প্রচ্ছদ বিনোদন

নোবেলের যৌ*ন মি*লনে*র ছবি ও ভিডিও ভা*ইরাল,দেখে যা বললেন নোবেল

760
পড়া যাবে: 8 মিনিটে

সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েক দিন থেকে ভেসে বেড়াচ্ছে সা রে গা মা পা অনুষ্ঠান থেকে আলোচনায় আসা কণ্ঠশিল্পী মাইনুল আহসান নোবেলের বেশ কিছু ন*গ্ন ও আ*পত্তিক*র ছবি। এক কিশোরীর ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে ছড়ানো হয় ছবিগুলো। পরে ভারতীয় কয়েকটি অনলাইনেও বেশ র*সিয়ে নিউজ প্রকাশ করা হয় এটি নিয়ে।

কলকাতার গণমাধ্যমে নোবেলকে নিয়ে সংবাদের শিরোনাম করা হয়েছে ‘বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে স*হবা*স! ‘নোবেলের বিরুদ্ধে বি*স্ফোর*ক অভিযোগ কিশোরীর’। রহস্যজনক ব্যাপার হলো যে কিশোরীর ফেসবুক থেকে ছবিগুলো প্রকাশ করা হয়েছে তার পরিচয় মেলেনি এখনো। কারণ ছবিগুলো পোস্ট করার পর সেই অ্যাকাউন্ট ডি*অ্যাক্টি*ভ করা হয়।

এই অল্প সময়ের মধ্যেই নোবেলকে নিয়ে লেখা সেই কিশোরীর স্ট্যাটাস ও ছবি কপি পেস্ট হয়ে যায়। অনেকে সেটার স্ক্রিনশর্ট নিয়ে ছড়িয়ে দেয়। নোবেল ভক্তদের দাবি এই সুযোগ নিয়ে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম নোবেলকে দু*শ্চরি*ত্র প্রমাণ করতে উঠে পড়ে লেগেছে।

কলকাতার একটি অনলাইন পোর্টাল বাংলাদেশি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের গণমাধ্যমে এরকম কোনো খবরই প্রকাশ হয়নি। তবে একটি নামসর্বস্ব ওয়েবসাইটে অস্থায়ী অ্যাকাউন্ট-এর লেখাগুলোকে ‘সংবাদ’ বানিয়ে আ*পলোড করা হয়।

শাহরীন সুলতান নামের সেই ফেসবুক আইডির স্ট্যাটাসটি এমন- ‘নোবেল, বাংলাদেশের লাখো মেয়ের ভালোবাসা। লাখো ছেলের আইডল। কিন্তু একমাত্র গোপালগঞ্জবাসীরাই চিনে ওর আসল রূপ। আজ আমি আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব ভোলাভালা চেহারার পিছে লুকিয়ে থাকা এক হিং¯্র জা*নোয়া*রের সাথে যাকে আপনারা সবাই নোবেলম্যান নামে চিনেন।

আমার মতো অ*প্রাপ্তবয়*স্ক মেয়েদের মিথ্যা প্রে*মের জা*লে ফাঁ*সিয়ে ই*জ্জত নি*য়ে ছে*ড়ে দেওয়ার উপর যদি নোবেল থাকতো, তাহলে তা এই সারাগামাপা খ্যাত মা*দকাস*ক্ত নোবেল-ই পেতো। মা*দক আর না*রীর নে*শায় আ*সক্ত নোবেলকে আজ যখন কোটি মানুষ আইডল মানে, তা দেখে আসলেই দেশের ফিউচার জেনারেশান নিয়ে খুব ভয় হয়।

মা*দকা*সক্ত*তার কারনে দুইবার রি*হ্যাবে গিয়ে মা*দকে*র নে*শা থেকে কয়েকদিন দূরে ছিল। কিন্তু না*রীর নে*শার জন্যতো রি*হ্যাব নেই। আর এটি কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে আমার মতো শত শত মেয়ের জন্য।

নোবেলের সাথে আমার পরিচয় হয় গতবছরে, যখন আমার বয়স মাত্র ১৫। প্রেম ভালোবাসা এগুলো তত বুঝতাম না। নোবেল আমাকে বুঝতে শিখায় ভালোবাসা কি। বয়স কম থাকার কারণে ওর প্রতিটা ফাঁ*দে খুব স*হজেই পড়ে যাই। এই ফাঁ*দে শুধু আমি পড়িনি। আমার মতো আরো অনেক মেয়েই পড়েছে। মেয়েগুলো বেশিরভাগি অ*প্রাপ্তবয়*স্ক ছিল।

কিন্তু নোবেলের বি*রুদ্ধে মু*খ খু*লার সা*হস সব মেয়ের দিন দিন নোবেলের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে ক্রমশ কমতে থাকে। আজ আমি কিছুটা সাহস নিয়ে আসলাম। আমি ডি*প্রেশা*নে চলে গিয়েছি। মাঝে মাঝে নিজের জী*বনটা দি*য়ে দি*তে মন চায়। কিন্তু আ*ত্মহ*ত্যা ম*হাপা*প বলে তা পারি না। যদিও আমার আ*ত্মাটা নোবেল আরো আগেই মে*রে ফে*লেছে।

আপনারা সবাই ভাবছেন নোবেল এগুলো কেমনে করে? আমি যদি বলি ওর এই সকল কু*কর্ম ওর বাবা মাও জানে তাহলে বিশ্বাস করবেন? প্রত্যেকটা মেয়েকে ও ওর বাসায় নিয়ে যায় ফি*জিক্যা*লি ই*নভ*ল্ব হওয়ার জন্য। ওর বাবা মার সাথেও পরিচয় করায় বন্ধু হিসেবে।

অন্যদিকে মেয়েটাকে আশ্বাস দেয় যে বাবা মার সাথে তো পরিচয় হয়েছেই। বিয়েও করবে মেয়েটাকে। এখনতো সব করা যায়। আমিও এই ফাঁ*দে পা দিয়েছি। ওর পি*পাসা মি*টলে ওর ওই বাবা মার সামনেই মেয়েটাকে অ*পমা*ন করে বের করে দেয়। আর ওর বাবা মা কিছুই বলেনা। তাই ওর এমন হওয়ার পিছে ওর পরিবারো দা*য়ী!

