প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ ডজনখানেক পুলিশ সদস্য ক্যা*সিনো*তে জু*য়া খেলে দিনের পুরোটা সময় ব্যস্ততায় কাটত

ডজনখানেক পুলিশ সদস্য ক্যা*সিনো*তে জু*য়া খেলে দিনের পুরোটা সময় ব্যস্ততায় কাটত

84
ক্যা*সিনোবি*রোধী অ*ভিযান
ক্যা*সিনোবি*রোধী অ*ভিযান
পড়া যাবে: 5 মিনিটে
advertisement

রা*জধানীর বেশ কয়েকটি ক্যা*সিনোতে নি*য়মিত যেতেন পুলিশ সদস্যরাও। সেখানে তারা প্রায়ই খেলায় থাকতেন মত্ত। ক্যা*সিনোবি*রোধী অ*ভিযান শুরুর পর থেকেই এসব তথ্য বেরিয়ে আসতে থাকে। টাকা আ*দায়ের পাশাপাশি এমন অন্তত ড*জনখানেক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ক্যা*সিনো খেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে দুজন পুলিশ সদস্যকে বরখাস্তও করা হয়েছে।

advertisement

বাকিদের বিরুদ্ধে ত*দন্ত এখনো চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র এসব তথ্য দিয়ে বলেছে, পুলিশের না*কের ড*গায় কীভাবে এসব ক্যা*সিনো চলছিল এ নিয়ে যখন সর্বমহলে নানা প্রশ্ন ওঠে, তখনই ক্যা*সিনো-সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের নাম ফাঁ*স হতে থাকে। নেপালিদের পালাতে সহায়তার একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ হয়ে পড়লে তোলপাড় শুরু হয় পুলিশে ও প্র*শাসনে।

ত*দন্ত শুরু হয় পুলিশের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (ডিসি-মিডিয়া) মাসুদুর রহমান  লেন, ‘পুলিশ সদস্যদের ক্যা*সিনো*তে জ*ড়িত থাকার বিষয়টি অনুসন্ধান চলছে। আর পুলিশের যে-কেউ কোনো অ*পরাধের সঙ্গে জ*ড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া আমাদের নিয়মিত কাজের অংশ।

তবে ক্যা*সিনো*র সঙ্গেও কারও সম্পৃক্ততা পেলে তার বিরুদ্ধে শা*স্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ জানা যায়, রাজধানীর ক্যা*সিনো ব্য*বসায়ী নেপালিদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা রমনা থানার কনস্টেবল দীপঙ্কর চাকমা ক্যা*সিনোতে*ই পড়ে থাকতেন। জু*য়া খেলে দিনের পুরোটা সময় ব্যস্ততায় কাটত তার।

আরও পড়ুন:  পাপনের ক্যা’সিনো খেলার ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

ক্যা*সিনোবিরো*ধী অভিযান চলার সময় সেগুনবাগিচার একটি ভবন থেকে ১৫ নেপালিকে পালাতে সহায়তাও করেন তিনি। ওই ঘটনার পর থেকে দীপঙ্করের জু*য়ার নে*শার তথ্য বেরিয়ে আসতে থাকে। পুলিশের সূত্র জানায়, এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না দীপঙ্করের।

২৮ আগস্ট দীপঙ্কর ছুটিতে গিয়েছিলেন। ছুটির পর ৩ সেপ্টেম্বর তার থানায় রিপোর্ট করার কথা ছিল। কিন্তু তিনি তা করেননি। ১৫ তারিখে যোগদানের কথা বলে তাকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। তবু যো*গদান না করলে তাকে ১৭ সেপ্টেম্বর সা*ময়িক ব*রখাস্ত করা হয়। এর আগে ১৬ আগস্ট রাতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি পশ্চিম বিভাগ) সহকারী কমিশনার (এসি) মজিবর রহমানের কক্ষের ড্রয়ার ভেঙে ৫ হাজার পি*স ই*য়াবা চু*রির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় রমনা থানায় একটি মা*মলা করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক শাহাবুদ্দিন খলিফা। পরে চু*রির অভিযোগে ২০ আগস্ট ক*নস্টেবল সোহেল রানাকে (৩৮) গ্রে*ফতার করা হয়। এরপর গোয়েন্দা পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে, সোহেল অনেক জু*য়া খে*লতেন। খেলার জন্য ক্যা*সিনো*তে আসা-যাওয়াও ছিল তার। আর জু*য়ার টাকা জোগাড় করতেই তিনি ই*য়াবা চু*রি করেছিলেন বলে প্রাথমিক জি*জ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন। জানা যায়, কনস্টেবল সোহেল রানা ১৮ বছর ধরে পুলিশে চাকরি করে আসছেন। কয়েক বছর ধরে তিনি ডিবি কার্যালয়ের উত্তরা জোনাল টিমের অধীনে কর্মরত ছিলেন।

আরও পড়ুন:  সম্রাটকে জি’জ্ঞাসাবা’দের পর এবার ঢাকা উত্তর সিটির কাউন্সিলর ‍ও যুবলীগ নেতা রাজীব গ্রে’প্তার

তার বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুরের কাকনা গ্রামে। ডিবি উত্তর বিভাগের উত্তরা জোনাল টিমের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) বদরুজ্জামান জিল্লু জানান, ই*য়াবা চু*রির ঘ*টনায় নিয়মিত মা*মলা হওয়ার পরই সোহেলকে সা*ময়িক ব*রখাস্ত করা হয়েছে। সূত্র জানায়, অ*বৈধ ক্যা*সিনো ও জু*য়া থেকে লা*ভবান হওয়া আ*ইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের তালিকা প্রস্তুত হচ্ছে। ক্যা*সিনো ব*ন্ধ অ*ভিযানে যাদের গ্রে*ফতার করা হয়েছে, তাদের জি*জ্ঞাসাবাদে*র ভি*ত্তিতে এই তালিকা করা হবে।

ডজনখানেক পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ক্যা*সিনোতে নিয়মিত যাতায়াতের তথ্য পাওয়া গেছে। ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে জু*য়া-ক্যা*সিনো ব*ন্ধে অ*ভিযান শুরু হয়। ২১টি ক্লাব, ৪টি বার, যুবলীগ নেতার ৩টি বাসা ও ১টি দফতরে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮টি মা*মলা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব। মা*দক, অ*স্ত্র ও মা*নি ল*ন্ডারিং* আ*ইনে এসব মা*মলা হয়েছে।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 365
    Shares
advertisement