প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ ফাঁ*স হওয়া নিজের মি*লনের ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন সেই ভাইস চেয়ারম্যান !

ফাঁ*স হওয়া নিজের মি*লনের ভিডিও নিয়ে মুখ খুললেন সেই ভাইস চেয়ারম্যান !

1409
পড়া যাবে: 4 মিনিটে
advertisement

গত কয়েকদিন ধরে দেশজুড়ে শুধু একটা আলোচনা চলছে। নারী অফিস সহকর্মী সানজিদা ইয়াসমিন সাধনার সঙ্গে জামালপুরের প্রাক্তন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা।

advertisement

ইতিমধ্যে এ ঘটনায় আহমেদ কবীরকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করা হয়েছে। তার জায়গায় নতুন ডিসি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. এনামুল হক। রবিবার (২৫ আগস্ট) এ সংক্রান্ত পৃথক দুটি আদেশ জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এদিকে এ ঘটনার রেশ না কাটতেই এবার বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির একটি আপত্তিকর ভিডিও নিয়ে দেশব্যাপী তোলপাড় শুরু হয়েছে।

 

ভাইরাল হওয়া ৫ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে খোরশেদ আলম ভুলুকে এক নারীর সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহুর্তে দেখা যায়। যা রুমের এক কোণা থেকে ধারণ করা হয়। জানা যায়, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ২০১৬ সালের ঘটনা। কিন্তু হঠাৎ করেই ডিসি আহমেদ কবীরের ঘটনার পর এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:  বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ (ভিডিও)

বিষয়টি নিয়ে খোরশেদ আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিডি২৪লাইভকে বলেন, এটি ২০১৬ সালের একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আগামী মাসের শুরুতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হবে, সেই নির্বাচনে আমি চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিয়েছি। এমন সময় ষ*ড়য*ন্ত্রের অংশ হিসেবে ভিডিওটি ছড়ানো হয়েছে।

 

তিনি আরও বলেন, আমি রাজনীতি করি এমপি মহোদয়ের সঙ্গে। তার কাছাকাছি থাকার চেষ্টা করি, এতে অনেকেই ঈর্ষান্বিত হোন। আমার দলেরই কিছু প্রতিপক্ষ আছে যারা গভীর ষড়যন্ত্র হিসেবে ভিডিওটি ছড়াচ্ছে। শুধু আমাকেই নয়, এমপি মহোদয়কে নিয়েও ছড়াচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ ব্যাপারে স্থানীয়রা জানান, খোরশেদ আলম ২০১৬ সালে এক নারীর সাথে প*রকী*য়া প্রেমে লিপ্ত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ওই নারীকে তিনি ‘মিথ্যে’ বিয়ে করে প্রথমে খুলনায় নিয়ে রাখেন। পরে ওই নারীর চাপে তিনি তাকে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার চানপুর ইউনিয়নে নিয়ে আসেন।

আরও পড়ুন:  ডিসির পর এবার ভাইস চেয়ারম্যান আ*পত্তিক*র ভিডিও ভাইরাল

কিন্তু ওই নারী যখন বুঝতে পারেন যে খোরশেদ আলম তার সাথে ‘ছলনা’ করছেন তখন তিনি তাকে নানাভাবে চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু খোরশেদ আলম কথা শুনতে অস্বীকৃতি জানালে ওই নারী একটি গো*পন ভিডিও করে ইন্টারনেটে ছেড়ে দেন। এরপর খোরশেদ আলম ওই নারীকে ১০ লাখ টাকা দিয়ে বিষয়টি মিটমাট করেন।

ওই নারী এখন কোথায় আছেন সে বিষয়ে খোঁজ নিয়ে এলাকাবাসীর থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এলাকবাসীর অভিযোগ খোরশেদ আলম তাকে টাকা দিয়ে অন্যত্র সরিয়ে রেখেছেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 661
    Shares
advertisement