প্রচ্ছদ অপরাধ

প*রকী*য়ার টানে সন্তান ফেলে পালিয়েছে স্ত্রী,ক্ষোভে ১৫ বছরের শ্যালিকাকে অ*পহ*রণ করে পা*য়জামা খু*লে …

272
পড়া যাবে: 4 মিনিটে

প*রকী*য়া প্রেমের টানে বিয়ের দীর্ঘ ৬ বছর পর সন্তান ফেলে অন্য প*রপুরুষের সাথে পা*লিয়েছিলেন স্ত্রী। এই ক্ষো*ভে স্বামী অ*পহর*ণ করেন শ্যালিকাকে (১৫)। এরপর পাঁচ মাস ধরে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে শ্যা*লিকা*কে ধ*র্ষণ করেন ফেরদৌস শেখ নামের ওই ব্যক্তি।

অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন তিনি। একইসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে অ*পহর*ণ ও ধ*র্ষণে*র শি*কার শ্যা*লিকাকেও। পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে ভু*ক্তভো*গীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে ফেরদৌস শেখসহ আটজনকে আ*সামি করে নাজিরপুর থানায় অ*পহর*ণ ও ধ*র্ষণ মা*মলা দা*য়ের করেছেন মেয়েটির বাবা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ছয় বছর আগে মেয়েটির বড় বোনকে বিয়ে করেন ফেরদৌস শেখ। তাদের ঘরে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। পরে অন্য এক পুরুষের সঙ্গে প*রকীয়া*য় ম*জে পালিয়ে যান তিনি। তাকে বিয়েও করেন ভু*ক্তভোগী*র বোন।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে গত ১২ মার্চ শ্যা*লিকা*কে অ*পহর*ণ করেন ফেরদৌস। নাজিরপুরেই বিভিন্ন স্থানে তাকে রেখে নিয়মিত ধ*র্ষণ করতে থাকেন তিনি। এ সময় অন্যান্য আ*সামি*রা তাকে সহায়তা করে।

মেয়েটির বাবা থানায় অ*ভিযো*গ করলে অভিযানে নামে পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে পুলিশ গো*পন সংবাদের ভিত্তিতে ফেরদৌসকে আ*টক ও তার তথ্যমতে ভু*ক্তভো*গীকে উ*দ্ধার করে। পরে মেয়েটির বাবা থা*নায় মা*মলা করেন।

এ বিষয়ে নাজিরপুর থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মো. জাকারিয়া জানান, ভু*ক্তভো*গীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পিরোজপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ফেরদৌস শেখকে আ*দালতের মাধ্যমে জে*লহাজ*তে নেওয়া হয়েছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 152
    Shares