প্রচ্ছদ উপজেলা ঘু’মের ওষুধ খাইয়ে স্ত্রীকে হ’ত্যার পর ১৫ টু’করো

ঘু’মের ওষুধ খাইয়ে স্ত্রীকে হ’ত্যার পর ১৫ টু’করো

394
পড়া যাবে: 4 মিনিটে
advertisement

ঘু’মের ও’ষুধ খাইয়ে স্ত্রীকে হ’ত্যার পর ১৫ টু’করো করেছে স্বামী। অভিযুক্ত স্বামী মামুনকে মঙ্গলবার রাতে সাভার থেকে গ্রে’ফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে পুলিশ নিজ কার্যালয়ে ব্রিফিংয়ে এসপি বলেন, সোমবার রাতে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় আসপাড়া মোড় এলাকার ভাড়া বাসায় নিজ ঘরে সুমি আক্তার নামে এক নারীর পলিথিনে মোড়ানো হাত-পা-মাথা ছাড়া পাঁ’চ খ’ণ্ড দে’হ উ’দ্ধার করে পুলিশ।

advertisement

পরে বিষয়টি নিয়ে জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশ তদন্তে নামে। প্রাথমিক তদন্তের পর মঙ্গলবার মধ্যরাতে এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামী মামুনকে সাভার এলাকায় তার ফুফাতো ভাইয়ের বাড়ি থেকে গ্রে’প্তার করা হয়। এ ব্যাপারে সুমির বাবা নিজামউদ্দিন বাদী হয়ে মামুনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আ’সামি করে মঙ্গলবার বিকালে শ্রীপুর থানায় মা’মলা করেছেন।

এসপি জানান, পারিবারিক ক’লহের জেরে মামুন তার স্ত্রী সুমিকে ঘু’মের ও’ষুধ খা’ইয়ে অ’চেতন করে শ্বা’সরো’ধ করে হ’ত্যা করেন। পরে গোসলখানায় মরদেহ নিয়ে ১৫ টু’করো করা হয় বলে মামুন তার স্বীকারোক্তিতে উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন:  সরকারি জমি দ’খল করে আ.লীগ নেতার বহুতল ভবন

পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশের জি’জ্ঞাসাবা’দে মামুন জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে বাসায় স্ত্রী সুমিকে রুটি-হালুয়ার সঙ্গে ঘুমের ও’ষুধ খা’ইয়ে দেয়া হয়। এতে সুমি নি’স্তেজ হয়ে পড়লে দিবাগত রাত ১টার দিকে গ’লা টি’পে শ্বা’সরো’ধ করে সুমিকে হ’ত্যা করে তার মৃ’তদে’হ গোসলখানায় নেয়া হয়। পরে বাজার থেকে কিনে আনা স্টিলের ধা’রালো চা’কু দিয়ে প্রথমে মাথা, হাত ও পা বি’চ্ছিন্ন করেন।

শরীরের বিভিন্ন অংশের পাঁচটি খ’ণ্ড করে তা ১০ কেজি ধারণের মতো পলিথিনে ভরে বসতঘরের ড্রেসিং টেবিলের ড্রয়ারে রেখে দেন। তার দেহের অবশিষ্ট অংশ একটি বড় ট্রাভেল ব্যাগের ভেতরে ভরেন। পরে গভীর রাতে সুযোগ বুঝে মামুন ঘরে তালা আ’টকে ব্যাগটি নিয়ে পা’লিয়ে যান এবং পার্শ্ববর্তী উপজেলা কাপাসিয়ার সিংহশ্রী এলাকায় ব্রিজের নিচে শীতলক্ষ্যার শাখা বানার নদীতে ফেলে দিয়ে গা ঢাকা দেন।

আরও পড়ুন:  দাঁড়িয়ে থাকা কাভার্ডভ্যানের পেছনে পিকআপের ধাক্কা,নি*হত ৩

জানা যায়, দেড় বছর আগে নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার দেবকান্দা গ্রামের নিজাম উদ্দিনের মেয়ে ও স্থানীয় পোশাক শ্রমিক সুমির সঙ্গে মামুনের বিয়ে হয়। এটা ছিল উভয়ের দ্বিতীয় বিয়ে। শ্রীপুর উপজেলার আসপাড়া মোড় এলাকায় বসবাস করে মামুন ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ করেন। সম্প্রতি না’রীঘটিত বিষয়াদি নিয়ে মামুনের প্রতি সুমির চরম অ’বিশ্বাস দেখা দেয়। এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে ক’লহ হতো। এর জেরেই বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে সুমিকে খু’নের পর তার জমানো ৩০ হাজার টাকা নিয়ে পা’লিয়ে যান মামুন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 151
    Shares
advertisement