প্রচ্ছদ বাংলাদেশ উপজেলা

আজও বিক্রি হয়নি ‘রাজাবাবু’

93
আজও বিক্রি হয়নি ‘রাজাবাবু’
পড়া যাবে: 1 minute

গাবতলী হাটে এখন পর্যন্ত আসা গরুগুলোর মধ্যে সবথেকে বড় গরুর নাম হচ্ছে রাজাবাবু। রাজাবাবু লম্বায় প্রায় ৮ ফুট। উচ্চতা প্রায় সাড়ে ছয়ফুট এবং ওজন দুই হাজার ৯৪ কেজি অর্থাৎ ৫২ মন। স্বভাবতই এত বড় গরুর দাম অনেক বেশি এবং কেনার সামর্থ্য খুব কম লোকেরই আছে।

রাজাবাবুর মালিক খাইরুল ইসলাম খান্নু জানান, দুই বছর আগে সাভারের কৃষক কুদ্দুস মুন্সীর কাছ থেকে তিনি ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছিলেন ১৮ মণ ওজনের ফ্রিজিয়ান জাতের গরুটি।

সাটুরিয়া উপজেলার দিঘুলীয়া ইউনিয়নের দেলুয়া গ্রামে খাইরুল ইসলাম খান্নুর স্ত্রী পরিষ্কার বেগম এবং মেয়ে ইতি বেগমের অতি আদর যত্নে বড় হয়েছেন রাজাবাবু নামের গরুটিকে।

খাইরুল ইসলাম খান্নুর মেয়ে ইতি এবং স্ত্রী পরিষ্কার বেগম বেশির ভাগ সময় এই রাজা বাবুর দেখাশুনা করেন। ইতি জানান, গরুটি দেখতেও রাজার মতো, খায়ও রাজার মতো। তাই গরুটির নাম রেখেছি ‘রাজাবাবু’।

রাজাবাবু নামের এই দৈত্যাকৃতির ষাঁড়ের জন্য প্রতিদিনের বাজেট প্রায় ২ হাজার টাকা। খাবারের তালিকায় আছে ভেজানো ছোলা, কলা, মাল্টা, কমলালেবু, চিড়া, বেলের শরবত সহ আরও অনেক নামীদামী খাবার।

শুধু আদর যত্নেই নয় রাজাবাবুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য রাখা হয়েছে সার্বক্ষণিক একজন চিকিৎসক। নিরাপত্তার স্বার্থে রাতে পুলিশ টহল দেয় বাড়ির চারপাশে।

রাজাবাবুকে দিনে কমপক্ষে ৪ থেকে ৫ বার গোসল করাতে হয়। সারদিন বৈদ্যুতিক পাখা চালাতে হয়। বিদ্যুৎ না থাকলে হাত পাখা দিয়ে বাতাস করতে হয়। প্রায় সারাদিনই এই গরুটির যত্ন করতে হয়।

খাইরুল ইসলাম খান্নু রাজাবাবুর দাম ২০ লাখ টাকা চাইছেন। ক্রেতারা ইতিমধ্যে রাজাবাবুর দাম ১৮ লক্ষ টাকা বলেছে। কিন্তু এই দামে বিক্রি করতে নারাজ তিনি। এই কারণেই গাবতলির হাটে রাজাবাবু আজও বিক্রি হয় নাই।

উল্লেখ্য, ২ বছর আগের কোরবানি ঈদে খাইরুল ইসলাম খান্নু ও পরিষ্কার বেগম ৩৪ মণ ওজনের ‘লক্ষী সোনা’ নামের একটি গরু রাজধানীর গুলশানে ১৪ লাখ টাকায় বিক্রি করেন।

সর্বশেষ আপডেট