প্রচ্ছদ জেলা এখন প*র্ন সা*ইটে পাওয়া যাচ্ছে সেই ডিসির পু*রো ২৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের...

এখন প*র্ন সা*ইটে পাওয়া যাচ্ছে সেই ডিসির পু*রো ২৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিও

1227
জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর ও তার স্ত্রী
পড়া যাবে: 6 মিনিটে
advertisement

একের পর এক না*রী কে*লেঙ্কারি*র অভিযোগ শোনা যাচ্ছিল জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের বি*রুদ্ধে। এবার হয়তো এই গু*ঞ্জন সত্যি হতে চলছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে জেলা প্রশাসকের অ*নৈতি*ক ক*র্মের একটি ভিডিও। যা বর্তমানে জামালপুরের ‘টক অব দ্যা টাউন’। নিজ অফিস কক্ষে ডিসি অফিসের এক নারী ক*র্মচারীর সাথে এমন ভিডিও প্রকাশ পাওয়ায় স*মালোচনার ঝড় উঠেছে বিভিন্ন মহলে।

advertisement

বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে খন্দকার সোহেল আহমেদ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে জেলা প্রশাসকের আ*পত্তিকর ভি*ডিওটি পোস্ট কর হয়। তবে শুক্রবার সকাল থেকে ওই আইডিতে আর সেই ভিডিওটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। কিন্তু তার আগেই ফেসবুক এবং মেসেঞ্জারের বিভিন্ন গ্রুপে তা ছড়িয়ে পড়ে।

এদিকে আহমেদ কবিরের শা*রীরি*ক স*ম্পর্কের ভা*ইরাল হওয়া ভিডিওটি এখন আন্তর্জাতিক একাধিক পর্ন সাইটে চলে গেছে। ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি মিনিট পাঁচেকের হলেও প*র্ন সা*ইটে পু*রো ২৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিও আপ হয়েছে। অর্থাৎ ফেসবুক বা ম্যাসেঞ্জারে কাটছাট করে ছাড়া হয়েছিল ভিডিওটি।

এ নিয়ে সংবাদমাধ্যমগুলোতে খবর প্রকাশ হওয়ার পর ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে বলা হচ্ছিল, ভিডিওটি অফিসের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় (সিসি) ধারণ করা। কিন্তু নিজের অফিসে বসানো সিসি ক্যামেরার সামনে এমন কাজ কেনো করতে যাবেন? এ বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেলো ভিন্ন কথা। আসলে ওই রুমে কোনো সিসি ক্যামেরা ছিলোই না। ভিডিওটি ধারণ করা হয় গো*পন ক্যামেরায়।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অফিস কক্ষের পাশের ওই রুমটিতে আগে বিশেষ মিটিং করতেন ডিসি। পরে টেবিল চেয়ার সরিয়ে সেখানে খাট বসানো হয়। বলা হয়, রুমে তিনি বিশ্রাম নিবেন।

আরও পড়ুন:  জামালপুরের নতুন ডিসি বললেন ,আমার অফিসের দরজা সবসময় খোলা থাকবে

এদিকে ওই নারী সঙ্গে ডিসির সম্পর্ক এতটাই ঘ*নিষ্ঠ হয়ে উঠে যে, অফিস সহায়ক হলেও তার খবরদারি চালাতো সবার সঙ্গে। তার ব্যবহারে অতিষ্ঠ হয়ে অফিসের কর্মীদের মধ্যে কেউ ওই রুমে গো*পন ক্যা*মেরা সেট করেন। আর তাতেই ধরা পড়ে বিশ্রাম রুমে ডিসির আ*পত্তিক*র ভিডিও।

৪ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে যে কক্ষটি দেখা যাচ্ছে সেটি জামালপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের অফিস কক্ষে তার চেয়ারের ঠিক ডান পাশের ছোট একটি কক্ষ। ছোট এই কক্ষটিতে একটি ছোট খাট বসানো হয়েছে। কক্ষটি বেশ পরিপাটি দেখা যাচ্ছে। ভিডিওটিতে পুরুষ ব্যক্তিটিই জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। আর যে নারীকে দেখা যাচ্ছে তিনি এই জেলা প্রশাসকের মাধ্যমেই সম্প্রতি নিয়োগ পাওয়া একই অফিসের অফিস সহায়ক সানজিদা ইয়াসমিন সাধনা।

তবে ভিডিওটি বানানো বলে দাবি করেছেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। আজ শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে জেলা সার্কিট হাউজে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি করেন তিনি।

এ সময় সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর বলেন, ‘আমি মা*নসিকভাবে খুবই বি*পর্যস্ত অবস্থায় আছি। আপনারা আমাকে একটু সময় দিবেন। প্রকৃত ঘটনা জানতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপনারা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।’ এ সময় জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের এ বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য অনুরোধ করেন।

আরও পড়ুন:  আ.লীগ নেতা ও ছাত্রদল নেতার ফোনালাপ ফাঁস

এছাড়া ভিডিওটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি একটি সাজানো ভিডিও। একটি হ্যা*কার গ্রুপ দীর্ঘদিন ধরে নানাভাবে ভ*য়ভী*তি দেখিয়ে আমাকে ব্ল্যা*কমেই*ল করার চেষ্টা করছিল। আমি বিষয়টি গুরুত্ব দেইনি। বা*নোয়াট ভিডিওটি একটি ফে*ক আ*ইডি থেকে পোস্ট দেয়া হয়।’

তবে ভিডিওটিতে দেখানো কক্ষটি তার অফিসের বিশ্রাম নেওয়ার কক্ষ এবং ভিডিওর ওই নারী তার কার্যালয়ের ‘অফিস সহায়ক’ হিসেবে কর্মরত বলে তিনি নিশ্চিত করেন। এ সময় জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের এ বিষয়ে সংবাদ পরিবেশন না করার জন্যও অনুরোধ করেন।

এ সময় জেলা প্রশাসনের লোকজন জোর করে উপস্থিত সাংবাদিকদের অনেকের ফোন থেকে আলোচিত ভিডিওটিও মু*ছে ফেলেন বলে অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা।

জামালপুরের নারী নেত্রী এডভোকেট শামীম আরা বলেন, জেলার সরকারি শীর্ষ একজন কর্মকর্তার কাছে নানা সমস্যা নিয়ে নারীরা তার কার্যালয়ে যান। নিরাপত্তাও চান তার কাছে। কিন্তু র*ক্ষক যদি ভ*ক্ষকের ভূমিকা পালন করেন তাহলে নারীরা কোথায় নিরাপদ। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শা*স্তির দাবি জানান।

মানবাধিকার কর্মী জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত ল*জ্জাজনক। এ ঘটনায় জামালপুরের নারীরা নি*রাপত্তাহী*নতায় রয়েছে। তিনি ত*দন্ত সাপেক্ষে জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে শা*স্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান এনডিসি সাংবাদিকদের বলেন, জামালপুরের জেলা প্রশাসকের একটি ভিডিও ভাইরালের খবর তিনি শুনেছেন। যদি ঘটনা সঠিক হয়, তবে সেটা ন্যা*ক্কারজ*নক। উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে ঘটনাটি জানানো হয়েছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 622
    Shares
advertisement