামের কৃষক মো. হানিফ (৪০) ঈদ উপলক্ষে তার আদরের দুই মেয়ের জন্য বাজার থেকে মেহেদি কিনে আনেন। রোববার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যার দিকে তাদের বাবা গরু বিক্রি করার টাকা আনতে ভোলা শহরে যান।

বাবা শহরে চলে যাওয়ার পর দুই বোন রাত ৮টার দিকে পাশ্ববর্তী দুঃসর্ম্পকের আত্মীয় মাহফুজের স্ত্রী’র কাছে হাতে মেহেদি দিয়ে সাজতে যায়। ওই সময় আগে থেকে অ’পেক্ষমাণ মাহফুজের ঘরের ভাড়াটিয়া ভোলা আ’দালতের মুহুরী আল আমিন (২৫) ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া স্কুলছা’ত্রীকে ডেকে তার ঘরে নিয়ে যায়।

এ সময় আলমিনের স্ত্রী’ ঘরে ছিল না। এই সুযোগে হঠাৎ করে ওই ছা’ত্রীকে আলামিন ও তার সহযোগী বখাটে যুবক মঞ্জুর আলম (৩০) জা*পটে ধ*রে হাত-পা ও মুখে কাপড় বেঁধে ধ*র্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে ছাত্রীর চি*ৎকারে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ধ*র্ষিতার পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে মু*মূর্ষু অবস্থায় ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. মমিনুল ইস’লাম ধ*র্ষণের আলামত পেয়েছেন বলে স্বীকার করে জানান, ধ*র্ষিতার বয়স কম হওয়ায় তার অবস্থা আশ*ঙ্কাজনক। ধ*র্ষিতার গো*পন অঙ্গ থেকে প্রচুর র*ক্তক্ষর*ণ হচ্ছে। ডাক্তার না থাকায় সেলাই দেয়ার মতো অবস্থাও ভোলায় নেই। ধ*র্ষিতাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সোমবার (আজ) বরিশালে প্রেরণ করা হবে।’

ভোলা পু’লিশ সুপার সরকার মোহাম্ম’দ কায়সার বলেন, খবর পেয়ে পু’লিশ ঘটনাস্থলে গেছে। ধ*র্ষণের সঙ্গে জড়িত আল আমিন ও মঞ্জুর আলমকে গ্রে*ফতারের চেষ্টা চলছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 142
    Shares
Loading...

আপনার মতামত লিখুন :

Loading Facebook Comments ...