প্রচ্ছদ জাতীয় বাংলাদেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে এমনটি কোনো দিন হতে পারে না

বাংলাদেশের স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি করবে এমনটি কোনো দিন হতে পারে না

53
পড়া যাবে: 5 মিনিটে
advertisement

*বাংলাদেশের কোনো স্বার্থ তিনি নিজে বিক্রি করবেন এমনটি কখনোই হতে পারে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর সর*কারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

advertisement

বাংলাদেশ থেকে ভারতে এলপিজি গ্যাস রপ্তানির ব্যাপারে স্বাক্ষরিত যৌথ প্রকল্পে দেশের স্বার্থ ক*তটুকু সংরক্ষিত হয়েছে-এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো স্বার্থ শেখ হাসিনা বিক্রি ক*রবে এটা কোনো দিন হতে পারে না। এটা সবার জানা উচিৎ। বরং যে যে সমস্যাগুলো ছিল, প্রত্যেকটি সমস্যার যদি স*মাধান হয়ে থাকে, তাহলে আমরাই তা সমাধান করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি জানি এই প্রশ্নটা আসবে। বাংলাদেশে এ*খন অনুমোদিত প্রায় ২৬টি কোম্পানি কাজ করছে। আগে মা*ত্র কয়েকটা কোম্পানি ছিল। এখন ১৮টা কোম্পানি উৎপাদন করছে। আমরা ত্রিপুরার যে গ্যাসটা দিচ্ছি, এটা কিন্তু সেই এলপিজি, বোতল গ্যাস। যে*টা আমরা আমদানি করছি বাল্কে, বোতলে করে আমরা নিজেদের দেশে যেমন সরবরাহ করছি এবং সেই গ্যাসই আমরা কিছু ত্রিপুরায় দিচ্ছি। এ*টা হলো বাস্তবতা। এখন যারা বলছেন, “গ্যাস দিয়ে দিচ্ছে, গ্যাস দিয়ে দিচ্ছে” এবং যারা এটা নিয়ে সবচেয়ে বেশি সোচ্চার, বি*শেষ করে বিএনপি।’

আরও পড়ুন:  বর্তমান কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে যারা আছেন তাদের থেকেই আসবে কৃষক লীগের শীর্ষ নেতৃত্ব

এ*কাত্তর সালে ত্রিপুরার সহায়তার ক*থা স্মরণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘এলপিজি আমরা আমদানি করি, বোতলজাত করি। আমাদের দেশের চাহিদা মেটানোর জন্য সরবরাহ করছি, বা*কিটা আমরা ত্রিপুরায় দিয়ে দিচ্ছি। আর ত্রিপুরা যদি কিছু চায় তাদেরকে আমাদের দিতে হবে, কেন হবে? ১৯৭১ সালের কথা যারা মনে রাখবেন, সেই সময় আমাদের দে*শের মানুষ পাকিস্তানি হানাদারবাহিনী কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে আশ্রয় নিয়েছিল ত্রিপুরায়। ত্রিপুরাবাসী তাদের আশ্রয় দিয়েছিল, খাদ্য দিয়েছিল। আ*মাদের মহান মুক্তিযিুদ্ধে ত্রিপুরা একটা ঘাটি ছিল। ট্রেনিং থেকে শুরু করে ওখান থেকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করা হতো। কাজেই খুব স্বাভাবিকভাবেই তাদের সঙ্গে আমাদের ভালো একটা সম্পর্ক আছে এবং থাকবে।’

স*রকার প্রধান বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, এলপিজি কিন্তু প্রাকৃতিক গ্যাস নয়। এটা আমার দেশে উৎপাদন হয় না। এই এলপিজিটা আসে, এক নম্বর, আমরা যে “ক্রুড অয়েল” কিনে নিয়ে আসি, রিফাইন করি, এই রিফাইনের পর এটা একটা বাই প্রোডাক্ট হি*সেবে কিছুটা এলপিজি হয়। ‍আরেকটা হচ্ছে, আমরা যে গ্যাস উৎপাদন করি, সেই গ্যাস উত্তলন করার সময় কিছু তেল আমরা পাই, যেখান থেকে আমাদের অকটেন এবং পেট্রোল হয়, তার সাথে সামান্য কিছু এলপিজি তৈরি হয়। সরকারিভাবে আমরা এলপিজিটা করে থাকি।’

আরও পড়ুন:  ছাত্রলীগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তীব্র প্রতিক্রিয়া,নতুন করে ছাত্রলীগে শুদ্ধি অভিযান

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের প্রাকৃতিক গ্যাসের যেহেতু অভাব দেখা গেছে, আমরা এরই মধ্যে এলএমজি আমদানি করছি, সে জ*ন্য যাতে রান্নার কাজে ও অন্যান্য কাজে এলপিজি অর্থাৎ বোতলজাত গ্যাস ব্যবহার করা যায়। সেই জন্য বোতল গ্যাস আমদানি করে সেগুলি সিলিন্ডারে ভরে অর্থাৎ বোতলে ভরে সেটা সরবরাহ করছি।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে আগে খুব অল্প পরিমাণে এলপিজি তৈরি হতো, দুটা বেসরকারি কোম্পানি ও একটা সরকারি কোম্পানি এটা তৈরি করত। এক সময় ১০-১২ কেজির একটি সিলিন্ডার, সেটা প্রায় ১৬০০ টাকার মতো দাম পড়ত। এটা আমরা একটু উন্মুক্ত করে দেওয়াতে আর এটা আনার ব্যাপারে ট্যাক্স একটু কমে দেওয়াতে সেটা এখন কমে গেছে, প্রায় ৯০০ টাকায় একেকটা সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে, সেটা সকলে পান। আর সরকারিভাবে আমরা দিচ্ছি।’

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 373
    Shares
advertisement