প্রচ্ছদ রাজনীতি আওয়ামী লীগ

‘আমার নিজের ঘরের আগাছাও পরিষ্কার করতে হবে’,এবার ব্যক্তিগত স্টাফদের দু’র্নীতি’র খোঁজ

18753
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

রাজনৈতিক বি’বেচনায় নিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত স্টাফদের ব্যাপারেও অনুসন্ধান শু’রু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এ’ই ব্যক্তিগত স্টাফদের ব্যা’পারে অ’নুসন্ধান শুরু হয়েছে বলে সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই এ ব্যাপারে অ’নুসন্ধানের নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমার নিজের ঘরের আগাছাও পরিষ্কার করতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রীর বে’শ ক’য়েকজন ব্য’ক্তিগত স্টাফ আছে। এদের মধ্যে কেউ কেউ আছেন রা’জনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনের স্টাফ আর কিছু আছেন যে কোনরকম পদপদবী ছাড়াই গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাজ করেন। নানারকম ফা’য় ফ’রমায়েশ খাটেন। অভিযোগ উঠেছে প্রধানমন্ত্রীর এই ব্যক্তিগত স্টাফদের মধ্যে কেউ কেউ ফু’লেফেঁ’পে উঠেছেন। তাদের বিরুদ্ধেও প্’রভাব বিস্তার, দু’র্নীতিস’হ নানারকম অভিযোগ উঠেছে।

যখন দেশে শু’দ্ধি অভিযা’ন শুরু হয়েছে তখন এদের বিরুদ্ধে কিছু তথ্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে এসেছে।  বিশেষ করে যারা আ’টক হয়েছে তাদের কারও কারও সঙ্গে এদের যোগাযোগ ছিল বলেও প্রধানমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ এসেছে।

আরও পড়ুন:  ধর্ম নিয়ে এতো রেষারেষি কেন থাকবে

এই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যে তাঁর ব্যক্তিগত স্টাফ এবং গণভবনে যারা রা’জনৈতিক বি’বেচনায় নি’যুক্ত হয়েছেন তাদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে এবং ত’দন্ত করতে। তাদের বিরুদ্ধে যদি কোন অ’ভিযোগ থাকে সেটা খতিয়ে দেখে তা’দের বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কাজ শুরু হয়েছে বলে আইন প্র’য়োগকারী সংস্থার এ’কাধিক সূত্র নিশ্চিত ক’রেছে।

আইন প্র’য়োগকারী সংস্থার ক’র্মকর্তারা বলেন যে, প্র’ধানমন্ত্রীর এ’বারের শু’দ্ধি অভিযানের মূল লক্ষই হলো সরকারকে দু’র্নীতিমু’ক্ত রাখা এবং সরকারের গায়ে যেন কোন ক’লংকে’র দাগ না লাগে সেটি নিশ্চিত করা। এজন্য দলে, সরকার এমনকি প্রধানমন্ত্রীর চারপাশেও যদি কারও বিরুদ্ধে কোন অ’নিয়ম, দু’র্নীতি বা স্’বেচ্ছাচা’রিতার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সে প্র’ক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন:  ধর্ম নিয়ে এতো রেষারেষি কেন থাকবে

আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং গণভবনে রাজনৈতিক বিবেচনায় যেসমস্ত ব্যক্তিগত স্টাফরা আছেন তাদের ব্যাপারে ৩টি বিষয়ে অনুসন্ধান করা হবে।

১. ব্যক্তিগত সম্পত্তি বৃদ্ধি হয়েছে কিনা এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তির উৎস কী?

২. টে’ন্ডারবা’জি বা সরকারি কোন কাজ কর্মে তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কোন হ’স্তক্ষেপ বা প্র’ভাব বিস্তার করেছে কিনা।

৩. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বা গণভবন ব্যবহার করে কোন অ’ন্যায্য সুবিধা আদায় করেছেন কিনা।

এ ব্যাপারে ত’দন্ত করে কোন অভিযোগের যদি সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে জানানো হবে। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী পরবর্তীতে চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

  • 113.1K
    Shares