প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

যারা ধূ’মপা’ন করেন তা’দের জন্য ব’ড় দুঃ’সং’বা’দ।

67
যারা ধূ’মপা’ন করেন তা’দের জন্য ব’ড় দুঃ’সং’বা’দ।
পড়া যাবে: < 1 minute

অধূমপায়ী ব্যক্তির তুলনায় ধূমপায়ী ব্যক্তির করো’নাভাই’রাস আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার ঝুঁ’কি ১৪ গু’ণ বেশি। তামাক সেবনে বিশ্বে প্রতি ছয় সেকেন্ডে একজন মৃ’’ত্যুবরণ করে। এর মধ্যে করো’নার থাবা ধূমপায়ী, মা’দকসেবীদের সামনে মৃ’’ত্যুদূত হিসেবে হাজির হয়েছে। এই ঝুঁ’কির মধ্যেই গতকাল পালিত হলো বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস।

ধূমপানবিরোধী সংগঠন মানসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক ডা. অরূপ রতন চৌধুরী বলেন, চীনে হাসপাতা’লে ভর্তি ২০০ জন করো’না আ’ক্রা’ন্ত রোগীর ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপায়ী, মা’দকসেবী ব্যক্তিরা বেশি করো’না আ’ক্রা’ন্ত হয়েছেন। কারণ ধূমপানের কারণে তাদের ফুসফুস আগে

থেকেই ক্ষ’তিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কম ছিল। যারা ই-সিগারেট, সিসা খায় তাদের ফুসফুস বেশি দুর্বল থাকে। তিনি বলেন, ধূমপানের ফলে ৭ হাজার রাসায়নিক পদার্থ উৎপন্ন হয়।

আরও পড়ুন:  খুব কম সম’য়ে ৫-১০কেজি ও*জ’ন ক’মা*নো’র স’হ’জ উ’পা’য়

এর মধ্যে ৭০টি সরাসরি ফুসফুসে প্রবেশ করে। এ জন্য তাদের ফুসফুস আগে থেকেই সংক্রমিত। তাই তাদের করো’নাভাই’রাস

আ’ক্রা’ন্ত হওয়ার ঝুঁ’কি অধূমপায়ীদের তুলনায় ১৪ গু’ণ বেশি। তাদের মৃ’’ত্যুর হারও বেশি। এ জন্য শুধু মাস্ক, গ্লাভস পরে সাবান দিয়ে হাত ধুলে হবে না। জীবন ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনতে হবে।

জানা যায়, বছরে প্রায় ৯০ লাখ লোক তামাকজনিত রোগে আ’ক্রা’ন্ত হয়ে মা’রা যায়। এর মধ্যে ৮০ লাখ মা’রা যায় প্রত্যক্ষভাবে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য গ্রহণের ফলে। আর ১০ লাখ মা’রা যায় ধূমপায়ীর পাশে থেকে অর্থাৎ পরোক্ষভাবে ধূমপানের ফলে।

সারা বিশ্বে তামাক ব্যবহারজনিত রোগ, প’ঙ্গু’ত্ব, অক্ষমতা ও মৃ’’ত্যুর কারণে ব্যয়িত অর্থের পরিমাণ ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন মা’র্কিন ডলার।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘তামাক কোম্পানির কূটচাল রুখে দাও, তামাক ও নিকোটিন থেকে তরুণদের বাঁ’চাও’।

আরও পড়ুন:  শা’রী’রিক সমস্যায় ম্যাজিকের মতো কাজ করে এই একটি মাত্র উপাদান…

বিশেষজ্ঞদের মতে, তামাক মানবদে’হের জন্য একটি ভ’য়’ঙ্কর বি’ষাক্ত পদার্থ। মানবদে’হের জন্য বিভিন্ন ক্ষ’তিকর পদার্থ তামাক এবং

তামাকজাত দ্রব্যের মধ্যে বিদ্যমান। সিগারেটে প্রায় সাত হাজারেরও বেশি ক্ষ’তিকর রাসায়নিক পদার্থ থাকে, যা বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি করে।

আর ৭০টি ক্ষ’তিকর রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি ক্যান্সার সৃষ্টিতে সক্ষম। নিকোটিন, কার্বন মনোক্সাইড, হাইড্রোজেন সায়ানাইড, বেনজোপাইরিন, ফরমালডেহাইড, অ্যামোনিয়া, পোলোনিয়াম-২১০ এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares