প্রচ্ছদ ভিন্ন স্বাদের খবর

৩৯টি ল্যান্ডমাইন খুঁজে হাজার হাজার প্রাণ বাঁচিয়েছে ইঁদুর; সাহসিকতার জন্য মিলল সোনার মেডেল

19
৩৯টি ল্যান্ডমাইন খুঁজে হাজার হাজার প্রাণ বাঁচিয়েছে ইঁদুর; সাহসিকতার জন্য মিলল সোনার মেডেল
পড়া যাবে: < 1 minute

নর্দমা বা আবর্জনার স্তূপে ঘুরে বেড়ানো ইঁদুর (rat) দেখলে আমাদের অনেকেই ঘৃণার চোখে তাকাই। কিন্তু সেই ইঁদুরই যদি কয়েক হাজার মানুষের প্রাণ বাঁচায়? তবে নিঃসন্দেহে তার সম্মান প্রাপ্য৷ ঘটলও এমনটাই। ল্যান্ডমাইন খুঁজে বার করে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণ বাঁচানোর স্বীকৃতি হিসাবে সরকার এক ইঁদুরকে সোনার মেডেল দিয়ে সম্মানিত করল।

কম্বোডিয়ায় বিস্ফোরণ ঘটার আগে ল্যান্ডমাইন খুঁজে বের করার জন্য জন্য প্রথমবারের মতো সাহসিকতার জন্য একটি শীর্ষ বেসামরিক পুরষ্কার জিতেছে এই ইঁদুর। জানা যাচ্ছে, গত সাত বছরে ৩৯ টি ল্যান্ডমাইন আবিস্কার করেছে সে, যার মধ্যে ২৮ টিই বিস্ফোরণের আগে।

আরও পড়ুন:  ডুবন্ত দুই মহিলাকে বাঁচাতে সাঁতার কেটে হাজির রাষ্ট্রপতি, প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা

সাহসিকতা ও বিরল কৃতিত্বের জন্য মাগাওয়া নামে এক বিশাল আফ্রিকান পাউড ইঁদুরকে “জীবন রক্ষাকারী সাহসিকতা ও নিষ্ঠার জন্য” পিডিএসএ’র স্বর্ণপদক দেওয়া হয়েছে।
মাগাওয়াকে একটি বেলজিয়ামের সংস্থা প্রশিক্ষণ দিয়েছিল যারা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইঁদুরদের ট্রেনিং দেয়। কম্বোডিয়া, অ্যাঙ্গোলা, জিম্বাবুয়ে এবং মোজাম্বিকের মত দেশে এই ইঁদুরগুলি মাইন খোঁজার কাজে ব্যাবহার করা হয়।

মাগাওয়া এই দলটির সবচেয়ে সফল ইঁদুর। প্রায় ১৪১,০০০ বর্গ মিটারের বেশি জমি থেকে ল্যান্ডমাইন খোঁজার কাজ করেছে। যা প্রায় ২০ টি ফুটবল মাঠের সমান। মাগাওয়ার এই কৃতিত্বে গর্বিত বোধ করছেন তার ট্রেনাররাও।

আরও পড়ুন:  এক’হাতে নয়, দু’হাতে টে’বিল টে’নিস খে’লছেন সুশান্ত : ভাইরাল ভিডিও

বেসামরিক চাকরিতে প্রাণীদের দ্বারা সাহসিকতা এবং ব্যতিক্রমী নিষ্ঠাকে স্বীকৃতি জানাতে পিডিএসএর স্বর্ণপদক ২০০২ সাল থেকে দেওয়া শুরু হয়েছে। এটি প্রানীদের জন্য জর্জ ক্রসের সমান হিসাবে বিবেচিত হয়। আর সেই তালিকায় প্রথম ইঁদুর হিসাবে রেকর্ড গড়ল মাগাওয়া।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 6
    Shares