প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জেলা

কুষ্টিয়ায় এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম স্মরনে শোক সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান

5
কুষ্টিয়ায় এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম স্মরনে শোক সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম স্মরনে কুষ্টিয়ায় শোক সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুষ্টিয়া জেলা সরকারি আইন কর্মকর্তাবৃন্দের আয়োজনে, বৃহস্পতিবার দুপুরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ভবনের কনফারেন্স হলে আয়োজিত, শোক সভায় কৌশুলী জিপি আসম আক্তারুজ্জামান মাছুম এর সভাপতিত্বে ও বিজ্ঞ অতিরিক্ত পিপি এ্যাডভোকেট নিজাম উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়া পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী। অন্যান্যদের মধ্যে স্মৃতিচারণ মূল বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে পিপি আব্দুল হালিম, বিশেষ পিপি রফিকুল ইসলাম লালন, দুদক এর পিপি আল মুজাহিদ হোসেন মিঠু, অতিরিক্ত পিপি শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জিপি আশরাফ হোসেন, অতিরিক্ত পিপি সামস তামিম মুক্তি সহকারী পিপি জনাব আসাদুর রহমান আসাদ, ইমরান হোসেন দোলন প্রমুখ। বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের মামলায় আইনজীবী হিসেবে যুক্ত থাকা মাহবুবে আলম সংবিধানের পঞ্চম, সপ্তম, ত্রয়োদশ ও ষোড়শ সংশোধনী মামলার রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইনজীবী ছিলেন। এ ছাড়া তিনি বিডিআর বিদ্রোহ হত্যা মামলাসহ সর্বোচ্চ আদালতে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধ তথা যুদ্ধাপরাধ মামলার মতো ঐতিহাসিক অসংখ্য গুরুত্বপূর্ণ মামলা সাফল্যের সঙ্গে পরিচালনা করেছেন। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হলো।উল্লেখ্য চলতি বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায়
বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মারা যান। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকে মৃত ঘোষণা করে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। গত ৩ সেপ্টেম্বর রাতে অ্যাটর্নি জেনারেল শরীরে জ্বর অনুভব করেন। পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর সকালে করোনা টেস্ট করালে রিপোর্ট পজেটিভ আসে। সেদিনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় তিনি রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল- সিএমএইচে ভর্তি হন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। তবে ২০ সেপ্টেম্বর তার করোনামুক্তি ঘটার কথা জানায় পরিবার।
সুপ্রিম কোর্টের এ জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ১৯৯৮ সালের ১৫ নভেম্বর থেকে ২০০১ সালের ৪ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মাহবুবে আলম সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ১৯৯৩-৯৪ সালে সম্পাদক ও ২০০৫-২০০৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের ১৩ জানুয়ারি মাহবুবে আলম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পান। এরপর থেকে টানা ১২ বছর তিনি এই দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেই সাথে পদাধিকার বলে তিনি আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন।

আরও পড়ুন:  গাড়ীর তেল খরচের টাকা বাঁচিয়ে মসজিদ বানাচ্ছেন মোংলা পৌর মেয়র জুলফিকার আলী

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।