প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ

এবার বালিশ-পর্দার দুর্নীতির বিষয়গুলোর দিকে নজর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

115
পড়া যাবে: 3 মিনিটে

বুধবার রাজধানীর মতিঝিলের একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত এক কর্মশালায় পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানিয়েছেন, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পে বিভিন্ন পণ্য অস্বাভাবিক দামে কেনা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি বড় ধরনের সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে সরকারকে। এ বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নজরে আছে।

‘বুড়িগঙ্গা, তুরাগ, শীতলক্ষা ও বালু নদীর উচ্ছেদকৃত তীরভূমিতে পিলার স্থাপন, তীররক্ষা, ওয়াকওয়ে ও জেটিসহ আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট স্টেকহোল্ডারদের নিয়ে আয়োজিত কর্মশালায় যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশনা সম্পর্কে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘প্রকল্পে আপনি চেয়ার, টেবিল, চাবি যাই কিনুন না কেন, মূল্য সম্পর্কে আপনাকে সাবধান হতে হবে। কারণ গণমাধ্যমে বালিশের দাম, পর্দার দাম, কী সব! প্রধানমন্ত্রীর নজরে এসব আছে।’

আরও পড়ুন:  ভারতে চারদিনের সরকারি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান

এম এ মান্নান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, প্রতিটি আইটেম আপনি দেখবেন বসে বসে। গাড়ির ব্যবহার, আমাদের চেলাফেরা– প্রতিটি বিষয়ে আমাদেরকে নতুন ধরনের আচরণ (এটিটুড) নিয়ে কাজ করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর সময়ানুবর্তিতার দিকে ইঙ্গিত দিয়ে এম এ মান্নান বলেন, ‘অনেক প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি আমাদের চাকরি জীবনে পার করে এসেছি। এই একনেক সভা তখনও ছিল। কিন্তু প্রায়ই সভা হতো না। মাসের পর মাস সভা হতো না। আইনগতভাবে যিনি একনেকের চেয়ার (সভাপতি), তিনি মাসের পর মাস আসতেন না।

যিনি দ্বিতীয় বা তৃতীয় ব্যক্তি, তাকে তার পক্ষে এটি চালাতে হত। সকাল ১০টার সভা দুপুর ৩ থেকে ৪টা পর্যন্ত তীর্থের কাকের আমলারা বসে আছেন, শুরুই হয় নাই। অথচ গত ৭ বছর যাবত আমি একনেকে আছি, একটি সভাও দেরিতে শুরু হয় নাই। এর ব্যতিক্রম হয় একমাত্র রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে, সেটাও আবার আগেই জানিয়ে দেয়া হয়।’

আরও পড়ুন:  এবার অ*নৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছাত্রলীগের ২৭৩ জনের তালিকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 778
    Shares