প্রচ্ছদ এক্সক্লুসিভ

উদ্ভাবিত প্যাকেটজাত পেঁয়াজ গুঁড়া’য় সংকট কাটবে

34
উদ্ভাবিত প্যাকেটজাত পেঁয়াজ গুঁড়া’য় সংকট কাটবে
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

Advertisements

বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্র পেঁয়াজের সংকট মোকাবিলায় অন্যান্য মসলার মতো উৎপাদন করেছে ‘পেঁয়াজ গুঁড়া’। কাঁচা পেঁয়াজের বিকল্প হিসেবে এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি উৎপাদন করেছে প্যাকেটজাত ‘পেঁয়াজ গুঁড়া’।

সংশ্লিষ্টরা জানান, পেঁয়াজ গুঁড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া ছড়িয়ে দিতে পারলে আমদানি না করেও দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ দিয়েই সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্র এরই মধ্যে দেশীয় এই পদ্ধতিতে পরীক্ষামূলকভাবে পেঁয়াজ গুঁড়া উৎপাদন শুরু করেছে।

Advertisements

বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রে ড. মাসুদ আলমের তত্ত্বাবধানে গবেষণাগরে পেঁয়াজের গুঁড়া উৎপাদন চলছে।

ড. মাসুদ বলেন, অনেক দেশেই পেঁয়াজের গুঁড়ার প্রচলন থাকলেও বাংলাদেশে নেই। এই পদ্ধতিটি খুব সাধারণ। প্রথমে খোসা ছাড়িয়ে পেঁয়াজ স্লাইস করে ভাপ দিতে হবে। পরে তা শুকিয়ে নিয়ে সোডিয়াম মেটাবাইসালফেট দ্রবণে ৪/৫ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর আবার তা শুকিয়ে নিতে হবে। এরপর সাধারণ ব্লেন্ডিং মেশিনেই এটি গুঁড়া করা যাবে।

আরও পড়ুন:  ‘নির্ধারিত সময়েই সি’নহা হত্যার প্রতিবেদন’

Advertisements

তিনি আরো বলেন, এই পেঁয়াজ গুঁড়া দুই বছর পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে। পদ্ধতিটি জটিল না হওয়ায় ছোট উদ্যোক্তাদের জন্যও ঘরে বসেই এই প্রযুক্তি প্রয়োগ করে উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব। ফলে এই প্রযুক্তিটি নিশ্চিতভাবেই পেঁয়াজ সংকটের সমাধান বয়ে আনার জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি প্রযুক্তি।

কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গড়ে প্রায় আট লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজের ঘাটতি রয়েছে দেশে। এ কারণেই এই পণ্যের বাজারে আমদানি নির্ভরতা অনস্বীকার্য। ফলে আমদানি ব্যাহত হলেই সংকট তৈরি হয় পেঁয়াজের বাজারে।

বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্র বলছে,‘পেঁয়াজ গুঁড়া’ হতে পারে এই সংকটের স্থায়ী সমাধানের পথ।

গবেষকরা বলছেন, পেয়াজ থেকে গুঁড়া পেঁয়াজ উৎপাদন বাড়াতে পারলে সেই অপচয় শূন্যের কোটায় নেমে আসবে। ফলে দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজ দিয়েই দেশের বাৎসরিক চাহিদা মোটামুটি পূরণ সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন:  মাত্র এক টাকা জমা দিয়েই কেনা যাবে মোটরসাইকেল

মাসুদ আলুম বলেন, উদ্ভাবিত পেঁয়াজ গুঁড়া পদ্ধতি প্রয়োগ করলে সংরক্ষণজনিত সমস্যা থাকবে না বললেই চলে। পেঁয়াজের গুঁড়া অনায়াসে একবছর প্যাকেটজাত করে সংরক্ষণ করা যায়। গুঁড়া করে সংরক্ষণ করতে পারলে ওই পেঁয়াজের আবাদের প্রসার ঘটাতে কৃষকদের উৎসাহ দেয়া যাবে।

তিনি বলেন, উচ্চ ফলনশীল জাতের পেঁয়াজ আবাদ হলে এখনকার চেয়ে দুই গুণ পরিমাণ ফলন পাওয়া সম্ভব। গুঁড়া পদ্ধতিতে সংরক্ষণের সুযোগ থাকায় সেগুলোর অপচয় হবে না। ফলে পেঁয়াজের যে সংকট প্রতিবছর দেখা দেয়, সেই সংকট তৈরির কোনো সুযোগই থাকবে না।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 4
    Shares