প্রচ্ছদ বাংলাদেশ

যে কারনে ডিসি অফিসে হিজাব পরেই যৌ*ন মি*লনে লিপ্ত হয় অফিস সহায়ক সাধনা

2931
পড়া যাবে: 5 মিনিটে

চলতি বছর জানুয়ারিতে ডিসি অফিসে ২৭ জনকে অফিস সহায়ক (পিয়ন) পদসহ ৫৫ জনকে নিয়োগ দেয়া হয়। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে ডিসি অফিসে পিয়ন (অফিস সহকারী) পদে নিয়োগ পান সানজিদা ইয়াসমিন সাধনা।

সেই সঙ্গে তার দুই আত্মীয় রজব আলী ও সাবান আলীকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পাইয়ে দেন তিনি। অফিস সহায়ক বা সহকারী পদে সাধনা যোগদান করার পর জেলা প্রশাসকের অফিস কক্ষের পাশে ‘খাসকামরা’ হয়ে ওঠে মিনি বেডরুমে।

যেখানে খাট ও অন্যান্য আসবাবপত্র দিয়ে সাজ-সজ্জা করা হয়। সে রুমেই চলত আহমেদ কবীর-সাধনার র*ঙ্গলী*লা। অফিস চলাকালে তাদের র*ঙ্গলী*লা অবাধ ও নির্ঝঞ্ঝাট করতে সেই কামরার দরজায় বসানো হয় লাল ও সবুজ বাতি।

রঙ্গলীলা চলাকালে ‘লালবাতি’ জ্বলে উঠত। সে সময় দরজার সামনে পাহারায় থাকতেন তাদেরই বিশ্বস্ত কোনও অফিস সহকারী। যতক্ষণ লালবাতি জ্বলতো সাক্ষাৎপ্রার্থীতো দূরের কথা কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরও প্রবেশাধিকার নিষেধাজ্ঞা ছিল।

এ সময় তার অফিসের বাইরে ফাইলপত্র নিয়ে অপেক্ষায় থাকতেন কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সাক্ষাৎপ্রার্থীরা। লীলা শেষ করে পরিপাটি হয়ে যখন চেয়ারে বসতেন, তখন জ্বলে উঠতো সবুজ বাতি। ‘সবুজ বাতি’ জ্বলে ওঠার পরই শুরু হতো তাদের দাপ্তরিক কার্যক্রম।

এদিকে সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার খোঁজ মিলছে না। রোববার (২৫ আগস্ট) তার অফিস করার কথা থাকলেও তিনি অনুপস্থিত ছিলেন। জামালপুরের ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক রাজিব কুমার সাহা জানিয়েছেন, তিনি কোনো ছুটির আবেদন করেননি। এদিকে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ এনামুল হককে জামালপুরের নতুন জেলা প্রশাসক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

আর আহমেদ কবীরকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা করা হয়েছে। রোববার দুপুরে জামালপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-২ অধিশাখার উপ সচিব এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ দেয়া হয়।

তবে এই আদেশ পৌঁছনো আগেই শনিবার গভীর রাতে জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর জামালপুর থেকে পালিয়ে ঢাকায় চলে যান। আর আপত্তিকর ভিডিও ভাইরাল হবার পর থেকেই আত্মগোপনে রয়েছেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহায়ক সানজিদা ইয়াসমিন সাধনা।

রবিবার অফিস খোলার পরও অফিসে আসেনি তিনি। ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সাহা বলেছেন, তিনি অফিসে অনুপস্থিত। কোনো ছুটির আবেদন করেননি।

শহরের শেখেরভিটায় তার ভাড়াটিয়া বাসায় গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। বাড়ির মালিক বলেন, শুকনগরীতে একবার নদী ভাঙার পর তারা বিভিন্ন বাড়িতে ভাড়া থাকতো।

পরে একটা বাড়িও করেছে। তিনি প্রায় তিন বছর ধরে মা-বাব এবং ছেলেকে নিয়ে আমার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। আমি যতদূর জানি, এক বছর আগে ডিসি অফিসের পিয়ন পদে তার চাকরি হয়েছে। আমি তাকে সবসময় ভালো হিসেবেই দেখেছি। কখনো তার খারাপ কিছু আমার চোখে পড়েনি।

সাধনার গ্রামের বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার শুকনগরী গ্রামে গিয়েও তার খোঁজ মেলেনি। তার পরিবারের লোকজন জানান, তিনি তার খালার বাড়িতে আছেন। তার মনের অবস্থা ভালো নেই। জানা গেছে, ৭ বছর আগে সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার স্বামী মা*রা যান। তাদের একমাত্র সন্তান ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ছে।

তার স্বজনরা জানায় সাধনার মাথায় চুল নেই সে আলগা চুল পরে মাথা ঢেকে রাখে হিজাবে। কোন এক রোগের কারণে ছোট বয়সেই তার মাথার চুল ও ভ্রু উঠে যায়।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 2.2K
    Shares