প্রচ্ছদ আইন-আদালত

অর্থ আত্মসাৎ : সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর

21
অর্থ আত্মসাৎ : সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন ১৭ নভেম্বর
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বাংলা ম্যাগাজিন ডেস্ক  :     এনআরবি ব্যাংকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদসহ চারজনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মামলার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে ২২ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক মো. সিরাজুল হক বাদী হয়ে এ মামলা করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন-রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ইব্রাহিম খলিল, এনআরবি ব্যাংকের সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার (এসই ব্যাংকিং) মো. সোহানুর রহমান ও একই ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট (এসই ব্যাংকিং) ওয়াহিদ বিন আহমেদ।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণার মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে এনআরবি ব্যাংক থেকে ২০১৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সুদসহ এক কোটি ৫১ লাখ ৮১ হাজার ৩৬৫ টাকা আত্মসাৎ করেন। এই সময় ৬৫ লাখ ৭৯ হাজার ২২৭ টাকা সুদ ও অন্যান্য চার্জ ধার্য করা হয়।

আরও পড়ুন:  সিনহাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ ১২ নভেম্বর

মো. সাহেদের বিরুদ্ধে রিজেন্ট হাসপাতালের এফডিআর থেকে এক কোটি ১৮ লাখ ৮৯ হাজার ৩৪৯ টাকা সমন্বয় করার পর সুদসহ এক কোটি ৫১ লাখ ৮১ হাজার ৩৬৫ টাকা আত্মসাতের অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, রিজেন্ট হাসপাতালের চলতি হিসাবটি খোলার সময় কোনো জমা গ্রহণ করা হয়নি।

২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর হিসাবটি খোলেন সাহেদ। এর একদিন আগেই ব্যাংকের করপোরেট হেড অফিসের সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার মো. সোহানুর রহমান ও ব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওয়াহিদ বিন আহমেদ এসএমই ব্যাংকিং ঋণ মঞ্জুরির জন্য সুপারিশ করেন। কিন্তু ঋণ মঞ্জুরিপত্রের শর্তানুযায়ী নির্ধারিত সময়ে ঋণের কিস্তি পরিশোধ করা হয়নি।

আরও পড়ুন:  গ্রিনলাইন বাসে পা হারানো রাসেলের ক্ষতিপূরণের রায় আজ

রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান সাহেদ করিম ওরফে মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা এক মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ এ আদেশ দেন। ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ধারায় করা মামলায় সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়।

পাশাপাশি অস্ত্র আইনের ১৯ (এফ) ধারায় তার সাত বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। উভয় সাজা একসঙ্গে চলবে বলে আদালত রায়ে উল্লেখ করেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 11
    Shares