প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ জি*জ্ঞাসাবা*দে চাঞ্চল্যকর তথ্য ,বর্তমান ও সাবেক ৭ মন্ত্রী ও ২৩ জন এমপি...

জি*জ্ঞাসাবা*দে চাঞ্চল্যকর তথ্য ,বর্তমান ও সাবেক ৭ মন্ত্রী ও ২৩ জন এমপি শামীমের বিজনেস পার্টনার

364
পড়া যাবে: 6 মিনিটে
advertisement

গো*য়েন্দা সংস্থার কাছে জি*জ্ঞাসাবা*দে জি কে শামীম বলেছেন যে, বর্তমান ও সাবেক ৭ মন্ত্রী এবং ২৩ এমপিকে তিনি নিয়মিত টাকা দিতেন। তারা ছিল শামীমের ‘বিজনেস পার্টনার’। বিভিন্ন টে*ন্ডারকা*জের জন্য তারা সরকারের উচ্চমহলে তদবির করতেন এবং কাজ পাইয়ে দিতে সাহায্য করতেন।

advertisement

এর বি*নিময়ে তারা মোটা অংকের কমিশনও পেতেন। জি কে শামীম জানিয়েছে, যখনই একটি টেন্ডার হতো বা একটি কাজের প্রক্রিয়া শুরু হতো তখন তিনি ঐ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব বা সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে প্রথমে যোগাযোগ করতেন। তাদের স*ঙ্গে বৈ*ঠক করতেন, এই কা*জটি পেলে কে কত ভাগ পাবে তা নির্ধারিত হতো। তারপর এই টেন্ডার প্রক্রিয়ায় জি কে শামীম অংশগ্রহণ করতো।

গো*য়েন্দা সংস্থা*র কাছে রি*মান্ডে জি*জ্ঞাসাবা*দে জি কে শামীম স্বীকার করেছেন যে, শুধুমাত্র গ*ণপূর্ত ম*ন্ত্রণালয়ই নয়, অন্যান্য অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানেও কাজ করেছেন জি কে শামীম। এ সমস্ত ম*ন্ত্রণালয়ের কাজ করার জন্য মন্ত্রী এবং এমপিদের সহযোগিতা প্রয়োজন হতো। শামীম যে ৭ জন মন্ত্রীর নাম বলেছেন, তাদের মধ্যে ৩ জন বর্তমান মন্ত্রী।

তারা ম*ন্ত্রী হওয়ার আগে থেকে জি কে শামীমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছিল। বিভিন্ন সময়ে তারা জি কে শামীমের কাছ থেকে সাহায্য সহযোগিতা নিয়েছেন। আর যে ২৩ জন এমপি, তারা গতবারেও এমপি ছিলেন, এবারেও এমপি আছেন। তাদের সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জি কে শামীমের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলে শামীম জানিয়েছে।

আরও পড়ুন:  শামীমের অ*বৈধ লেনদেনের খাতায় যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও প্রভাবশালী অনেক রাজনৈতিক নেতার নাম

জি কে শামীম জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানিয়েছে যে, অন্তত ৪০-৫০ কোটি টাকা তিনি বিভিন্ন রা*জনৈতিক ব্য*ক্তিকে অনুদান দিতেন। এই অনুদানের টাকা কেবল আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরাই নন, বিএনপির প্র*ভাবশালী নেতারাও পেতেন। জি কে শামীমের একটি ডায়রিও গোয়েন্দা সংস্থা জব্দ করেছে।

সেই ডায়রিতে কাকে কত টাকা মাসে দিতে হবে সেই হিসাবও রয়েছে। সেখানে আরও কিছু চা*ঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। অনেক প্র*ভাবশালী ম*ন্ত্রীকেও নিয়মিত মা*সোহারা দিতেন। মন্ত্রীদের জন্য একরকম রেট, সচিবদের জন্য একরকম রেট এবং এমপিদের জন্য আরেকরকম রেট নির্ধারিত ছিল। তবে জি কে শামীম সবচেয়ে বেশি টাকা দিতো টেন্ডারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী বা প্রকল্প কর্মকর্তাদের। এদের সঙ্গেই জি কে শামীমের দহরম মহরম অনেক বেশি ছিল।

শুধু দেশে নয়, বি*দেশেও জি কে শামীম সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং ব্যাংককে জি কে শামীমের বিপুল পরিমাণ অর্থ সম্পদ রয়েছে। প্রভাবশালী রাজনৈতিকরা যখন সেসব দেশে যেতো, সেখানেও অনুদানের টাকা তাদের কাছে পৌঁছে যেত।

জিজ্ঞাসাবাদে শামীম আরও বলেছেন যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ব্যাংককে চিকিৎসার একটি বড় অংক জুগিয়েছিলেন তিনি। এর আগে জি*জ্ঞাসাবা*দে জি কে শামীম জানিয়েছিলেন যে, তারেক জিয়াকে মাসে মাসে তিনি ১ কোটি টাকা করে দিতেন। গো*য়েন্দা সংস্থা এই বক্তব্য যাচাই করে বক্তব্যের সত্যতা পেয়েছে।

আরও পড়ুন:  জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা গেল গডফাদারের নাম, মির্জা আজমের দুঃখ প্রকাশ

শা*মীমকে জি*জ্ঞাসাবা*দ করছে এমন একজন আইন প্র*য়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জি কে শামীম একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করতো। কোনো টে*ন্ডারই যেন হাতছাড়া না হয়ে যায়, সেজন্য যা যা করা দরকার তার সবকিছুই শামীম করতো।

এখন শা*মীম মুখ খুললেও যারা তাকে বিভিন্ন সময়ে সহযোগিতা করেছে, যারা বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা নিয়েছে- তারা এখন জি কে শামীমের কথা অস্বীকার করছে। এমনকি তারা যে জি কে শামীমকে চেনে সেটাও স্বীকার করছে না। ফলে গোয়েন্দা সং*স্থাগুলোকে অনেক ধীরেসুস্থে এগোতে হচ্ছে এবং তথ্যপ্রমাণ নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে।

এ*কজন আ*ইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তা বলেছেন, যে*সব ব্যক্তিদের নাম জি কে শামীমের কাছ থেকে পাওয়া যাচ্ছে তারা সবাই প্র*ভাবশালী। কাজেই যথাযথ তথ্যপ্রমাণ ছাড়া তাদের নাম প্রকাশ করা একটি বি*পত্তির ব্যাপার। এজন্যই এ ব্যাপারটিতে ‘ধীরে চলো নীতিতে’ এবং তথ্যপ্রমাণ যোগাড়ের দিকেই বেশি মনোযোগ দিচ্ছে আইন প্র*য়োগকারী সংস্থা।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 768
    Shares
advertisement