প্রচ্ছদ জীবন-যাপন ঐতিহ্য’বাহী জামদানি শাড়ি’র আসল-নকল চিনবেন যেভা’বে

ঐতিহ্য’বাহী জামদানি শাড়ি’র আসল-নকল চিনবেন যেভা’বে

30
পড়া যাবে: < 1 minute
advertisement

জামদানি শাড়ি প্রতি’টি নারীর সৌন্দর্য বর্ধনে অনন্য। বাংলাদেশে’র নারীদের সৌন্দর্য দিগুণ করে এই ঐতিহ্য’বাহী জামদানি শাড়ি। তাই শাড়ি প্রিয় নারী’দের সংগ্রহে অন্তত একটি হলে’ও জামদানি শাড়ি থাকে। নান্দনিক ডিজাইন এবং দামে বেশি হওয়ার কারণে জামদানির সঙ্গে আভি’জাত্য এবং রুচিশীলতা- এই দুটি শব্দ জড়িয়ে আছে’।

advertisement

ঐতিহ্য’বাহী নকশা ও বুননের কারণে ২০১৬ সালে জামদানিকে বাংলা’দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। কিন্তু আজকাল বিভিন্ন মা’র্কেটে জামদানির নামে বিক্রি হচ্ছে নকল শাড়ি, ফলে ঐতিহ্য’বাহী জামদানির প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে ক্রেতারা।

দেখা যায় অনেক বিক্রেতা জাম’দানির নামে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন ভারতীয় কটন, টাঙ্গাই’লের তাঁত, পাবনা ও রাজশাহীর সিল্ক শাড়ি। এতে জামদানি হারাচ্ছে তার আসল ঐতিহ্য।

নকল জামদানি থেকে বাঁচতে জানতে হবে আসল জামদানির বৈশিষ্ট্য’গুলো। জাম’দানি কেনার আগে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় জানলে আর নকল কিনে বাড়ি ফিরতে হবে না।  তাই আসল জামদানি চিনতে জেনে নিন ফ্যাশন ডিজাইনার শারমিন শৈলী এবং নারায়ণগঞ্জের জামদানি বিসিক শিল্প নগরীর তাঁতি মোঃ মনির হোসেনের দেয়া তথ্য-

সাধারণ’ত শাড়ি তৈরির সময়, সূতার মান ও কাজের সূক্ষ্মতা বিবেচনায় একটি জামদানি’র দাম ৩ হাজার টাকা থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা কিংবা তারচেয়েও বেশি হতে পারে। কিন্তু মেশিনে বোনা শাড়ি’তে তেমন সময় বা শ্রম দিতে হয় না। এজন্য দামও তুল’নামূলক অনেক কম।

জামদানি শাড়ির কোনটা সামনের অংশ আর কোনটা ভেতরের অংশ সেটা পার্থক্য করা বেশ কঠিন। এই শাড়ি হাতে বোনা হওয়ায়, শাড়ির ডিজাইন হয় খুব সূক্ষ্ম এবং নিখুঁত। ডিজাইন’গুলো হয় মসৃণ। কারিগর প্রতিটি সুতো হাত দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুনন করেন। সূতার কোন অংশ বের হয়ে থাকে না। এ কারণে জামদানি শাড়ির কোনটা সামনের অংশ আর কোনটা ভেতরের অংশ, তা পার্থক্য করা বেশ কঠিন

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 15
    Shares
advertisement