প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য

মানু’ষের রো’জ কত ঘ’ণ্টা ঘু’ম দর’কার, জানলে চো’খ কপা’লে উঠবে আপ’নার!

50
মানু’ষের রো’জ কত ঘ’ণ্টা ঘু’ম দর’কার, জানলে চো’খ কপা’লে উঠবে আপ’নার!
পড়া যাবে: < 1 minute

রোজ রাতে তাড়াতাড়ি ঘু’মাতে যাওয়ার অভ্যাস আপনার। কিন্তু ভোরে অ্যালার্মটায় আওয়াজ কর্কশ

থেকে কর্কশতর হয়ে গেলেও চোখ মেলা কঠিন হয়ে পড়ছে। সারা দিন দুচোখে ঝাপসা দেখেন, উদ্ভ্রান্ত অবস্থা যেন কাটে না।

কতক্ষণ ঘু’মাচ্ছেন; যথারীতি তা নিয়ে আলাদা কোনো মা’থাব্যথা নেই। এটিকে কোনো ব্যাপার হিসেবে আলাদা কোনো

গু’রুত্বই দিচ্ছেন না। কিন্তু সত্যিকার অর্থে আপনি সারাক্ষণ খুব ক্লান্ত থাকেন। প্রতিদিন নিয়মিত কত ঘণ্টা ঘু’মাতে হবে, তা কি জানা আছে আপনার?

আসলে একজন মানুষের কত ঘণ্টা ঘু’ম দরকার, তা নির্ভর করে বয়সের ওপর। তিন মাসের কম বয়সী নবজাতকের দিনে ১৯ ঘণ্টা ঘু’মাতে হয়। আর বয়স যখন ৬৫ বছর পেরিয়ে যাব’ে, তখন ঘু’ম দরকার পড়ে ৫ ঘণ্টা।

আরও পড়ুন:  লি’ভা’রের অ’তি’রি’ক্ত চ’র্বি কমাতে কি খাবেন, জেনে নিন…

অধিকাংশ প্রা’প্তবয়স্ককে রাতে গড়ে সাত থেকে ৯ ঘণ্টা ঘু’মাতে হয়। ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন এমন তথ্যই দিচ্ছে।শরীর পর্যা’প্ত ঘু’ম বঞ্চিত হলে অনেকটা চো’রাগো’প্তাভাবে স্বাস্থ্যহানি ঘটতে থাকে, যা স্বাভাবিকভাবে টের পাওয়া যায় না। অ’তিঘু’ম কিংবা অবিরত ক্লান্তিভাব শারীরিক সমস্যারই আভাস দেয়।

মা’র্কিন কোম্পানি ফিটবিটের পরিচালক ড. কনোর হে’নেগান বলেন, অ’তিঘু’ম হচ্ছে নিয়মিতভাবে আপনি ১০ ঘণ্টার বেশি ঘু’মিয়ে যাচ্ছেন, যা বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত হালহকিকতের স’ঙ্গে জ’ড়িত। যার মধ্যে একটি হচ্ছে দুশ্চিন্তা। তবে সত্যি বলতে- এটি স্বাস্থ্য সমস্যার কোনো পরিচিত কারণ না।

যখন শরীরের ঘু’মঘড়িতে অনিয়ম দেখা দেয়, তখন তা আপনার মেজাজ-ম’র্জিতে প্রভাব ফেলে। এর পর

আরও পড়ুন:  যে ৩ ভু’লে নষ্ট হতে পারে আপনার কিডনি

একটা স্বাভাবিক ঘু’মচক্রে ফিরে আসার মধ্য দিয়ে শরীরকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে পারবেন

কিন্তু পর্যা’প্ত ঘু’ম কিংবা অ’তিঘু’মের পরও যদি শরীরে ক্লান্তিবোধ করেন, তবে ধরে নিতে হবে আপনার স্বাস্থ্য সমস্যা রয়েছে।-রিডার্স ডাইজেস্ট

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares