প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

“প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে অনিয়ম” সংবাদ প্রসঙ্গে মেয়র মুজিবের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ

4
“প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে অনিয়ম” সংবাদ প্রসঙ্গে মেয়র মুজিবের ব্যাখ্যা ও প্রতিবাদ
পড়া যাবে: 5 মিনিটে

গত ১৩/৯/২০২০ ইং দৈনিক আজাদী, চট্টগ্রাম প্রতিদিন, ১৫ সেপ্টেম্বর দৈনিক দৈনন্দিন ও ১৬ সেপ্টেম্বর দৈনিক রূপসী গ্রামসহ কয়েকটি অনলাইন পত্রিকায় আমি ও আমার পরিবারকে জড়িয়ে প্রকাশিত সংবাদগুলো আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। ওইসব সংবাদে কক্সবাজার ভূ-উপরস্ত পানি শোধনাগার স্থাপন প্রকল্পের জমি অধিগ্রহণে আমার বিরুদ্ধে দূর্নীতির কথিত অভিযোগ আনা হয়েছে। সংবাদগুলো মিথ্যা এবং আক্রোশমূলক। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের এবং জনসাধারণের অবগতির জন্য ওই বিষয়ে প্রকৃত তথ্য সংক্ষেপে নিচে উপস্থাপন করছি। আমি গত ২৫/৭/২০১৮ ইং তারিখের নির্বাচনে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র নির্বাচিত হই এবং ১৬/৮/২০১৮ ইং তারিখে মেয়র হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্বভার গ্রহণ করি। এর আগে ঢাকাস্থ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ৩৭ জেলা শহরে পানি সরবরাহ প্রকল্পের পরিচালক মহোদয় ১২/৬/২০১২ ইং তারিখের ৮৮১ নং পত্রযোগে কক্সবাজার পৌরসভার তদানীন্তন মেয়র মহোদয়কে অবহিত করেন যে, পৌরসভার বাসিন্দাদের জন্য একটি পানি শোধনাগার নির্মাণের প্রস্তাব ডিপিপিতে অনুমোদন আছে। পত্র প্রেরক উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের সাইড সিলেকশন ও ভূমি নির্ধারণের জন্য তদানীন্তন পৌর মেয়রকে অনুরোধ করেন। উক্ত প্রকল্প পরিচালক মহোদয় একই বিষয় উল্লেখ করে ওই প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের পদক্ষেপ নেয়ার অনুরোধ জানিয়ে কক্সবাজার পৌরসভার তদানীন্তন মেয়র বরাবরে ২৫/৭/১২ ইং তারিখের ৯৯ নং, ২৯/১/২০১৩ ইং তারিখের ৫৮৯/৭ নং, ০৬/১২/২০১৬ ইং তারিখের ৬০৫০ নং, ১৯/১/২০১৭ ইং তারিখের ৬১৮২ নং, ১৪/৫/২০১৭ ইং তারিখের ৬৫০২ নং, ২০/৮/২০১৭ ইং তারিখের ৬৮১৭ নং পত্র প্রেরণ করেন। তৎমধ্যে ২০/৮/২০১৭ ইং তারিখের ৬৮১৭ নং পত্রে পত্র প্রেরক প্রকল্প পরিচালক মহোদয় উল্লেখ করেন যে, “কক্সবাজার পৌরসভায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের লক্ষ্যে surface water treatment plant স্থাপন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত প্রতিশ্রæতির অন্তর্ভূক্ত রয়েছে। ফলে এই শোধনাগার স্থাপন একটি অগ্রাধিকার প্রাপ্ত প্রকল্পের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ৩৭ জেলা শহরে পানি সরবরাহ প্রকল্পটি ৩০/৬/২০১৯ ইং তারিখে সমাপ্তের জন্য নির্ধারিত। এমতাবস্থায় পানি শোধনাগার নির্মাণের জন্য ভূমির ব্যবস্থা করা না হলে কক্সবাজার পৌরসভায় পানি শোধনাগার নির্মাণ করা সম্ভব হবে না, ফলে কক্সবাজার পৌরবাসী সুপেয় পানি থেকে বঞ্চিত হবে। এমতাবস্থায় দ্রæততম সময়ের মধ্যে পানি শোধনাগার নির্মাণের প্রয়োজনীয় ভূমির ব্যবস্থা করার জন্য অনুরোধ করা হল।’’ কক্সবাজার পৌরসভার তদানীন্তন মেয়র মহোদয় ২১/৮/২০১৭ ইং তারিখের ৯৮৬ নং পত্র যোগে ঝিলংজা মৌজার ২.১৯৫ একর জমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব প্রেরণ করেন। স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব পৌর-১ মহোদয় ৪/১০/২০১৭ ইং তারিখে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মহোদয়কে ১২৭৯ নং পত্র দিয়ে কক্সবাজার পৌরসভায় ভূ-উপরস্থ পানি শোধনাগার নির্মাণের জন্য ২.১৯৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ বিষয়ে সরেজমিনে তদন্ত করতঃ মতামতসহ প্রতিবেদন প্রদানের অনুরোধ করেন। এরপর জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মহোদয়ের ৩১/১০/২০১৭ ইং তারিখের আদেশমতে কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি মহোদয় ৬/১১/১৭ ইং তারিখে জেলা প্রশাসক বরাবরে বিস্তারিত প্রতিবেদন দাখিল করেন। উল্লেখ্য যে, প্রকল্প পরিচালক মহোদয় কর্তৃক কক্সবাজার পৌরসভার তদানীন্তন মেয়র বরাবরে ১৪/০৫/২০১৭ ইং তারিখে প্রেরিত ৬৫০২ নং পত্রে উল্লেখ করেন যে, “ভূ-উপরিস্থ পানি শোধনাগারের স্থান হিসেবে কক্সবাজার শহর থেকে আনুমানিক ৫ কিলোমিটার দূর দিয়ে প্রবাহিত বাঁকখালী নদীর কাছাকাছি স্থান অধিকতর উপযোগী হবে বলে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মতামত প্রদান করেছেন। স্থান যাচাইকালে ঝিলংজা মৌজায় অবস্থিত রাবার ড্যামের নিকটবর্তী নদীর পাড়ের স্থানটি যথাযথ বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।’’ পৌরসভার তদানীন্তন মেয়রের প্রস্তাবিত জমিটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের উপরোক্ত মন্তব্যের আলোকে যথাযথ হওয়া দেখে এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক বিষয় তদন্ত করে পৌরসভার তদানীন্তন মেয়রের প্রস্তাবিত ও সহকারী কমিশনার ভূমি মহোদয়ের তদন্তকৃত ২.১৯৫ একর জমিটি অধিগ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসন সুপারিশ করেন, সরকার কর্তৃক ঝিলংজা মৌজার জন্য নির্ধারিত মৌজা রেইট ও ভূমি অধিগ্রহণ আইনমতে ২.১৯৫ একর জমির মূল্য ও মতামত উল্লেখ করে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা ১৬/১১/২০১৭ ইং তারিখের ৩৯৯ নং পত্র সচিব মহোদয় স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় বরাবর প্রেরণ করেন। উক্ত মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মহোদয় অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাবিত জমির খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ করিয়া প্রস্তাবিত ২.১৯৫ একর জমি প্রশাসনিক অনুমোদনের বিষয় ১৯/১২/১৭ ইং তারিখের ১৬৯৯ নম্বর পত্রযোগে জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করেন। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মহোদয় উক্ত অনুমোদনমতে ভূমি অধিগ্রহণ প্রস্তাব প্রেরণ করার জন্য ০৪/০১/১৮ ইং তারিখের ০৪ নং পত্রযোগে কক্সবাজার পৌরসভার মেয়রকে অনুরোধ করেন। উক্তরূপ অবস্থায় ২৫/০৭/১৮ ইং তারিখে কক্সবাজার পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং আমি মেয়র নির্বাচিত হই। উল্লেখ্য, কক্সবাজার পৌর এলাকায় ভূ-উপরস্ত পানি শোধনাগার স্থাপন প্রকল্পের প্রত্যাশী সংস্থা হল জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। উক্ত বিষয়ে জনস্বাস্থ্য ও প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী কর্তৃক স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মহোদয় বরাবর প্রেরিত ২১/০১/২০ ইং তারিখের ৪৫৮৫ নম্বর স্মারকের পত্র আছে। ১৩/০৫/১৯ ইং তারিখে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের কক্সবাজার নির্বাহী প্রকৌশলীর কনফারেন্স রুমে সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় প্রকল্প পরিচালক মহোদয় সভাপতিত্ব করেন। সভায় প্রকল্পের পরিচালক মহোদয় পৌরসভার মেয়রকে অর্থাৎ আমাকে উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুতপূর্বক জায়গা নিশ্চিত করার বিষয়ে অনুরোধ করেন। প্রকল্প পরিচালকের অনুরোধ এবং কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ০৪/০১/১৮ ইং তারিখের ০৪ নং পত্রের অনুরোধমতে আমি ৩১/০৭/১৯ ইং তারিখে পৌরসভার পূর্ব মেয়রের প্রস্তাবিত ও ১৯/১২/১৭ ইং তারিখের ১৬৯৯ নম্বর পত্রযোগে অনুমোদিত ঝিলংজা মৌজার ২.১৯৫ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রস্তাব প্রেরণ করি। উক্ত প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং যথানিয়মে জমির অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়। উপরোক্তমতে কক্সবাজার পৌরসভার ভূ-উপরস্থ পানি শোধনাগার স্থাপনের জন্য অধিগ্রহণকৃত ২.১৯৫ একর জমি আমার দ্বারা নির্ধারিত নহে। উহা আমি পৌর মেয়র নির্বাচিত হওয়ার আগেই পূর্ববর্তী মেয়র কর্তৃক নির্ধারিত এবং স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক ১৯/১২/১৭ ইং তারিখের ১৬৯৯ নং পত্র সূত্রে অনুমোদিত। সুতরাং উক্ত প্রকল্পের জমি নির্ধারণে আমাকে তথাকথিত দূর্নীতির সাথে জড়িয়ে বিভ্রান্তিমূলক ও মানহানীকর সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। প্রকৃত তথ্য সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সংবাদ পত্রের প্রতিবেদকের অজ্ঞতা এবং আমার রাজনৈতিক শত্রুদের প্রতিহিংসামূলক কু-প্ররোচনা বলে আমি মনে করি। দৈনিক আজাদী পত্রিকার আলোচ্য সংবাদে ৪৭ শতক জমির ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনের যে তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে, সেই ৪৭ শতক জমি আগে আবদুল হাকিম মাঝি নামক ব্যক্তির ছিল। তার নামে আর.এস ১১১নং খতিয়ান প্রচার আছে। আবদুল হাকিম মাঝি ০৬/০৬/১৯৪১ ইং তারিখে ১৭৯০ নং রেজিষ্ট্রিকৃত কবলা দলিলমূলে ওই ৪৭ শতক জমি মেহের নেগা নামক এক মহিলাকে বিক্রয় করেন। মেহের নেগার নামে বি.এস ৭২০ নং খতিয়ান প্রচার হয়। মেহের নেগা ওই ৪৭ শতক জমি ২৫/০৯/১৯৮৩ইং তারিখের ৬৫৮৭ নম্বর রেজিষ্ট্রিকৃত দানপত্রমূলে মাহামুদা খাতুনকে দান করেন। মাহমুদা খাতুন উক্ত ৪৭ শতক জমি ১৪/০৩/২০০৫ ইং তারিখের ৬১৪ নং রেজিষ্ট্রিকৃত কবলা দলিলমূলে সাগরিকা হাউজিং সমবায় সমিতি লিমিটেডকে বিক্রি করেন। সাগরিকা হাউজিং সমবায় সমিতি লিমিটেডের নামে ১৪৯২৪ নং বি.এস খতিয়ান সৃজন হয়। সাগরিকা হাউজিং সমবায় সমিতি লিমিটেডের কর্মকর্তাগণ ২০/১২/১৮ ইং তারিখের ৪৯১৩ নং রেজিষ্ট্রিকৃত কবলা দলিলমূলে ওই ৪৭ শতক জমি মিজানুর রহমানকে বিক্রি করেন। ফলে মিজানুর রহমানের নামে বি.