প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ চাঞ্চল্যকর তথ্য, ঢাকা থেকে দুই পিকআপে বস্তা ভর্তি টাকা গেছে চট্টগ্রামের দিকে!

চাঞ্চল্যকর তথ্য, ঢাকা থেকে দুই পিকআপে বস্তা ভর্তি টাকা গেছে চট্টগ্রামের দিকে!

113
পড়া যাবে: 5 মিনিটে
advertisement

গত ১৮ সেপ্টেম্বর ক্যা*সিনোবি*রোধী অ*ভিযান শুরু হওয়ার দুই দিন পর দুই পি*কআপ ভর্তি টাকা গেছে চট্টগ্রামের দিকে! গোয়েন্দাদের অনুসন্ধানে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে। এই টাকা কোথায় গেছে, কার টাকা, এখন কী অবস্থায় আছে- সব কিছু উদঘাটনের চেষ্টা করছে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা।

advertisement

হু*ন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পা*চার করার আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অ*ভিযান শুরু হওয়ায় দু*র্নীতিবা*জ নে*তারা এখন বে*কায়দায়। এমন পরিস্থিতিতে পড়তে হবে এটা তাদের ধারণাতেই ছিল না। তাই অনেকে বস্তায় ভরে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন গ্রামের বাড়িতে, আত্মীয়-স্বজনদের কাছে।

সম্প্রতি একজন প্রকৌশলী কয়েক বস্তা টাকা তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে রাখতে যান। কিন্তু ঐ আত্মীয় রাখতে রাজি হননি। জানা গেছে, অবৈধ টাকা রাখার জায়গা খুঁজে পাচ্ছে না অ*বৈধ ক্যা*সিনো প*রিচালনা, দু*র্নীতি, মা*দক, টে*ন্ডারবা*জি ও চাঁ*দাবা*জির সঙ্গে জড়িত এক শ্রেণির রা*জনৈতিক নেতা।

কয়েক শত কোটি টাকা নিয়ে তারা বিপাকে পড়েছেন। সূত্র জানায়, উল্লিখিত দুই পিকআপ ভর্তি টাকা খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া কিংবা এমন এক নেতার হতে পারে যার নামের আদ্যক্ষর ‘স’। গোয়েন্দারাও এমনটি ধারণা করছেন। সম্প্রতি অভিযানে গ্রে*ফতারকৃ*তদের মধ্যে খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ও ‘স’ আদ্যক্ষরের ঐ নেতার টাকা সবচেয়ে বেশি।

আরও পড়ুন:  আওয়ামী লীগ নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতায় ১২ জেলায় ক্যা*সিনো, শুরু হচ্ছে অভিযান

রাজনীতির নামে দু*র্নীতি, চাঁ*দাবাজি, পে*শিশক্*তির প্রয়োগসহ যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলার বিরুদ্ধে জি*রো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই ধারাবাহিকতায় চলছে শুদ্ধি অভিযান। এ অভিযানের ফলে দীর্ঘদিন ধরে অপকর্ম করে দলের ইমেজ ক্ষুণ্নকারী নেতাকর্মীরা আছেন ‘দৌড়ের ওপর’।

দুই বছর আগে থেকেই বিতর্কিতদের তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু হয়। দুর্নীতি করলে কেউ যে ছাড় পাবেন না, এমনকি আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় কোনো নেতা, শীর্ষ আমলা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পরিবহন নেতারাও যে অভিযানের বাইরে নেই, তা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

দু*র্নীতিবি*রোধী অভিযানে এ পর্যন্ত যাদের গ্রে*ফতার করা হয়েছে, তাদেরকে জি*জ্ঞাসাবা*দে অনেক গডফাদারের নাম চলে এসেছে। গ্*রেফতারকৃ*তরা অনেক আমলা, মন্ত্রী, এমপি, প্রভাবশালী রাজনীতিক এমনকি কিছু ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার নামও বলেছেন, নাম এসেছে প্রভাবশালী অনেক সাংবাদিকের; যারা আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে অ*বৈধ উপায়ে কাড়ি কাড়ি টাকা বানিয়েছেন এবং বিদেশে পা*চার করেছেন।

আরও পড়ুন:  ঢাকায় যারা আছেন সাবধান

সূত্র জানায়, দু*র্নীতিবা*জরা সিংহভাগ টাকা পা*চার করেছেন ব্যাংককে অবস্থানকারী চট্টগ্রামের শাহীন চৌধুরী নামের হু*ন্ডি ব্য*বসায়ী ও চো*রাকারবা*রির মাধ্যমে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এই নাম। রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে আ*মলা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক শ্রেণির কর্মকর্তা শাহীন চৌধুরীর মাধ্যমে বিদেশে টাকা পা*চার করেছেন।

শুধু এই সরকারের আমলে নয়, বিগত সরকারের আমলেও একই কায়দায় শাহীন চৌধুরীর মাধ্যমে ব্যাংকক, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও আবুধাবিতে কোটি কোটি টাকা পা*চার হয়েছে। এ ধরনের তথ্যও বেরিয়ে আসছে। উল্লেখ্য, ব্যাংককের একটি ব্যাংকে শাহীন চৌধুরীর জন্য একটি আলাদা ডেস্ক রয়েছে এই হু*ন্ডি ব্যবসার জন্য।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 25
    Shares
advertisement