প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

নি’য়মি’ত ঘি খেলে শ*রী*রে*র রো*গ প্র*তি*রো*ধ ক্ষ*ম*তা বাড়ে।

20
নি’য়মি’ত ঘি খেলে শ*রী*রে*র রো*গ প্র*তি*রো*ধ ক্ষ*ম*তা বাড়ে।
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

ঘি (Ghee) ভারতীয় উপমহাদেশে উদ্ভূ’ত হওয়া পরিশোধিত মাখন।[১] খাবারের স্বাদ- গন্ধ বৃ’দ্ধিতে ঘি (Ghee) এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী রান্নায় বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে

ঘি এর কদর ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বত্র। বাংলার বহু রান্নায়, মূলত গু’রুপাক খাবারে ঘি (Ghee) ব্যবহৃত হয়ে খাদ্যরসিক বা’ঙ্গালির রসনার তৃ’প্তি ঘটিয়ে আসছে। পোলাও, বিরিয়ানিতে ঘি একটি অত্যাব’শ্যক উপকরণ। এছাড়াও নানান রকম ভর্তা ও ভাজিতেও ঘি তার চমৎকার গন্ধের জন্যে সমা’দৃত।

পঞ্জাবের রেস্তোরা গু’লোতে সেখানকার ঐতিহ্যবাহী খাবার তৈরিতে ঘি (Ghee) এর বিপুল ব্যবহার হয়। আবার নান ও রুটি সেঁকার পর এর ওপর ঘি এর প্রলেপ দেওয়া হয়। বিভিন্ন রকম মিষ্টান্ন, হালুয়া, লাড্ডু ইত্যাদি প্রস্তুতিতে ঘি ব্যবহৃত হয়।

অনেকেই ঘি (Ghee) খেতে পছন্দ করেন না। ঘি (Ghee) এড়িয়ে চলেন ওবেসিটি, কোলেস্টেরল বাড়ার ভয়ে। ভারতের পুষ্টিবিজ্ঞানী রুজুতা দিয়েকর বলছেন, ঘি খেলেই মোটেই ওজন বা কোলেস্টেরল বাড়ে না।

বরং ডায়াবেটিস, হাই ব্লাড প্রেসারের মতো সমস্যা কমে। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে অর্থাৎ সকালে, দুপুরে, বিকেলে বা রাতে খাবার পাতে ঘি থাকলে এই দুই সমস্যা ছাড়া আরও নানা সমস্যার সমাধান হবে। যেমন- হদরোগ, কোষ্ঠকাঠিন্য, হজমের সমস্যা, ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম কমবে ঘি (Ghee) খেলে।

আরও পড়ুন:  রোগ জীবাণু দূর করতে জোয়ানের আশ্চর্যজনক উপকারিতা

ঘি খেলে কী উপকার পাবেন, জেনে নিন-

# নিয়মিত ঘি খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। বিশেষ করে ঋতু পরিবর্তনের সময় চট করে রোগ-জীবাণু আপনাকে কাবু করতে পারবে না।

# দুপুরে ভাতের পাতে ঘি (Ghee) খেলে পেট ভরা থাকে অনেকক্ষণ। ফলে বিকেলে জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ইচ্ছেটাও আস্তে আস্তে কমে যায়। খাওয়ার পর অনেকেরই ঘু’ম পায়। পাতে রোজ ঘি (Ghee) খেলে সেই সমস্যাও কমে।

# রাতে নিয়মিত ঘি খেলে ঘু’ম ভালো হয়। তাছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও কমে। খাবার হজম হয় ঝটপট।

# যারা কোলেস্টেরল বা হাই ব্লাড প্রেসারের রোগী তারাও সমস্যা কমাতে রোজ নিশ্চিন্তে ঘি (Ghee) খেতে পারেন। নিয়মিত ঘি খেলে লিপিড প্রোফাইল কমে। গু’ড কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ে।

# কতটা ঘি খাবেন সেটাও অবশ্যই বিবেচ্য। যতটা ঘি দিলে খাবারের স্বাদ নষ্ট না হয় ততটা পর্যন্ত ঘি (Ghee) রান্নায় বা পাতে দিতেই পারেন। তবে প্রত্যেকের ৩-৬ চামচ ঘি রোজ খাওয়া উচিত।

আরও পড়ুন:  ইসলামের তিনটি বি’ধান মেনে চলেলে ক’খনো ডা’য়া’বে’টিস হবে না।

# দেশি গরুর দুধ থেকে বানানো গাওয়া ঘি খাওয়া বেশি উপকারি। বাড়িতে ঘি তৈরি করে নিতে পারলে আরও ভালো।

# বাইরে অনেক সময়েই দোকানে অর্গানিক মাখন পাওয়া যায়। তার থেকে বেশি উপকারি দেশি গরুর দুধ থেকে বানানো দুধের প্রোডাক্ট।

# যাদের ঠাণ্ডার সমস্যা তারা সারা বছরই কম-বেশি বন্ধ নাকের সমস্যায় ভোগেন। আয়ুর্বেদ বলছে, রোজ ঘু’ম থেকে ওঠার পর দু-তিন ফোঁটা ঘি গরম করে নাকে দিয়ে টানলে এই সমস্যা থেকেও রেহাই মিলবে।

# এনার্জি লেভেল একদম তলানিতে? তাহলে পাতে ঘি থাক রোজ। এর মধ্যে থাকা ফ্যাটি অ্যাসিড এনার্জি এবং শরীরের নির্দিষ্ট তাপমাত্রা বজায় রাখে। এতে সবসময়েই আপনি থাকবেন চনমনে।

# গরম গরম রুটির গায়ে ঘি মাখিয়ে রাখলে রুটি থাকবে নরম। খেতেও হবে সুস্বাদু। হজম হবে তাড়াতাড়ি।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares