প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

মণিরামপুরে চাল কেলেঙ্কারিতে ছয় জনের নামে চার্জশিট

26
মণিরামপুরে চাল কেলেঙ্কারিতে ছয় জনের নামে চার্জশিট
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি :

যশোরের মণিরামপুরে সরকারি ৫৪৯ বস্তা ত্রাণের চাল উদ্ধারের ঘটনায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুসহ ছয় জনের নামে চার্জশিট দিয়েছে ডিবি। গত ২৭ সেপ্টেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোমেন দাশ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে এই অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করে স্বাক্ষর করেন। এরআগে দুই দফা এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার পরিবর্তন হয়েছে। চার্জশিটে উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুকে ছয় নম্বর আসামী করা হয়েছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাচ্চুকে পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির জন্য আদালতকে অনুরোধ জানিয়েছেন। তৎকালীন মণিরামপুর খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান মুন্নার এই ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

চার্জশিটভুক্ত অন্য পাঁচ আসামি হলেন, মণিরামপুরের বিজয়রামপুর এলাকার ভাই ভাই রাইস মিলের মালিক আব্দুল্লাহ আল মামুন, ট্রাক চালক ফরিদ হালদার, শহিদুল ইসলাম, জগদীশ দাস ও আব্দুল কুদ্দুস। ইতিমধ্যে এই পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। পরে তারা জামিনে মুক্তি পান। গ্রেফতারকৃতদের কয়েকজন আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুর সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেন। প্রাথমিকভাবে উদ্ধার চাল কাবিখার জানা গেলেও পরবর্তীতে তদন্তে তা ত্রাণের চাল বলে চিহ্নিত হয়। অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু উদ্ধারকৃত ত্রাণের চাল অধিক মুনাফার আশায় মজুদ রাখেন। পরে শহিদুল ও জগদীশের মাধ্যমে সেই চাল মামুনের কাছে বিক্রি করে দুই দফায় চার লাখ ৮০ হাজার টাকা নেন। আর মামুন, ফরিদ ও আব্দুল কুদ্দুস এই চাল কেনা-বেচায় সার্বিক সহযোগিতা করেন। তবে উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চুকে গ্রেফতার করা না যাওয়ায় তিনি এই চাল কোথা থেকে কিভাবে এনেছেন তা জানা যায়নি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। গত ৪ এপ্রিল বিকেলে মামুনের চাতালে ট্রাক থেকে সরকারি চাল খালাস করার সময় তৎকালীন মণিরামপুর থানার এইআই তপন কুমার চালগুলো আটক করেন। খবর পেয়ে ইউএনও ও থানার ওসি ঘটনাস্থলে যান। পরে চাতাল মালিক মামুন ও ট্রাকের চালক ফরিদকে আটক করে ৫৪৯ বস্তা চাল জব্দ করে হেফাজতে নেয় পুলিশ। ওই সময় চাউর হয় চালগুলো খুলনা খাদ্যগুদাম থেকে ট্রাকে করে মণিরামপুর খাদ্যগুদামে আসে। কিন্তু ওসিএলএসডি মনিরুজ্জামান মুন্না চালগুলো গুদামে না ঢুকিয়ে মামুনের চাতালে পাঠিয়ে দেন। তখন চালগুলো কাবিখার বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়। করোনাকালীন ত্রাণের বড় মাপের চাল আটক হওয়ায় ওই সময় দেশব্যাপি সমালোচনার ঝড় ওঠে।

আরও পড়ুন:  বিএনপি নেতা নুরুজ্জামান খোকনের ২য় মৃত্যু বার্ষিকী আজ

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 8
    Shares