প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

ঘরো’য়াভা’বে জ্ব’র ঠো’সা নি’রাম’য়ের কার্যকরী এই ২ টি উপায় শি’খে রাখুন

59
ঘরো’য়াভা’বে জ্ব’র ঠো’সা নি’রাম’য়ের কার্যকরী এই ২ টি উপায় শি’খে রাখুন
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

আমা’দের অনেকের ধারণা রাতে রাতে জ্বর আসলেই নাকি জ্বরঠোসা হয়। আসলে কতটুকু সত্যি তা আমর’া আজকের লেখা থেকে জানতে চেষ্টা করবো। জ্বরঠোসা সত্যিকারে শুধুমাত্র জ্বরের কারণে হয়ে থাকে না। এর একটি বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে। আজকে এটি সম্পর্কে আমর’া জানাবো।

ঠোটের কোণায় কিংবা বর্ডারে একগু’চ্ছ ফুসকুড়ি। সাধারণভাবে আমর’া একে বলে থাকি জ্বরঠোস, জ্বর-ঠোসা বা জ্বরঠুঁটো। এটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় ফিভার ব্লিস্টার বলেন। প্রকাশ পাবার ২-৩ দিনের মধ্যে ব্লিস্টারে ব্যথা অনুভব হলে তখন একে বলা হয় কোল্ড সোর।

এই সময় জ্বর (Fever) হলে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ভাবেন যে হয়তো করো’নায় সংক্রমিত হয়েছেন। তবে এই ধারণাটি ভুল। করো’না ও সাধারণ জ্বরের(Fever) মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই ভয় না পেয়ে চিকিৎসকের পরামর’্শ নিন।

অনেকেরই জ্বর(Fever) হলে হলে বা দে’হে কোনো সংক্রমণ হলে ঠোঁটের কোণে বা নাকের ভেতরে অথবা বাইরে ছোট ছোট ফুসকুড়ি দেখা দেয়। কখনো ঠোঁটের কোণ ফেটে যায় ও লাল দেখায়। স’ঙ্গে প্রচণ্ড ব্যথা করে ও অস্বস্তি হয়। এই অবস্থাকে জ্বর ঠোসা বলা হয়ে থাকে। যদিও এটি বড় কোনো সমস্যা নয়, তবে বেশ যন্ত্রণাদায়ক।

সাধারণত জ্বর (Fever) ঠোসার পেছনে হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস দায়ী। শরীরে কোনো কারণে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গেলে, যেমন কোনো সংক্রমণ বা জ্বরের(Fever) পর এমন সমস্যা বেশি হয়। এর প্রতিকারে ঘরোয়া দুটি উয়াপ বেশ কার্যকর। যা খুব দ্রুত এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক উপায় দুটি-

আরও পড়ুন:  হ’ঠা’ৎ করে প্রে’সা’র বে’ড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রু’ত যা করবেন এবং খাবেন

দুধের (honey)ব্যবহার

কটন বল এবং সামান্য দুধ (milk) নিন। কটন বলটি দুধে (milk) ভিজিয়ে ঘাঁয়ের ওপরে লাগিয়ে কিছু সময় অ’পেক্ষা করুন। ২ ঘণ্টা পরপর এটি ব্যবহার করুন। দুধে (milk) অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি ভাইরাল প্রপার্টি আছে। এটি কেবল সংক্রমণটি পরিষ্কার করার ক্ষেত্রেই নয়, আপনার ত্বককে শীতল করার ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।

মধুর ব্যবহার

আধা চামচ মধু (honey) নিন। এবার আ’ঙ্গু’লের সাহায্যে মধু ক্ষতস্থানে লাগান। ৫ থেকে ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। দিনে দুইবার মধু ব্যবহার করুন। মধু অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রোপারটিস সমৃ’’দ্ধ। এটি যে কেবলমাত্র সংক্রা’মিত কালশিটে নিরাময় করতে পারে তা নয়, ফুলে থাকা ত্বককেও শান্ত করে।

জ্বর ঠোসা যাদের বেশি হয়:গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৮০% মানুষই HSV-1 এ আ’ক্রা’ন্ত থাকেন। কিন্তু বেশিরভাগই সু’প্ত অবস্থায় থাকে এবং দশ বছর বয়সে প্রথম প্রকাশ পায়। প্রথমবার হওয়া ফিভার ব্লিস্টার সেরে যাব’ার পর HSV-1 স্নায়ুকোষে লুকিয়ে থাকে এবং জীবনে বারবার এর প্রকাশ ঘটে।

পড়ুন হঠাৎ কেউ স্ট্রোক করলে কি করবেন? জীবন বাচাতে পারেন আপনিও, প’দ্ধতি জেনে নিন!নিম্নোক্ত কারণগু’লোর জন্য ফিভার ব্লিস্টার পুনরায় প্রকাশিত ’হতে পারে: কোন ইনফেকশন। মানসিক চাপ। মেয়েদের মাসিকের সময়। সূর্যের অতিবেগু’নী রশ্মি।

আরও পড়ুন:  কো*র*বা*নি দি’য়ে ফ্রি”জে মাং”স রাখতে যা’চ্ছেন? সা*ব*ধা*ন, এই বি’ষ’য় থেকে!!

সাধারণভাবে ৭-১৪ দিন উপসর্গ বর্তমান থাকলেও ৮-১০ দিনের মধ্যে মধ্যে ফিভার ব্লিস্টার এমনিতেই ভালো হয়ে যায়। তবে প্রথম স’প্তাহে অ্যান্টি-ভাইরাল জেল লাগালে আরোগ্যে দ্রুত হয়।

তবে ১৪ দিনের বেশি সময় ব্যথাযুক্ত ফিভার ব্লিস্টার থেকে গেলে চিকিৎসকের পরামর’্শ নিন। খালি চোখে দেখেই ফিভার ব্লিস্টার সনাক্ত করা সম্ভব। তবে ব্লিস্টারের ভিতরের তরল থেকে ডিরেক্ট ইমিউনোফ্লুরোসেন্স টেস্ট বা পলিমা’রেজ চেইন রিএ্যাকশনের মাধ্যমে ভাইরাস সনাক্ত করা যেতে পারে।

জ্বর ঠোসা প্রতিরোধের ৭ টি উপায় ১. ব্যবহৃত পানির গ্লাস, চামচ, লিপস্টিকসহ অন্যান্য কসমেটিক্স কারো শেয়ার না করা। ২. ছোটদের চুমু না দেয়া। ৩. ব্লিস্টার স্পর্শ করলে ভালো করে হাত ধুয়ে ফেলা। ৪. মানসিক চাপ মুক্ত থাকা। ৫. চুম্বন এবং ওরাল সে’ক্স থেকে বিরত থাকা। ৬. সানস্ক্রিন ক্রিম, লিপ-বাম ব্যবহার করা। ৭. পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণের মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares