প্রচ্ছদ রাজনীতি বিএনপি

ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসনকে ধন্যবাদ ফখরুলের

35
‘খালেদা জিয়াকে মুক্ত করাই বিএনপির একমাত্র লক্ষ্য’: মির্জা ফখরুল
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

খালেদা জিয়ার ব্রিটিশ ভিসা পাওয়ার বিষয়ে কোনো বাধা নেই’ ব্রিটিশ হাই কমিশনার রবার্ট ডিকসনের এই বক্তব্যের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ব্রিটেন এখনও একটি গণতান্ত্রিক দেশ। তাদের মধ্যে সভ্যতা, ভদ্রতা অন্য যেকোনো দেশের চাইতে যথেষ্ট বেশি আছে। তারা একটা গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে, একজন গণতান্ত্রিক নেতার প্রতি যে দায়িত্ব সেই কথাটিই বলেছেন। এজন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।

শুক্রবার (২ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে মির্জা ফখরুল বলেন, ম্যাডাম যেমন ছিলেন, তেমনই আছেন। তার শারিরীক অবস্থা সবাই জানেন। খুব একটা উন্নতি হয়নি। ওনার আবার সমস্যা হয়েছে। খেতে পারছেন না।

বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, এ বিষয়টা  খালেদা জিয়ার চাওয়া এবং সরকারে দেওয়ার ওপরে নির্ভর করছে। খালেদা জিয়া যদি যেতে চান, সেটা যদি পরিবারের পক্ষ থেকে আমাদের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে বলা হয়, সরকার যদি যেতে দেয়, তাহলেতো উনি যেতে পারবেন, না হলেতো যেতে পারবেন না। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত দেশনেত্রী খালেদা জিয়া কিছু বলেননি। পরিবারে পক্ষ থেকেও কিছু বলা হয়নি।

আরও পড়ুন:  শেখ হাসিনার হাত থেকে দুর্নীতিবাজদের রেহাই নেই : মির্জা আজম

আইন শৃঙ্খলার অবণতি ও ধর্ষণ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, এ বিষয়গুলো যখন পত্র-পত্রিকা চ্যানেলে আসে, আমরা কথা বলি তখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সুন্দর করে বলেন, এরা তো আওয়ামী লীগের লোক না। এমনকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যিনি খুব কম কথা বলেন, সুন্দরভাবে কথা বলেন, তিনিও কালকে (বৃহস্পতিবার) বলেছেন যে, বাংলাদেশে যে ধর্ষণের ঘটনাগুলো ঘটছে, এটা সারা পৃথিবীতেই ঘটছে। এটা কোনো উত্তর হতে পারে না। সারা পৃথিবীতে ঘটে সেজন্য বাংলাদেশেও ঘটবে, এটাতো আমার কাছে বিষ্ময়কর ব্যাপার মনে হয়েছে একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর এ ধরণের বক্তব্য।  

মির্জা ফখরুল বলেন, গত পরশু (বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর) আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, বিএনপি শুধু ফেসবুকে আর ভার্চ্যুয়ালী আছে। ওনারা কোভিড নিয়ে যে অবস্থা তৈরী করেছেন, তাতে ওনারা কোথায় আছেন? আওয়ামী লীগকে বাদই দেন, সরকারের মন্ত্রীরা কোথায় আছেন? বিএনপিতো প্রথম থেকে চেষ্টা করেই যাচ্ছে। সীমিত সাধ্যের মধ্যে ত্রাণ দিয়েছে। প্রশ্ন হলো দায়িত্বটা কার। আজকে দেশের মানুষের ভাল-মন্দ দেখার দায়িত্ব হলো সরকারের। সেটা তারা কি করছেন?

আরও পড়ুন:  নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে : জাপা

তিনি বলেন, বিশ্বে বর্তমানে একটি প্রবণতা দেখা দিয়েছে শুধু বাংলাদেশে নয়, অনেক দেশেই কতৃত্ববাদী শাসন টিকিয়ে রাখার জন্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক একটি চক্র কাজ করছে।  আমেরিকার রাষ্ট্রপতির বক্তব্যে আমরা যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি তারা শুধু উদ্বিগ্ন না চিন্তিতও বটে। যারা গণতন্ত্রের প্রবক্তা, যারা গণতন্ত্রের কথা বলেন। তারা যদি আজকে বলেন, ডেমোক্রেসি ইজ নট দ্যা প্রায়োরিটি। পরিষ্কার ভাষায় বলেছেন, তাদের গণতন্ত্রের দরকার নেই, তাদের দরকার সিকিউরিটি। কার সিকিউরিটি, তাদের সিকিউরিটি। এই অবস্থা এখন দেশে ও বিশ্বে চলছে। এটা শুধু বাংলাদেশের সমস্যা নয়, এটা বৈশ্বিক সমস্যা। তবে বাংলাদেশের মানুষের বড় একটা চরিত্রগত গুণ আছে। এদেশের মানুষ কখনও বেশি দিন এ ধরণের অবস্থা মেনে নেয় না। এক সময়ে এটা গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
নিউজটি পড়া হয়েছে 10027 বার

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 65
    Shares