প্রচ্ছদ বাংলাদেশ উপজেলা

পারিবারিক বি*রোধে প্র*তিশো*ধ নিতে টেস্টার দিয়ে খুঁ*চিয়ে চো*খ তু*লে নিয়ে বলা হল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট

34
পড়া যাবে: 4 মিনিটে

টেস্টার দিয়ে খুঁ*চিয়ে মিলন নামে এক যুবকের চো*খ উ*পড়ে ফেলার অ*ভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী বেল্লাল হোসেন লিমনের (১৮) পরিবারের দাবি, পূর্ব শ*ত্রুতা*র জে*র ধরে গত ১২ এপ্রিল টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মা*মলা ক*রার পর আ*সামি*রা বিভিন্নভাবে হু*মকি ধ*মকি দিচ্ছে বলেও দাবি করেছে লিমনের পরিবার। লিমন বাড়ি উপজেলার ১০ নং গোড়াই ইউনিয়নের বানিয়ারচালা রাজাবাড়ি গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।

সোমবার (১৯ আগস্ট) মিলনের মা জাহানারা বেগম ও বড় বোন নাছরিন সংবাদমাধ্যমে জানান, রাজাবাড়ি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে মামুন (২৩), মাজেদ দেওয়ানের ছেলে আলামিন (১৯) ও দাড়িয়াপুর গ্রামের লুলু হোসেনের ছেলে কবির হোসেনের (৩৫) সঙ্গে তাদের পা*রিবা*রিক বি*রোধ ছিল। প্র*তিশো*ধ নিতে তারা মিলনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে। এরপর গত ১২ এপ্রিল বিকালে মিলনকে মমিননগরের আলিম মুনসির বাসায় নিয়ে যান মামুন, আলামিন ও কবির। বাসার ছা*দে নিয়ে মিলনের হাত-পা বেঁধে প্রথমে টে*স্টার ঢু*কিয়ে দু*টি চোখ অ*ন্ধ করে দেয়া হয়। এরপর লা*ঠি ও র*ড দিয়ে পি*টিয়ে আ*হত করে।

ওই সময় ঘটনা ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য আসামিরা মিলনকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর পরিবারকে ফোন করে জানায়, মিলন বি*দ্যুৎস্পৃ*ষ্ট হয়েছে। মিলনের পরিবার হাসপাতালে যাওয়ার আগেই তারা পালিয়ে যায়। মিলনের বাবা গিয়াস উদ্দিন, মা জাহানারা বেগমসহ পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে আসল ঘটনা জানতে পারেন।

মিলনের মা জানিয়েছেন, কুমুদিনী হাসপাতালের চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অ*স্ত্রোপচা*র করা হলেও চো*খ দুটি র*ক্ষা করা যায়নি।

ঘটনার পর মিলনের মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে মামুন, আলামিন ও কবিরকে আসামি করে গত ৯ মে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জু*ডিশিয়াল ম্যা*জিস্ট্রেট আ*মলি আ*দালতে মা*মলা করেন। মা*মলার পর থেকেই আ*সামি মিলনের পরিবারকে হু*মকি ও চা*প সৃষ্টি করে আসছে বলে অ*ভিযোগ তাদের। এ অবস্থায় পরিবারের নি*রাপত্তা চেয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপারসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন।

মির্জাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মা*মলার ত*দন্তকারী কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আ*দালতের নির্দেশে মির্জাপুর থানায় আ*সামিদের বিরুদ্ধে মা*মলা হয়েছে। আ*সামি মামুন ও আলামিনকে গ্রে*প্তার করা হয়েছে। অপর আ*সামি কবির প*লাতক রয়েছেন। তাকে গ্রে*প্তারের চেষ্টা চলছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 130
    Shares