নোবেলের নিজের একটা বোন আছে। কীভাবে সে অন্যের বোনের জীবন এভাবে ধ্*বং*স করে আমার জানা নেই। অনেকেই বলবেন ওর নামে কে*স করতে। ওর নামে কে*স করেও লাভ নেই। পুলিশ ওর বা*বার পকেটে থাকে।

সবশেষে বলবো যে আমি জানি এই সমাজ আমাকেই খা*রাপ বলবে। আমি-ই গা*লি খাবো নোবেলের ফ্যানদের থেকে। কারণ আমাদের সমাজে সব দোষ মেয়েদেরই হয়। এই পোস্ট দিয়ে নোবেলের কিছুই হবেনা এটাও আমি জানি। কিন্তু যাই হোক না হোক, আমার ভিতরের মৃ*ত আত্মাটার কিছুটা শান্তি হবে এই জা*নোয়া*রটা*কে সবার সামনে তুলে ধরতে পারলে। ওর আসল চেহারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের দেখা উচিৎ। ওর মত ছেলে লাখো ছেলের আ*ইড*ল হোক, এটি মেনে নেওয়া যায়না। শত মেয়ের জীবন ন*ষ্টের কারণ কোন মেয়ের ক্রা*শ হতে পারে না।

ওর ব্যাপারে সর্বশেষ জানলাম যে ঈদের আগের দিনও মা*তাল হয়ে গোপালগঞ্জের একজনের উপরে মোটরসাইকেল উঠিয়ে দেয়। তার মানে রি*হ্যাবে গিয়েও লাভ হয়নি। ও এখনো মা*দক সে*বন করে। আর না*রীর নে*শা কা*টানোর জন্যতো রি*হ্যাব*ও নেই। এই নে*শা ওর কা*টবেনা!

আপনাদের বিশ্বাস করানোর জন্য কিছু ছবি দিলাম। ছবিগুলো কিছু ও তুলেছে কিছু আমি আমার আর ওর ছবি, ওর বাসার রুমের ছবি (বিশ্বাস না হলে ওর বাসায় গিয়ে দেখে আসেন), কি*উট হয়ে ঘুমিয়ে থাকার ছবিটিও দিলাম।’

এই স্টাটাসকি সত্য! নোবেলের একভক্ত তার পর্যবেক্ষণ থেকে বলছেন,‘ভাইরাল হওয়া ছবিগুলায় কিছু ছবি আছে যে নোবেল শুয়ে আছে। আর ওই ছবিগুলায় বুঝা যাচ্ছে যে নোবেলের মোটা সোটা একটা লুক! খেয়াল করলে দেখা যায় যে গত কিছুদিন যাবত বিভিন্ন ফ্যানপেজ বা গ্রুপে নোবেলের মোটা-সোটা লুকের বেশ কিছু ছবি ভাইরাল। যেই মেয়েটা নোবেলের এ*গেইন্সটে এ*লিগে*শন এনেছে তার ভাষ্যমতে নোবেলের সাথে ওর রি*লেশ*ন ছিল গতবছর।

কিন্তু গতবছরের নোবেলের ছবি ঘাটাঘাটি করলে দেখা যায় যে নোবেল স্লিম ছিল! তাহলে নোবেলের আজকের ভাইরাল হওয়া ছবি গুলায় মোটা লুক আসলো কীভাবে? নোবেল কি তাহলে প্রতি বছর নিয়ম করে মোটা হয়?’

নোবেলে এক ভক্ত বলছেন, ‘যে আইডির অস্তিত্ব নেই তার বক্তব্য কতখানি সত্য হতে পারে? পোস্ট এর সঙ্গে যে ছবিগুলো দেয়া হয়েছে সেগুলো দেখে অনেকে বলছেন ¯্রফে ফটোশপ করে ছবি বি*কৃতি ঘ*টিয়ে ছবির সঙ্গে ছবি বসিয়ে বা*নোয়াট একটা গল্প বানানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে নোবেলে মন্তব্য নিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে…

শা*রীরিক স*ম্পর্কে*র অ*ভিযো*গে যা বললেন নোবেল

শাহরিন সুলতানার অভিযোগ প্রসঙ্গে একটি গণমাধ্যমকে নোবেল বলেন, ‘আজকাল ছবি এ*ডিট করা যায়। যে ছবিগুলো প্রকাশ করা হয়েছে, তা এডিট করা। যে মেয়ে অভিযোগ করেছেন, তার কোনো হদিস নেই। আমার ভা*বমূ*র্তি নষ্ট করতে এসব মি*থ্যে অ*ভিযোগ ছাড়ানো হচ্ছে, এর বেশি আর কিছুই না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এলাকার লোকজন, পরিচিত মহল ও বন্ধুবান্ধব সবাই জানেন, আমি কেমন? এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন ও আমার সুনাম নষ্ট করার জন্য।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 77
    Shares