প্রচ্ছদ জাতীয় আন্দোলন কেন? বিচার হবে,এখন কিসের আন্দোলন হচ্ছে বুঝতেছি না।

আন্দোলন কেন? বিচার হবে,এখন কিসের আন্দোলন হচ্ছে বুঝতেছি না।

140
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
গণভবনে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি : ফোকাস বাংলা
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

খুব সকালে আমি খবর পাই। সঙ্গে সঙ্গে আমি আলামত সংগ্রহ করার জন্য দ্রুত নির্দেশ দেই। আমাদের দুর্ভাগ্য যখন পুলিশ যায় তাদের আটকে রাখা হয়।  আইজিপি যোগাযোগ করলো। সে নিজে আমার কাছে আসলো। এরা ফুটেজগুলো আনতে দিবে না। তারা বলছে পুলিশ নষ্ট করবে। আমরা কিন্তু সাথে সাথে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তৎপর ছিলাম।

কেউ যদি কোন অ*পরাধ করে সে কোন দল করে তা দেখি না। আমি কড়া নির্দেশ দিয়েছি। এই ঘটনা শোনার পরপরই বলেছি, যে কয়টাকে পারো গ্*রেপ্তার করো। কোন দলের বিবেচনা করবেন না। অ*পরাধী একটাও যেন পাড় না পায়।

অ*ন্যায়ভাবে একটা বাচ্চা ছেলেকে হ*ত্যা করা হয়।  আমি পো*স্টমা*র্টাম রিপোর্ট দেখেছি। সেটা বর্ণনা করার মতো নয়। ২০০১ সালে এমনভাবে আমাদের নেতাকর্মীদের মা*রা হত। সামনে কোন ইনজুরি নেই। কিন্তু ভিতরে জখম। এই অ*ত্যাচার দেখে আমার সেই অ*ত্যাচারগু*লোর কথা মনে পড়েছে। এরা কারা যারা সেইসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি করছে।

কিছু তো থাকে যারা সব পার্টিতে থাকে। যারা ক্ষমতার অ*পব্যবহার করে। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগকে বলেছি ওদের বহিস্কার করতে। ওরা ছাত্রলীগের ছিল বলে আমাদের থেকে কোন সাহায্য পাবে না।

আমাদের বন্ধু বান্ধব তো অনেকে শিক্ষক। ওরা বলতো আমাদের অভ্যাস হয়ে গেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নাকি প্রতিদিন বো*মা হা*মলা হতো। ওরা বলতো বো*মার শব্দ না পেলে তো ক্লাস নিতে পারতাম না।

আরও পড়ুন:  ১৫০০ তালিকাভুক্ত অনুপ্রবেশকারী বহিষ্কার হচ্ছেন আওয়ামী লীগ থেকে

দুপুর দুইটার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাসই হত না। আমি বিবেচনা করবো না সে কোন দলের। আমি কারো দাবির অপেক্ষা করি নাই। তিনটা ঘন্টা সময় কেন পুলিশকে আ*টকে রাখলো বুয়েটের শিক্ষার্থীরা? এর মধ্যে পুলিশকে আ*টকে না রাখলে তারা দ্রুত আরো গ্*রেপ্তার করতে পারতো।

আন্দোলন কেন? বিচার হবে। এখন কিসের আন্দোলন হচ্ছে বুঝতেছি না। কারণ আমরা তো দ্রুতই সবকিছুর ব্যবস্থা করছি। আমি তো বাপ মা ভাইবোন সবাইকে হারিয়েছি। আমি তো জানি আপন হারানোর ব্যাথা। আমি বিচার পাইনি। ৩৮ বছর লেগেছে আমার বাবা মা ভাইয়ের বিচার করতে।

২০০২ সালে যখন সনি বুয়েটে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সং*ঘর্ষে মা*রা যান। আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে সেই বিচার কিভাবে প্রলম্ভিত হয়েছিল।আমরা এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। যত উচ্চ শাস্তি আছে তা তাদের দেওয়া হবে।

মনে পড়ে শফিউল আলম প্রধান সাতজনকে খু*ন করলো। ছাত্রলীগের সেক্রেটারী ছিল। আমরা তার শাস্তি দিয়েছিলাম। জিয়াউর রহমান তাকে বের করে তার দলে টেনে নেয়। আমরা কিন্তু ছাড় দেইনি। প্রধানমন্ত্রী আবেগী হয়ে পড়েন তার বাবা মায়ের কথা মনে পড়লে। কথা বলা বন্ধ করে দেন। তিনি কিছুটা সময় নেন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার জন্য।

আরও পড়ুন:  কে কি কথা বললো এসব বিষয় নিয়ে পড়ে থাকলে দেশের উন্নয়নে কাজ করবো কখন?

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে আমরা ভা*রতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশ সফরে আমন্ত্রণ জানাই। তিনি আগামী বছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে উৎসবে যোগ দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সফরে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

বুধবার বিকালে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এক বিশেষ উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে। এতে দুই দেশের সম্পর্কে এক নতুন গতির সঞ্চার হয়েছেন।

তিনি বলেন, ত্রিপুরায় যে গ্যা*স দিচ্ছি, সেটা এলপিজি, বোতল গ্যাস। এটা বিদেশ থেকে আমদানি করে নিজেদের দেশে সরবরাহ করছি। আর কিছুটা ত্রিপুরায় দিচ্ছি। বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের ভারত অর্থনৈতিক সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৩ থেকে ৬ অক্টোবর- এই চার দিনের সফরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৭৪তম অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশ্যে তিনি ২২ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র সফর করেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট: