প্রচ্ছদ Featured News

মিড-ডে মিল নিয়ে নিউজ নয়, প্রপাগান্ডা চালানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী

22
মিড-ডে মিল নিয়ে নিউজ নয়, প্রপাগান্ডা চালানো হয়েছে: প্রতিমন্ত্রী
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

মিড-ডে মিল নিয়ে ‘নিউজ নয়, অপ’প্রচার ও প্রপাগান্ডা করা হয়েছে’ বলে অভিযোগ করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। মিড-ডে মিল নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর প্রসঙ্গে মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মকর্তাদের যারা মিড-ডে মিল বাস্তবায়ন করবেন তাদের প্রশিক্ষণের জন্য কিছু বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। খিচুড়ি রান্না শেখার জন্য বিদেশে প্রশিক্ষণ নিতে ডিপিপিতে (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনা) প্রস্তাব করা হয়নি। আমি নির্দেশ দিয়েছি, যারা প্রপাগান্ডা চালাবে প্রয়োজনে তাদের বিরু’দ্ধে ব্যবস্থা নিতে। এটি নিউজ হয়নি, প্রপাগান্ডা হয়েছে। সাংবাদিকরা আমাদের প্রিয় মানুষ। তাদের কারও কাছ থেকেই আমরা প্রপাগান্ডা আশা করি না।

তিনি বলেন, এটি একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ, যারা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে তাদের প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। সে কারণেই কিছু টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান আহরণের জন্য এই প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ‘খিচুড়ি রান্না করা শিখতে ১ হাজার সরকারি কর্মকর্তাকে বিদেশে পাঠাতে ৫ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে’- গণমাধ্যমে এমন খবর প্রচারের পর মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বিদেশ যাওয়ার প্রস্তাবের বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

তিনি বলেন, খিচুড়ি রান্না শিখতে নয়, ব্যবস্থা দেখতে, পুরো মিল বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে অভিজ্ঞতা নিতে বিদেশে যাওয়ার জন্য বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  কিটের পেছনে আমার ১০ কোটি টাকা লস হয়েছে: জাফরুল্লাহ

আকরাম-আল-হোসেন বলেন, এ প্রকল্পের কোনো অর্থ এখনো ছাড়া হয়নি। পরিকল্পনা কমিশন কিছু জিজ্ঞাসা পাঠিয়েছে। তার জবাব পাঠানো হবে। এরপর একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন হবে।

তিনি বলেন, স্কুল ফিডিং প্রকল্প ১০৪টি উপজেলায় চালু ছিল যা ডিসেম্বরে শেষ হচ্ছে। আগামী বছর থেকে সারাদেশে নির্বাচনী ইস্তেহারমতে সব স্কুলগুলোতে দুপুরের খাবার দেয়া হবে। এটা বাস্তবায়ন সঠিকভাবে করার জন্য ভারতসহ যেসব দেশ মিড ডে মিল চালু করেছে, সেসব দেশ থেকে অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য ১ হাজার কর্মকর্তার এ প্রশিক্ষণের কম্পোনেন্ট রাখা হয়েছে।

সিনিয়র সচিব বলেন, মন্ত্রিসভায় স্কুল ফিডিং পলিসি অনুমোদিত হয়েছে। এই পলিসির ভিত্তিতে ১৯ হাজার ২৯৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে দাখিল করা হয়েছে। বর্তমানের প্রকল্পটি ১০৪টি উপজেলায়, যা ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যায়ক্রমে ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল চালু করা হবে। সেই নির্বাচনী ইশতেহারকে সামনে রেখে আমরা ২০২৩ সাল পর্যন্ত একটা প্রকল্প প্রণয়ন করে দাখিল করেছি।

এই প্রকল্পে দুটি বিষয় আছে জানিয়ে সচিব বলেন, বাচ্চাদের আমরা দুপুর বেলা খাবার দেব। খাবারটা হবে ২ ধরনের। ৩ দিন বিস্কুট এবং ৩ দিন রান্না করা খাবার। বর্তমানে ৬ দিন বিস্কুট দেয়া হয়। রান্না করা খাবারের মধ্যে খিচুড়িটি সবচেয়ে প্রোটিন-সমৃদ্ধ।

আরও পড়ুন:  মন্ত্রিসভার রদবদল কবে হচ্ছে?

এটা একটা বিশাল কর্মযজ্ঞ। ৬৫ হাজার ৬২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য মিড ডে মিল চালু করতে হবে। কীভাবে ম্যানেজ করব, সেই ম্যানেজমেন্ট দেখার জন্য আসলে যে সমস্ত উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশে এই ব্যবস্থা চালু আছে, সেই ব্যবস্থা দেখার জন্য এবং দেশে-বিদেশে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য কম্পোনেন্ট রেখেছি সক্ষমতা অর্জনের জন্য। খিচুড়ি রান্না করার জন্য আমরা কোন কর্মকর্কতা বা আমরা বিদেশে যাচ্ছি না।

সচিব বলেন, যেখানে রান্না করা খাবার দিচ্ছি সেখানে ঝরে পড়ার হার একদম কমে গেছে, ৩ শতাংশের নিচে চলে এসেছে। বাচ্চাদের পুষ্টির পরিমাণ বেড়েছে, ভর্তির হার বেড়েছে। উপস্থিতির হার বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারের একটি প্রভিশন আছে, কোনো প্রকল্পে এস্ট্যাবলিশমেন্ট কস্ট, ফরেন ট্রেনিং, অভ্যন্তরীণ ট্রেনিং কোনোভাবেই ৮ শতাংশের ওপরে হবে না। প্রশিক্ষণের জন্য মোট প্রকল্প ব্যয়ের ০.২ শতাংশ। দারিদ্র্য কবলিত ১০৪টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং পাইলট প্রকল্প, সেখানে আমরা বিস্কুট দিচ্ছি। ১৬টি উপজেলায় রান্না করা খাবার চালু আছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 16
    Shares