প্রচ্ছদ উদ্যোক্তা

বিদেশ যেতে লাখ লাখ টাকা ব্যয় না করে ছাগলের খামারে বেশী আয় সম্ভব!

47
বিদেশ যেতে লাখ লাখ টাকা ব্যয় না করে ছাগলের খামারে বেশী আয় সম্ভব!
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বিদেশ যেতে লাখ লাখ টাকা ব্যয় না করে ছাগলের খামারে বেশী আয় সম্ভব!

দিনাজপুরের হিলির বাগদোর গ্রামে ছাগলের খামার করে স্বাবলম্বী হয়েছেন শাহাদৎ হোসেন সাদো। ৬০ টি দেশী ছাগল নিয়ে শুরু করেন ছাগলের খামার। এক বছরে ৬০ টি ছাগল থেকে ১০০ টি ছাগল বিক্রি করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। লাভজনক হওয়ায় এলাকার অনেক বেকার যুবকরা অনুপ্রেরিত হচ্ছে ছাগল খামার করতে।

শাহাদৎ হোসেন সাদো জানান, প্রথমে আমি আমার এলাকার এক বৃদ্ধা মহিলার মাধ্যমে অনুপ্রেরিত হয়েছি এই ছাগল খামার করতে। বৃদ্ধা এসে আমকে বলেন বাবা আমার দুইটি ছাগল আছে তা থেকে এক বছরে ৮ টি ছাগল হয়েছে। তার কথা শুনে আমার আগ্রহ জাগল এবং আমি ভেবে দেখলাম ছাগল পালন করে নিজেকে স্ববলম্বী করতে পারবো।

তখন আমি এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে ৬০ টি দেশী ছাগল কিনে আনি। শুরু হয় আমার ছাগল খামার। নিজ বসত বাড়িতে অনেক জায়গা থাকায় বাড়ির ভেতরে ছাগল রাখি। বাড়ির সকল সদস্যসহ আমি ছাগলগুলোর যতœ নেয়। বাড়িতে খড় কাটার মেশিন বসায়। মেশিন দিয়ে খড়গুলো ছোট করে খৈল ভুষি পানি দিয়ে মিশিয়ে ছাগলগুলোকে খাওয়ায়। এক বছরের মধ্যে ছাগলগুলো একটি- দুইটি করে বাচ্চা দিতে শুরু করে। তা থেকে এখন প্রায় ১০০ বাচ্চা দিয়েছে।

আরও পড়ুন:  দুটি চিকিৎসা সরঞ্জাম আমদানী দিয়ে শুরু করে এখন প্রমিক্সো শিল্পপার্ক মালিক

তিনি আরও জানান, বর্তমান দেশী ছাগল ছাড়াও ৮ টি ভারতীয় রাজস্থানী ও তোতা জাতের ছাগল খামারে রেখেছি। ছাগলগুলোর মাঝে মধ্যে পিপিআর, পাতলা পায়খানা, জ্বর, স্বর্দি রোগ হয়ে থাকে। এই সব রোগে আক্রমন হলে হাকিমপুর উপজেলা পশু হাসপাতালের চিকিৎসা করি। বিশেষ করে আমি ইউটিউবে থেকে সার্চ দিয়ে ছাগলের বিভিন্ন রোগ এবং প্রতিকার দেখি।

ইউটিউবের নির্দেশনা মোতাবেক নিজে ছাগলের চিকিৎসা দেই। তবে মাসে প্রায় চার থেকে পাঁচবার উপজেলা পশু হাসপাতালের পশু ডাক্তার এসে আমার খামার পরিদর্শন করে সুপরামর্শ ও চিকিৎসা দেবার ব্যবস্থা করে যায়। তার মতে বেকার যুবকদের জন্য ছাগলের খামার একটি লাভজনক ব্যবসা। বিদেশে লাখ লাখ টাকা ব্যয় না করে দেশে যদি একটি ছাগল খামার করে তাহলে তারা অল্প সময়ের মধ্যে স্বাবলম্বী হতে পারবে।

আরও পড়ুন:  অল্প পুঁজির লাভজনক ৩২ ব্যবসা!

হাকিমপুর উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডাঃ আব্দুস সামাদ জানান, শাহাদৎ হোসেন সাদোর ছাগলের খামারটি প্রানি সম্পদ অফিসের পক্ষ থেকে নিয়মিত পরিদর্শন করা হয়। প্রানি সম্পদ অফিস ছাগলের উৎপাদন বাড়াতে, ছাগলের রোগ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। সাদোর মতো এলাকার অন্যান্য বেকার যুবকেরা ছাগলের খামার করতে উৎসাহী হলে কর্মস্থানের সৃষ্টি হবে। বেকারত্ব দুর হবে। তিনি বেকারত্ব ঘোচাতে ছাগলের খামার করতে বেকার যুবকদের উদ্বুদ্ধ হওয়ার আহব্বান জানান। তথ্যসূত্র: ইন্টারনেট।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 44
    Shares