এস ১৬১০০ নম্বর খতিয়ান প্রচার হয়। মিজানুর রহমানের ক্রয়কৃত জমি অধিগ্রহণভূক্ত হওয়ায় তিনি ওই জমির ক্ষতিপূরণের টাকা গ্রহণ করেন। মিজানুর রহমান আমার স্ত্রীর ভাই সত্য বটে। কিন্তু তার জমি কেনার সাথে আমার কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। পৌরসভার পানি শোধনাগার স্থাপনের জন্য নির্বাচিত এলাকাটি কক্সবাজার পৌর অফিস থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে মিজানুর রহমান গং এর বসতবাড়ীর নিকটে অবস্থিত। তাছাড়া মিজানুর রহমান গং সহায় সম্পদশালী স্বচ্ছল পরিবারের সন্তান। মিজানুর রহমানও শিক্ষিত ব্যক্তি হন। তাদের পিতা মরহুম জনাব আবদুল গণি ঝিলংজা ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার ও চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন। মিজানুর রহমান গং ২ ভাই ২ বোন। বোনগণ বিবাহ উপলক্ষে শ্বাশুড় বাড়ীতে থাকলেও তাদের পৈত্রিক সহায় সম্পত্তি যৌথ ভোগ দখলে আছেন। সকল ভাই বোনের মধ্যে জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা হিসেবে মিজানুর রহমান সকলের পক্ষে কার্যকারক হিসেবে পারিবারিক দায়িত্ব পালন করেন। তাদের মালিকানাধীন অন্যান্য স্থাবর-অস্থাবর সহায় সম্পত্তি ছাড়াও শুধুমাত্র রেল লাইন সম্প্রসারন প্রকল্পে অধিগ্রহণভূক্ত জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ তারা প্রায় ৫ কোটিরও অধিক নগদ টাকা প্রাপ্ত হয়েছেন। কোন জমি বিক্রেতা স্বেচ্ছায় নিজ জমি বিক্রয় করলে মিজানুর রহমান বৈধ টাকায় নিজ ও ভাই বোনের স্বার্থে ওই জমি ক্রয় করতে আইনানুগ কোন বাঁধা নেই। জমি ক্রয়ের এবং ভোগ দখলের অধিকার সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকার হয়। পত্রিকার প্রতিবেদক মিজানুর রহমান কর্তৃক জমি ক্রয়ের মধ্যে ও দূর্নীতির উপাদান খুঁজেছেন। পত্রিকার প্রতিবেদনে যে মামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই মামলার বাদীগণ মামলার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে বেখবর অবস্থায় আছেন। তাই ১৯৮৬ ইং সালে দায়েরী মামলা অনিষ্পন্ন অবস্থায় পড়ে আছে। বাদীগণ অধিগ্রহণভূক্ত জমির ক্ষতিপূরণ আদান-প্রদান বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতে নিষেধাজ্ঞা আদেশ প্রার্থনা করেননি এবং বিজ্ঞ আদালত নিষেধাজ্ঞা প্রদানও করেননি। টাকা পরিশোধে বিজ্ঞ আদালতের নিষেধাজ্ঞা না থাকলে টাকা পরিশোধে আইনতঃ কোন বাঁধা নেই। উপরুন্ত মামলার বাদী খাতিজা খাতুন মিজানুর রহমানের ক্রয়কৃত জমির পূর্ব মালিক মাহমুদা খাতুনের বরাবরে ০৮/১০/১৯৮৪ ইং তারিখে লিখিতভাবে নাদাবী মুক্তিনামা প্রদান করেছেন। উপরোক্তমতে ১৩/০৯/২০ ইং তারিখের দৈনিক আজাদী পত্রিকার সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদক প্রকৃত বিষয় না জেনে আলোচ্য সংবাদটি প্রকাশ করেছেন। আমার রাজনৈতিক শত্রæরা সম্মানহানীসহ আমাকে লোক সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করার কু-অভিপ্রায়ে কয়েকটি অনলাইন মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে নানা প্রকার প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন। আমি কথিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা এবং জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পাশাপাশি ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং মিথ্যা সংবাদদ্বারা কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য পৌর এলাকার সকল জনগনসহ দেশবাসী ও প্রশাসনের প্রতি বিনীত অনুরোধ করছি।

আরও পড়ুন:  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. শিরীণ আখতার করোনায় আক্রান্ত

প্রতিবাদকারী :
মুজিবুর রহমান
মেয়র
কক্সবাজার পৌরসভা।

সাধারণ সম্পাদক
কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।