প্রচ্ছদ রাজধানী রাজীবের মোহাম্মদপুর বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব

রাজীবের মোহাম্মদপুর বাসায় অভিযান চালাচ্ছে র‌্যাব

64
পড়া যাবে: 3 মিনিটে
advertisement

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ৩৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীবের মোহাম্মদপুরের অফিস ও বাসায় অ’ভিযান চালাচ্ছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ৪ নম্বর রোডের ৪০৪ নম্বর বাড়ি থেকে তারেকুজ্জামান রাজীবকে আ’টক করে র‌্যাব।

advertisement

ওই সময় ঘটনাস্থল থেকে অ’স্ত্র ও বি’দেশি ম’দ জ’ব্দ করা হয়। এরপর রাত ১১টার পর থেকে র‌্যাব সদস্যরা তার মোহাম্মদপুরের বাড়ির চারপাশে অবস্থান নেন।  র‌্যাব জানায়, আ’টক কাউন্সিলর রাজীবের মোহাম্মদপুরে ১ নম্বর রোডের, ৩৩ নম্বর বাসাটি র‌্যাব সদস্যরা ঘিরে রেখেছেন। রাজীবের উপস্থিতিতে সেখানে অভিযান চালানো হচ্ছে।

জানা গেছে, ক্যা’সিনোবি’রোধী অ’ভিযানের মধ্যেই সিটি করপোরেশন এলাকার কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধে অ’বৈধভা’বে দ’খল, চাঁ’দাবা’জি করে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। কাউন্সিলরদের কেউ কেউ সরাসরি ক্যা’সিনো ব্’যবসায় জড়িত ছিলেন। অভিযানের পরপরই অনেকেই পালিয়ে দেশ ছেড়ে গেছেন।

আরও পড়ুন:  রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আ.লীগের প্রভাবশালী নেতা মিজানের অ*পরাধসাম্রাজ্য

এঘটনায় গত দুই সপ্তাহ ধরে আত্মগোপনে ছিলেন মোহাম্মদপুরের ৩৩ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান রাজীব। র‌্যাব সদর দফতর ও র‌্যাব-২ এর একটি যৌথ দল তাকে নজরদারি রাখে।

মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ, চন্দ্রিমা হাউজিং, ঢাকা উদ্যানসহ বিভিন্ন এলাকায় দিনমজুর থেকে চাঁ’দাবা’জি ও দ’খলের টাকায় ধনকুবের হয়ে ওঠেন কাউন্সিলর তারিকুজ্জামান রাজীব । ২০১৪ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকেই বদলে যেতে থাকেন রাজীব। এই কয়েকবছরেই যুবলীগের এই থানা পর্যায়ের এই নেতা মালিক হয়েছেন কয়েকশ কোটি টাকার।

ঢাকা রিয়েল এস্টেটের ৩ নাম্বার সড়কের ৫৬ নাম্বার প্লট, চাঁদ উদ্যানের ৩ নম্বর রোডের রহিমা আক্তার রাহি, বাবুল ও মো. জসিমের তিনটি প্লটসহ অন্তত দশটি প্লট দ’খল অভিযোগ রয়েছে রাজীবের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন:  সম্রাটকে জি’জ্ঞাসাবা’দের পর এবার ঢাকা উত্তর সিটির কাউন্সিলর ‍ও যুবলীগ নেতা রাজীব গ্রে’প্তার

প্রায় ছয় বছর আগে মোহাম্মদপুরের মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির একটি বাড়ির নিচতলার গ্যারেজের পাশেই ছোট একটি ঘরে সস্ত্রীক ভাড়া থাকতেন রাজীব। ভাড়া দিতেন ছয় হাজার টাকা। তবে ছয় বছর শেষে একই হাউজিং এলাকায় নিজের ডুপ্লেক্স বাড়িতে থাকেন। নামে বেনামে অন্তত ছয়টি বাড়ি রয়েছে মোহাম্মদপুর এলাকায়।

বাংলা ম্যাগাজিন /এসপি

সর্বশেষ আপডেট

  • 214
    Shares
advertisement