প্রচ্ছদ বাংলাদেশ রাজনীতি

‘ইট ইজ ডিউটি অব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী’ ক্যা*সিনো প্রশ্নে ক্ষিপ্ত হয়ে গণমাধ্যমকে মেনন

139
পড়া যাবে: 4 মিনিটে

ক্যা*সিনো নিয়ে প্রশ্ন করতেই সাংবাদিকদের ওপর চ*টে গেছেন সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন। গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর ফকিরাপুলে ইয়ংমেন্স ক্লাবের ক্যা*সিনোতে অভিযান চালানো হয়। ওই ক্লাবটির গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান রাশেদ খান মেনন।

শুরুতে তিনি বলেছিলেন ক্লাবটিতে ক্যা*সিনো চালানোর কথা জানতেন না তিনি। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান যে, ক্লাবের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান হয়েও ক্যা*সিনোর বিষয়ে না জানা নিজের ব্যর্থতা কিনা।

এই প্রশ্নে প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে যান মেনন। ‘আমার অনুশোচনা হবে কেন? ইট ইজ নট মাই ডিউটি। ইট ইজ ডিউটি অব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।’ গত বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ক্যা*সিনোকা*ণ্ড নিয়ে সাংবাদিকরা মেননের মুখোমুখি হলে এমন কাণ্ড ঘটান তিনি।

মেনন বলেন, আমি ক্লাবের চেয়ারম্যান। আমি কি তা অস্বীকার করছি? আমি কখনো কোনো দায়িত্বে ছিলাম না, এখনো নেই। যেদিন ক্লাবটি ওপেন করেছি শুধু সেদিন গেছি। আর কোনোদিন যায়নি। যাওয়ার কোনো স্কোপই নাই।

আরও পড়ুন:  নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের লক্ষ্যে সরকারের চার দফা পদক্ষেপ

এমপি হিসেবে নিজের এলাকার কোথায় কি হচ্ছে না হচ্ছে তা জানার প্রয়োজন আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাজ। আমার সংসদীয় এলাকায় তো ডা*কাত আছে, খু*নি আছে, স*ন্ত্রাসী আছে। তার দায় দায়িত্ব কি আমাকে নিতে হবে! এটা তো এমপির দায়িত্ব না।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর ফকিরাপুলে ইয়ংমেন্স ক্লাবের ক্যা*সিনোতে অভিযান চালানো হয়। এতে নারী পুরুষসহ ক্যা*সিনোতে থাকা ১৪২জন আ*টক হন। পাশাপাশি বিপুল পরিমান টাকা ও ম*দ জ*ব্দ করা হয়।

এদিকে খালেদ অনেক প্রভাবশালী নেতা এবং এমপির নাম বলেছেন। যাদেরকে তিনি নিয়মিত ক্যা*সিনো থেকে উপার্জিত টাকার ভাগ দিতেন। গোয়েন্দা সূত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে যে, খালেদকে জিজ্ঞাস করা হয়েছিল রাশেদ খান মেননকে কিভাবে ক্যা*সিনোর সভাপতি করা হয়েছে? জানা গেছে যে, এর জবাবে খালেদ বলেছেন যে, যেহেতু তিনি স্থানীয় এমপি সেজন্য তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:  ‘সরকারের ছত্রচ্ছায়ায় বহু আগেই গড়ে ওঠে এ ধরনের অ*বৈধ ক্যা*সিনো’ মুখ খুললো জামায়াত

ক্লাব চালানোর জন্য ক্যা*সিনো প্রয়োজন বলে তিনি জানিয়েছেন। এমনকি যখন নতুন নতুন কিছু ক্যা*সিনো সামগ্রী এসেছে, সেটাও রাশেদ খান মেননকে অবহিত করা হয়েছে বলে খালেদ গোয়েন্দাদের জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রাশেদ খান মেননকে খালেদ প্রতিমাসে মাসোয়ারা দিতেন। চেয়ারম্যান হিসেবে এটা তার পারিশ্রমিক ছিল। এটা কত জানতে চাওয়া হলে খালেদ জানান, কোন মাসে দুই লাখ টাকা। কোন মাসে দেড়লাখ টাকা।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 180
    Shares