প্রচ্ছদ রাজনীতি আওয়ামী লীগ

ধৈর্য ধরুন, প্রতিবাদের দরকার নেই: ‘ধর্ষণ-নিপীড়ন’ ইস্যুতে কাদের

40
ধৈর্য ধরুন, প্রতিবাদের দরকার নেই: ‘ধর্ষণ-নিপীড়ন’ ইস্যুতে কাদের
পড়া যাবে: 2 মিনিটে

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে বিবস্ত্র করে শ্লীলতাহানির ভিডিও ধারণ এবং তা প্রকাশসহ সারা দেশে একের পর এক নারী নিপীড়ন ও ধর্ষণ-গণধর্ষণের ঘটনায় ‘প্রতিবাদ না করে ধৈর্য ধারণ’ করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

সাম্প্রতিক সময়ে দেশজুড়ে ধর্ষণ-নিপীড়ন ইস্যুতে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ‘আমি সবাইকে বলবো ধৈর্য ধরতে, প্রতিবাদ করার দরকার নেই। সরকার ঘটনার সাথে জড়িতদের বিচার করছে, কাউকে রেহাই দিচ্ছে না। যে বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ করা হচ্ছে, সেই বিচার তো সরকার করছেই। ফলে প্রতিবাদের দরকার নেই। সরকারই তো অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনছে।’ 

এ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘ধর্ষণ এক ধরনের সামাজিক ব্যাধি, এটিও এক ধরনের সন্ত্রাস বটে। সরকার ধর্ষণ, হত্যার সাথে জড়িত কোনও অপরাধীকে কখনেও ন্যূনতম ছাড় দেয়নি। ধর্ষণকে রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করলে বিচার বাধাগ্রস্ত হতে পারে।’ 

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বঙ্গবন্ধু এভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

আরও পড়ুন:  নারী নির্যাতনকে রাজনীতিকরণের অপচেষ্টায় বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক, তার আসল পরিচয় দুর্বৃত্ত। দুর্বৃত্তের দলীয় কোনও পরিচয় নেই। অপরাধীর ব্যাপারে দেশরত্ন শেখ হাসিনা জিরো টলারেন্স। আমরা আন্দোলনের রাজনৈতিক ইস্যু তুলে নিতে কাউকে এলাউ করিনি। সরকার স্বপ্রণোদিত হয়েই সর ধরনের অপরাধের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করেছে। সাম্প্রতিককালে বেশকিছু বিচারকার্য সম্পন্ন হয়েছে।’ 

তিনি বলেন, ‘ধর্ষকের পরিচয় ধর্ষক, সে অপরাধী, দুর্বৃত্ত। ধর্ষণরোধে সম্মিলিতভাবে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে ভূমিকা পালন করছে। আমাদের নেত্রীর নির্দেশনা হলো, অপরাধী যত বড় নেতাই হোক, যত প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাকে শাস্তি পেতেই হবে। আমাদের সরকারের অনেক মন্ত্রী-এমপিকেও আদালতে হাজিরা দিতে হয়েছে।’  

ধর্ষণ নিয়ে বিএনপি নেতাদের মন্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যারা (বিএনপি) এসব অপবাদ দেন, তারা ক্ষমতায় থাকতে বাংলাদেশে একটা ধর্ষণকাণ্ডেরও কি বিচার হয়েছে? তখন সারা দেশে ধর্ষণের যে একটা অবস্থা সৃষ্টি হয়েছিলো, তখন আপন লোকদের বিচার না করে তারা দোষ চাপিয়ে দিয়েছিলো আওয়ামী লীগের ওপর। এখানে কোনও আপস নেই, কোনও প্রকার ছাড় দেয়া হবে না। আওয়ামী লীগের আমলে একটা হত্যাকাণ্ড দেখান, যেখানে দলীয় নেতাকর্মী হলেও বিন্দুমাত্র ছাড় দিয়েছেন শেখ হাসিনা।’  

আরও পড়ুন:  এশিয়াতে নারী ধূমপায়ীদের তালিকায় শীর্ষে এখন বাংলাদেশ।

সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, অ্যাড. আফজাল হোসেন, মির্জা আজম, এস এম কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহান গোলাপ,  ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া ও  উপ-দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।
নিউজটি পড়া হয়েছে 12 বার

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সাম্প্রতিক খবর আপনার মুঠোফোনে পেতে এখনি প্লে-স্টোর থেকে Bangla Magazine সার্চ করে ডাউনলোড করুন বাংলাদেশের নাম্বার ওয়ান নিউজ ম্যাগাজিন অ্যাপটি। অথবা ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন এখানে। ভালো লাগলে অবশ্যই রেটিং দিয়ে উৎসাহী করুন।

  • 81
    Shares