প্রচ্ছদ বাংলাদেশ শিক্ষাঙ্গন

স্যার ও তার ছেলে আমাকে ন*গ্ন ক*রে ছবি তুলেছে

345
পড়া যাবে: 4 মিনিটে

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে পূর্বের ঘটনার জেরে নি*র্যাত*ন ও অ*র্ধন*গ্ন করে আ*পত্তিক*র ছবি তোলার ঘটনা ঘটেছে। নি*র্যাত*নকালে ওই ছাত্রীর আ*পত্তিক*র ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছেড়ে দেওয়ারও হু*মকি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্কুলছাত্রীর বাবা মো. মশাহিদ আলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর অনুলিপি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।

ওই স্কুলছাত্রী জানায়, স্যার ও তার ছেলে আমার আ**পত্তিকর ছবি তুলেছেন। ছবি না উঠলে আমাকে মে*রে ফে*লার হু*মকি দেন। কিছুদিন আগে পরীক্ষার ফি দিতে দেরি করায় স্যার আমাকে মা*রধ*র করেছিলেন। স্যার বিভিন্ন সময়ে অনেক ছাত্রীদের সাথেও খা*রাপ আ*চরণ করেন। কেউ এর বিচার করে না।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে নয়টায় উপজেলার রাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি রাজুকে স্কুল থেকে অন্যত্র পাঠিয়ে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রীকে অফিস কক্ষে ডেকে নেন প্রধান শিক্ষক মন্তাজ আলী। এ সময় তিনি ও তার ছেলে জাকারিয়া মিলে অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ করে ফারজানার অ*র্ধন*গ্ন করে দুটি আ*পত্তিক*র ছবিসহ ৪টি ছবি তোলেন। ছবি না উঠালে প্রা*ণে মে*রে ফে*লারও হু*মকি দেন এবং ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেবার হু*মকি দেন। পূর্ব ঘটনার জে*র ধরে প্রধান শিক্ষক এসব কাজ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনার পূর্বে গত ২০ জুলাই প্রধান শিক্ষক মন্তাজ আলী ফারজানাকে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষার ফি প্রদানে দেরি করায় উ*ত্তেজিত হয়ে মা*রধ*র করেন। এতে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে পড়লে কুলাউড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রধান শিক্ষক তার বাড়ি থেকে আনা জালি বেত দিয়ে এ*লোপা*তাড়ি প্র*হার করলে ছাত্রীর পিঠে ও হাতের বিভিন্ন জায়গা ফুলে যায়।

এ সময় বিদ্যালয়ে থাকা ছাত্রীর ফুফু প্রধান শিক্ষকের মা*রধ*রের বিষয়ে প্র*তিবাদ করলে তাকেও তিনি লাঞ্চিত করেন। এ ঘটনায় ওইদিন বিকেলে ছাত্রীর বাবা মশাহিদ আলী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মাধ্যমে নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এরই প্রেক্ষিতে ২৭ জুলাই বিদ্যালয়ে সরেজমিন ত*দন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পান উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সৌরভ গোস্বামী।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আইয়ুব উদ্দিন বলেন, তদন্তে অভিযোগের বিষয়টি প্রমাণিত। উপজেলা শিক্ষা কমিটির সভায় ওই শিক্ষককে অন্যত্র বদলির সিদ্ধান্ত হয়েছে। বুধবারের ঘটনার ত*দন্ত করে আগামী রবিবারের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নবাগত ইউএনও স্যার নির্দেশ দিয়েছেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 71
    Shares